✅ চলছে পবিত্র রমাদান মাসে। ইবাদতের মাস, কিন্তু ইবাদতের নামে যদি কারও কষ্ট হয় 😭—তাহলে বিষয়টি কি ভেবে দেখা দরকার নয়?
🚨সাহরীর কয়েক ঘন্টা আগে থেকে বিভিন্ন মসজিদে উচ্চস্বরে তিলাওয়াত, গজল বা জিকির সম্প্রচার করা হয়। এতে অনেক সময় কি হয়?
* ছোট বাচ্চারা ঘুমাতে পারে না
* অসুস্থ মানুষ কষ্ট পায়
* মুরুব্বীরা বিশ্রাম নিতে পারেন না
* যারা ব্যবসায়িক/কোনোও কারণে রাত ১১-১২ টা জেগেছেন তারা ৪ ঘন্টা ঘুমাবেন এটা পারেন না ।
🚨 এমনকি যারা জেগে ওঠেন, তারাও মনোযোগ দিয়ে নামাজ, তিলাওয়াত বা জিকির করতে পারেন না, বিঘ্ন ঘটে। 🚨
কাজটা সঠিক হচ্ছে কিনা লক্ষ করুন,
🔹 মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও উত্তম আচরণের নির্দেশ দেন…”— কুরআনুল কারীম, সূরা আন-নাহল ১৬:৯০
🔹 অন্য আরেক জায়গায় এসেছে:
“মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের কষ্ট দেয় যারা, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।”
— কুরআনুল কারীম, সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৮
🔹 রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“মুসলিম সে ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।”
— সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম (সংকলন: মুহাম্মদ (সা.) এর হাদিস)
অপর হাদিসে আছে—
“তোমাদের কেউ যখন নামাজে দাঁড়ায়, সে তার প্রভুর সাথে কথা বলে। অতএব তোমরা একে অপরের উপর কুরআন পাঠে আওয়াজ উঁচু করে কষ্ট দিও না।” (আবু দাউদ)
👉 ইবাদত অবশ্যই কল্যাণের কাজ। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—ইবাদতের সাথে মানুষের হকও রক্ষা করতে হবে।
মাইকের শব্দ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যাতে মসজিদের ভেতরে সুন্দর পরিবেশ থাকে, আবার আশেপাশের মানুষও কষ্ট না পায়।
রমজান আমাদের সংযম, সহানুভূতি ও দয়ার শিক্ষা দেয়। আসুন, ইবাদতের পাশাপাশি মানুষের আরাম–আয়েশ ও হককেও গুরুত্ব দেই। শরীয়াহ কারোও বিরক্তির বা কষ্টের কারণ না বানাই।
লেখাটা কপি/শেয়ার করে পবিত্র রমাদান মাসে নিতান্ত দেশব্যাপী চলমান এই ভুল টি বন্ধ করার বিষয়ে প্রচারণা করতে সকলকে বিশেষ অনুরোধ করছি। জাঝাকুমুল্লাহ খায়রান।
ছবির stydyshopbd আমার নতুন ওয়েবসাইট। বই ও গিফট আইটেম পাওয়া যাবে। শুরু মাত্র। এখন রামাদান মাসের বই পাবেন , অনলাইনে বিশ্বস্ত রকমারি ওয়েবসাইটে অর্ডার করতে পারবেন এখানে (বিশেষ ছাড়ে রমাদান মাসের বই অর্ডার করুন)
