ফ্রিল্যান্সিং কি?
Freelancing মানে মুক্ত পেশা। অর্থাৎ,
আপনি
কোন নির্দিষ্ট গন্ডি বা সময় বা স্থান
এর মধ্যে
আবদ্ধ না থেকে নিজের ইচ্ছাকে
স্বাধীনতা
দিয়ে কোন কাজ করছেন। এটাই
Freelancing।
এখানে একটা বিষয় বিষয় খেয়াল করি
যেখানে
“কাজ” কথাটি উল্লেখ আছে। এটাই
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। Freelancing কোন কাজকে
সংজ্ঞায়িত করেনা। বরং, নির্দিষ্ট
কোন কাজে
ভালোভাবে পারদর্শী হয়ে, সেই
কাজকে
মুক্তভাবে করাকে Freelancing বলে। আর,
সেই
কাজ যদি হয় অনলাইন এর মাধ্যমে,
তাহলে তাকে
Online Freelancing বলে।
আউটসোর্সিং কি?
এবার আসুন, আউটসোর্সিং সম্পর্কে একটু
ধারণা
নেই। আমরা অনেকেই আউটসোর্সিং
কে
ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতিশব্দ হিসেবে
ব্যাবহার করি।
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আমরা স্পষ্ট
ধারনা পেয়েছি।
আর, আউটসোর্স কথাটির মানে হল
বাইরের উৎস।
অর্থাৎ, আমরা যখন আমাদের দেশের
বাইরে
ফ্রিল্যান্সিং করি তখন তাকে
আউটসোর্সিং বলা হয়।
ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর
পার্থক্যঃ
একটি উদাহরণ দেই। ধরুন, একজন
ফটোগ্রাফার তার
তোলা ছবিগুলো বিক্রি করছে দেশের
বিক্রেতাদের কাছে। এটি অবশ্যই
ফ্রিল্যান্সিং । আবার
যখন একি ছবি দেশের বাইরে বিক্রি
করেছে
সেটাই আবার তখন আউটসোর্সিং।
তাহলে আমরা এটুকু বুঝতে পারলাম যে,

ফ্রিল্যান্সিং ও
আউটসোর্সিং যাই করতে চাইনা কেন,
অবশ্যই
আমাকে আগে একটি নির্দিষ্ট কাজে
পারদর্শী
হতে হবে।
সঠিক কাজ নির্বাচনঃ
নির্দিষ্ট কাজ যদি হয় তাহলে কোন
কাজটা শিখলে
ভালো হবে। এই প্রশ্নটাও আমি অনেক
পেয়েছি। তারপর আমি তাদেরকে
উলটা প্রশ্ন করি
যে, তারা কোন কাজ শিখতে চায়। আর
তখন যে
সাধারণ উত্তরটা আসে তা প্রায়
একইরকম। তারা যার
কাছথেকে এই বিষয়ে জানতে
পেড়েছে, উনারা
যা কাজ করছে তাই শিখতে চায়। আর
এটা হল
ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং জগতে
প্রবেশ করার
পরে সবচেয়ে প্রথম ও সবচেয়ে মারাত্মক
ভুল।
এই ভুল আপনাকে এই জগতে বেশিদিন
বিচরণ
করতে দিবে না। আর যার ফলাফল হবে
ফ্রিল্যান্সিং ও
আউটসোর্সিং জগতের প্রতি আপনার
ক্ষোভ। এই
জগত থেকে কিছু না পেয়ে ফিরে
যাওয়ার তিক্ত
অভিজ্ঞতা।
তাহলে এর সমাধান কি?
এর সমাধান হল নিজেকে জানা।
আপনি নিজে কি
করতে পছন্দ করেন সেটিকে বেছে
নিন। সবাই
যা করছে সেটা না করে ভিন্ন কিছু
করার চেষ্টা করুন
যেন আপনার চাহিদাটা অনেক বেশি
থাকে। যেই
সেক্টরে কাজ অনেক বেশি অথচ এখনো
কাজ
করার দক্ষ মানুষের অভাব। বেছে নিন
নির্দিষ্ট
কোন একটি কাজকে যেটাতে অবশ্যই
পুরাপুরি
দক্ষ হয়ে সফলতার সাথে কাজটি করতে
পারবেন।
মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিং ও
আউটসোর্সিং জগতে
আপনি একাই আপনার দেশকে তুলে
ধরছেন
বিশ্বের কাছে। একদিন আপনি একাই
হয়তো
দেশের জন্য গর্বের কিছু বয়ে আনতে
পারেন।
রিসার্চ করাঃ
যেই কাজটি শিখবো বলে সিদ্ধান্ত
নিলাম সেটা কি
আদৌ ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং
সেক্টরে আছে
কিনা বা সেটার নামটা আসলে কি
তা জানব কিভাবে?
সেটাও জানার উপায় আছে। আমি
একটি কথা বলে
রাখতে চাই যে, ফ্রিল্যান্সিং ও
আউটসোর্সিং
সেক্টরে যে আসতে চান তাকে অবশ্যই
ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্পর্কে ভালো
ধারণা থাকতে
হবে। আর তার সবচেয়ে বড় ও কাছের বন্ধু

শিক্ষক বানাতে হবে GOOGLE কে।
Google ও YouTube কে সবচেয়ে বড় শিক্ষক ও
সহযোগী হিসেবে ধরে নিতে হবেঃ
GOOGLE কে আমাদের মনের যে কোন
প্রশ্ন
থাকলে আমরা করতে পারি। সে
আমাদেরকে
কখনো বলবে না যে, “আমি এখন ব্যাস্ত
আছি,
পরে তোমার প্রস্নের উত্তর দিব”। আমরা
যেটাই
জানতে চাইনা কেন, সে অবশ্যই কোন
না কোন
ধারণা দিবে। তাই আমাদের অন্যের
উপর
নির্ভরশীল না হয়ে GOOGLE কে
সবচেয়ে বড়
শিক্ষক ও বন্ধু হিসেবে ধরে নিতে হবে।
পাশাপাশি
আমরা YOUTUBE কেও সহযোগী হিসেবে
1 লাগবে

3 thoughts on "ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর করুন"

  1. Whole Square Cube Whole Square Cube Author says:
    apnaar sob kothai bujlam …bt agei bujbo kivabe kontay…..cahida besi bt oviggo lok kom?
  2. polash polash Contributor says:
    Valo lagsa vaiya

Leave a Reply