ইসলামের দূষ্টিতে হস্থমৈথুন করা ১০০ %
সীমালঙ্গন কারি,তবে যারা অভস্থ্য হয়ে গেছে
তাদের জন্যে কিছু ছার থাকতে পারে ? প্রথমে
কয়েকটা কুরাআনের আয়াত্ব পড়ুন ।
*”মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত
রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে।
এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা
যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।” “31 ঈমানদার
নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে
নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত
করে।… ” (সূরা আন-নূর আয়াত্ব ৩০থেক৩১ )
*এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।
তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের
ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।
তবে যারা এর বাইরে আরও কিছু চাইবে তারাই হবে
সীমালংঘণকারী (সূরা আল মু’মিনূন আয়াত্ব ৫
থেকে ৭ ) (যৌন অঙ্গের হেফাযত বলতে
কী বুজানো হয়েছে বিস্তারিত জানতে ভিজিট
করুন http:// abubd. pun. bz ) তাফসির : “তবে যারা
এর বাইরে আরও কিছু চাইবে তারাই হবে
সীমালংঘণকারী”-এ বাক্যটি ওপরে উল্লেখিত
দু’টি বৈধ্য আকার ছাড়া যিনা বা সমকাম অথবা পশু-সঙ্গম
কিংবা কাম প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্য অন্য যাই কিছু

হোক না কেন সবই হারাম করে দিয়েছে।
একমাত্র হস্তমৈথুনের (Masturbation) ব্যাপারে
ফকীহগণের মধ্যে মতবিরোধ আছে। ইমাম
আহমদ ইবনে হাম্বল একে জায়েজ গণ্য করেন।
ইমাম মালেক ও ইমাম শাফেঈ একে চূড়ান্ত হারা
বলেন। অন্যদিকে হানাফিদের মতে যদিও এটি হারাম
তবুও তারা বলেন, যদি চরম মুহূর্তে কখনো
কখনো এ রকম কাজ করে বসে তাহলে আশা
করা যায় তা মাফ করে দেয়া হবে।উপরের
তাফসিরে কিছু ফকীহগণ এটা জায়েজ
বলেছেন ? তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় উনারা
কোথায় ও কখন জায়েজ বলেছেন ? “আর
হানাফিদের মতে বলেছেন । যদিও এটি হারাম তবুও
তারা বলেন, যদি চরম মুহূর্তে কখনো কখনো
এ রকম কাজ করে বসে তাহলে আশা করা যায় তা
মাফ করে দেয়া হবে।” হে অবশ্যই ইনাদের
কথাটাই সঠিক ? কারণ একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যুবকদের
লক্ষ্য করে বলেন । “হে যুবকেরা!
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহের দায়িত্ব পালনের
যোগ্যতা রাখে, তাদের বিবাহ করা উচিত। কেননা
বিবাহ দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানের
হিফাজত করে। আর যে বিবাহের দায়িত্ব পালনের
যোগ্যতা রাখে না, তার উচিত (কামভাব দমনের
জন্য) রোযা রাখা।” -(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) ” কি
বুজলেন হজুর সাঃ বলেছেন কামভাব দমনের
জন্যে রোজা রাখতে ? উনিতো বলতে
পারতেন ? হস্থমৈথুন কর ? বরং তিনি বলেছেন
,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “ যে ব্যক্তি স্বীয় জিহ্বা
এবং লজ্জাস্থান জামিন হবে আমি তার জান্নাতের
জন্যে জামিন হবো।” -(বুখারি, মিশকাত) এখন আসুন
মুল আলোচনায় আসেলে ফকিহগণ বুঝাতে
চেয়েছেন অবস্থার পরিপেক্ষিতে যে যদি
চরম মুহূর্তে কখনো কখনো হস্তমৈথুন করে
বসে তাহলে আশা করা যায় তা মাফ করে দেয়া
হবে। কেননা কে এমন আছে যে আল্লাহ
আইন পরিবর্তন করে ? যদি লজ্জা ইস্থান
হেফাজত্ব এর অর্থ হয়ে বধ্য পন্থায় কামভাব দুর
করা ? সীমালঙ্গন কারিদের উপর আল্লাহ অভিসাব
রয়েছে ।

Leave a Reply