Site icon Trickbd.com

রহস্য ভান্ডার (পর্ব – ১) ~ বিখ্যাত মানুষদের কুখ্যাত ৩ ভূত

Unnamed

তারকা বা বিখ্যাত
কোন মানুষকে
সামনে থেকে দেখতে
কে না ভালোবাসে?
কিংবা তার
ছবি? নিজেদের পছন্দের মানুষটির
ব্যবহৃত যেকোন
জিনিসই ভক্তরা রেখে
দিতে চায় নিজের
কাছে।
বিশেষ করে বাস্তবে তাকে সামনে পেলে তো
চোখের
পলকই পড়তে চায় না।
কিন্তু কেমন হবে
ব্যাপারটা
,যদি জানতে পারেন যে আপনার সামনে
দাঁড়ানো
মানুষটি আদতে তারকা
নয়, বরং তার ভূত!
নিশ্চয়ই
যত ভালোবাসা ছিল তাকে নিয়ে মনের
ভেতরে সবটা
উবে যাবে? শুধু আপনি
কেন এমনটা হবে
সবচাইতে
বড় ভক্তটির ক্ষেত্রেও! কিন্তু ভয় পাওয়াতে নয়,
আপনাদেরকে
খানিকটা
আনন্দ দিতেই আজ
জানানো হল বিখ্যাত
মানুষদের এমনই কিছু কুখ্যাত
ভূতের কথা।
১. মেরিলিন মনরো
মাত্র ৩৬ বছর বয়সে
অতিরিক্ত মাদক
গ্রহনের ফলে অকালে মারা যান
বিখ্যাত এই
অভিনেত্রী।
তবে নিজের জীবনের
সময়গুলোই কেবল নয়,
তাড়াহুড়োয় চলে যাওয়ার ফলে অনেক
কাজও
অর্ধসমাপ্ত করে
গিয়েছিলেন বলে
দাবী অনেকের।
আর তাই মৃত্যুর আজ এত বছর পরেও মনরোকে
দেখতে পাওয়া যায়
তার ব্রিন্টউডের
বাড়িতে,
যেখানে তার মৃত্যু
হয়েছিল। এছাড়াও রুজভেল্ট
হোটেলেও দেখা
পাওয়া যায় মনরোর।
হোটেলের রুম
নির্বাচনে মনরোর
পছন্দে সবসময় ২৪৬ নং রুমটাই এগিয়ে থাকে।
আর ওখানেই তাকে
দেখা
গিয়েছে বেশ
কয়েকবার। এ
অভিনেত্রীর আসা- যাওয়া থেকে বাদ
পড়েনি নিজের
কবরটিও।
২. আব্রাহাম লিঙ্কন
আব্রাহাম লিঙ্কনকে
নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার
কিছু নেই। এই নামের
সাথে কম-বেশি সবাইই
পরিচিত। কিন্তু যে
জিনিসটির সাথে
সবাই পরিচিত নয় সেটি হচ্ছে
লিঙ্কনের ভূত।
সাধারণত একে
হোয়াইট হাউজের ভূত
নামে ডাকা হয়। মারা
যাওয়ার পর থেকে এখন অব্দি
প্রায়ই লিংকনের
ভূতকে ঘুরে
বেড়াতে দেখা যায়
হোয়াইট হাউজের
ভেতরে। অনেকের ধারনা মৃত্যুর
পরের জগত নিয়ে
লিঙ্কনের
বেশ আগ্রহ ছিল।
অনেকের তার মৃত্যু, লাশ
ইত্যাদি নিয়েও নানারকম
ধারনা পোষন করেন।
যাদের মূল
কথা হচ্ছে লিঙ্কনের
ভূত আগেও ছিল এবং

এখনো বহাল তবিয়তেই
হোয়াইট হাউজে আছে।
৩. হ্যারি হুডিনি
বিখ্যাত জাদুকর
হ্যারি হুডিনিকে
একনামে ছেলে বুড়ো সবাই চেনে।
কিন্তু তার ভূতের
আবাসস্থল
সম্পর্কে জানেনা
অনেকেই। রালফ
ওয়াকার নামক এক ভদ্রলোকের সাথে
একবার বেশ বন্ধত্ব
হয়ে
যায় হুডিনির।
ভদ্রলোক পেশায়
ছিলেন রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায়ী।
তারই একটি গেস্ট
হাউজে
থাকতে খুব
ভালোবাসতেন
হুডিনি। আর সেখানেই মৃত্যু হয় তার। এরপর
হুডিনির ভূতকে নিয়ে
নানারকম কথা ওঠে।
মনে করা হয় নিজের
প্রিয়
বাড়িটি ছেড়ে পুরোপুরি চলে যেতে
পারেননি হ্যারি।
তার স্ত্রী বেস
অনেকবার চেষ্টা
করেন হুডিনির
সাথে কথা বলার। কিন্তু স্ত্রীর সাথে
কোনধরনের
যোগাযোগ করতেই
চাননি হ্যারি।

Copied from priyo

Exit mobile version