Site icon Trickbd.com

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে এই সেটিংগুলো একবার দেখে নিন — ১০ মিনিটের কাজ

আমরা প্রতিদিন কত কিছু শেয়ার করি — ছবি, লোকেশন, ফোন নম্বর, পরিবারের খবর। কিন্তু একটা প্রশ্ন নিজেকে করেছেন কখনো — এই সব তথ্য আসলে কে কে দেখতে পাচ্ছে? বেশিরভাগ মানুষই ডিফল্ট সেটিংসে চালিয়ে যান, আর ডিফল্ট সেটিংস কখনোই আপনার প্রাইভেসির পক্ষে নয়।

চলুন, ১০ মিনিট সময় নিয়ে মূল জায়গাগুলো ঠিক করে নিই।

ফেসবুকে প্রথমে যান Settings & privacy-তে। সেখানে “Privacy Checkup” নামে একটা গাইডেড টুল আছে — এটা চালালেই ধাপে ধাপে দেখিয়ে দেবে কে আপনার পোস্ট দেখতে পায়, কে আপনাকে খুঁজে পায়। এরপর “Audience and visibility” থেকে ভবিষ্যতের পোস্টের ডিফল্ট অডিয়েন্স “Friends” করে রাখুন, যাতে ভুলেও কিছু Public না হয়ে যায়।

ট্যাগিংটা আলাদা করে দেখুন। “Profile and tagging”-এ গিয়ে ট্যাগ রিভিউ অন করে দিন — তাহলে কেউ আপনাকে ট্যাগ করলে আপনার অনুমতি ছাড়া সেটা টাইমলাইনে আসবে না। আমার এক বন্ধুকে কেউ একটা পার্টির ছবিতে ট্যাগ করে দিয়েছিল, ও জানতই না — ট্যাগ রিভিউ অন থাকলে এই ঝামেলা হতো না।

প্রোফাইলের About সেকশনটাও চেক করুন। ফোন নম্বর আর ইমেইলের অডিয়েন্স অনেকেরই না জেনে Public থাকে। এগুলো “Only me” করে দিন। আর “Apps and websites” লিস্টটা দেখুন — কোন কোন থার্ড-পার্টি অ্যাপ আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত আছে। যেগুলো আর ব্যবহার করেন না, রিমুভ করে দিন। প্রতিটা কানেকশনই একটা করে ডেটা শেয়ারের রাস্তা।

ইনস্টাগ্রামে কাজটা আরও সহজ। Settings → Privacy-তে গিয়ে “Private account” অন করে দিন — তাহলে শুধু অনুমোদিত ফলোয়াররাই আপনার পোস্ট দেখবে। Story সেটিংস থেকে ঠিক করুন কে স্টোরিতে রিপ্লাই দিতে পারবে, আর “Activity status” অফ করে দিলে কেউ দেখতে পাবে না আপনি কখন অনলাইনে আছেন।

একটা কথা মনে রাখবেন — মেটা মাঝে মাঝেই সেটিংসের নাম আর জায়গা বদলে ফেলে। কোনো অপশন খুঁজে না পেলে Settings-এর ভেতরের সার্চ বারটা ব্যবহার করুন। আর মাসে একবার এই ১০ মিনিটের চেকআপটা করে নিলে অ্যাকাউন্টটা ডিফল্টের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ থাকবে।

Exit mobile version