এইচ ৩০০ ফোনটির উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে পাঁচ ইঞ্চি আইপিএস এইচডি ডিসপ্লে। এর রেজল্যুশন ১২৮০ বাই ৭২০। সূর্যের আলোতেও স্ক্রিন দেখতে সমস্যা হয় না।
২ জিবি র্যাম ও ১৬ জিবি রমের ফোনটি প্রথমে নজর কাড়বে এর নকশার দিক থেকে। ফোনটি ধরতেও বিশেষ সুবিধা। টুজি ও থ্রিজি উভয় নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যাবে ডিভাইসটিতে। অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ অপারেটিং সিস্টেমের ফোনটিতে রয়েছে ১ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ অক্টা কোর প্রসেসর। পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লের ফোনটিতে ফ্ল্যাশসুবিধাসহ পেছনে ১৩ ও সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। ফোনটির র্যাম ২ জিবি ও ইন্টারনাল স্টোরেজ ১৬ জিবি। ব্যাটারি ২ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের।
ফোনটির স্পেশাল ফিচার হিসেবে থাকছে জেশচার-সুবিধা। এইচ ৩০০ স্মার্টফোনটিতে আরও রয়েছে ওটিএ ও ওটিজি সাপোর্ট। সঙ্গে বিনা মূল্যে রয়েছে ওটিজি কেব্ল ও একটি ফ্লিপ কাভার।
নীল, সোনালি ও বাদামি রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। দাম ৯ হাজার ৪৯০ টাকা।
পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ
সাধারণত ব্রাউজিংয়ের জন্য সাশ্রয়ী দামের থ্রিজি ফোন হিসেবে এইচ ৩০০ ফোনটি দক্ষতা দেখাতে পারে। পেছনের ক্যামেরার পাশাপাশি সেলফি ক্যামেরায় ছবি ভালো ওঠে। তবে ছবির মান চমকপ্রদ নয়। যাঁরা স্মার্টফোনে গেম খেলেন, তাঁদের জন্য পাঁচ ইঞ্চি মাপের এই ফোনটি ভালো হতে পারে। তবে একটানা গেম খেলার কারণে কিছুক্ষণ পর ফোনটি গরম হতে পারে। ফোনটি টুজি বা থ্রিজিতে ভালো চলে। তবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে আনলে দ্রুত চার্জ শেষ হতে দেখা যায়। ফোনটির ক্ষেত্রে আসল চার্জার বা ফোনের সঙ্গে দেওয়া চার্জারে চার্জ না দিলে ফোনটিতে দ্রুত চার্জ হয় না।
কল আদান-প্রদান, মেসেঞ্জার ব্যবহার, অডিও-ভিডিও চালানোর মতো বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ফোনটির পারফরম্যান্স ভালো। এইচ ৩০০ মডেলটি গ্রাহকদের কাছে মিডরেঞ্জের ফোন হিসেবে অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফোনের সঙ্গে ভালোই প্রতিযোগিতা করছে।

