গত কয়েক
বছরে ট্রাভেল ব্যাগ কিংবা
স্যুটকেস নিয়ে যত উন্নতি হয়েছে
তার সবকিছুই প্রধানত দুটি বিষয়কে
প্রাধান্য দিয়ে করা হয়েছে।

একটি হচ্ছে পর্যটকরা যেন খুব সহজেই
তাদের স্যুটকেস খুঁজে নিতে
পারেন স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবের
মাধ্যমে, আরেকটি হচ্ছে এসব স্মার্ট
ডিভাইসের জন্য ব্যাকআপ পাওয়ার
সরবরাহ করা।
কিন্তু এবার এক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান
তাদের নির্মিত স্যুটকেসকে
উদ্ভাবনের দিকে থেকে নতুন এক
মাত্রায় নিয়ে গেছে। এই ট্রাভেল
ব্যাগ তার মালিককে অনুসরণ করে
নিজে নিজেই চলতে পারবে! এ খবর
জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক
ওয়েবসাইট ম্যাশেবল।

এনইউএ রোবটিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা
এবং প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স
লিবম্যান তাঁদের নতুন এই উদ্ভাবন

সম্পর্কে বলেন, ‘যেকোনো পণ্যই
স্মার্ট এবং রোবোটিক হতে পারে।
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের
প্রতিটি ক্ষেত্রে রোবট নিয়ে
আসতে চাই।’

এই স্মার্ট স্যুটকেসে রয়েছে একটি
ক্যামেরা সেন্সর। তা ছাড়াও যুক্ত
রয়েছে ব্লুটুথ, যার মাধ্যমে এটি তার
মালিকের স্মার্টফোনের ব্লুটুথের
সাহায্য নিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের
সাথে পেয়ার করে সহজেই জানতে
পারবে মালিকের অবস্থান। এই
প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যুটকেসটি
অনুসরণ করবে তার মালিককে।

যদিও এটি এখনো পরীক্ষামূলক
পর্যায়ে রয়েছে। তবু লিবম্যানের
ধারণা ক্রেতাদের হাত পৌঁছাতে
খুব বেশি সময় তাদের দরকার হবে না।
আগামী এক বছরের মধ্যেই সম্পূর্ণ
তৈরি হয়ে যেতে পারে এটি।
শুধু স্যুটকেসের মধ্যেই যে তাদের
চোখ আটকে নেই লিবম্যান তা বেশ
ভালো করেই জানিয়ে দিয়েছেন।
তাঁর মতে এই প্রযুক্তির প্রয়োগ হতে
পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

উদাহরণ

দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন শপিং
মলগুলোতে ব্যবহৃত কার্টের কথা।
স্মার্ট কার্ট চলতে পারে ক্রেতার
পাশাপাশিই, তাকে আলাদা করে
ঠেলে নিয়ে যাওয়ার দিন এখন আর
নেই!

যদিও এসব প্রযুক্তিকে যুগান্তকারী
বলে আখ্যা দেওয়া যাবে না তবুও
অনেক মানুষের বিভিন্ন কাজে
আসতে পারে এই প্রযুক্তি। বিশেষ
করে বৃদ্ধ কিংবা প্রতিবন্ধীদের জন্য
সহায়ক হবে এই প্রযুক্তি।

ধন্যবাদ


তথ্য প্রযুক্তি সেবায়, আপনাদের পাশে।

(ফেসবুকে আমি)

One thought on "এবার স্যুটকেস আপনার পেছন পেছন যাবে !"

Leave a Reply