Site icon Trickbd.com

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে

Unnamed

আজকের আর্টিকেল নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি কাগজপত্র লাগে তা বর্ণনা করার চেষ্টা করব। তাই যারা নতুন ভোটার হতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের পোস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এইজন্য এই পোস্ট শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
নতুন যারা ভোটার হতে আগ্রহী তাদের অবশ্যই ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র লাগে তা জানতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি কাগজপত্র লাগে তা জানে না।
তাই আপনাদের সুবিধার্থে এই পোস্টে ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র লাগে তা বর্ণনা করা হবে। চলুন দেরি না করে শুরু করি।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে



বাংলাদেশে একজন নাগরিকের ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
জন্ম নিবন্ধন সনদ- ভোটার হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম দরকার হচ্ছে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন। জন্ম তারিখ ও পরিচয় প্রমাণের জন্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের মূল কপি বা সত্যায়িত ফটোকপি।
এসএসসি/এইচএসসি সনদ- ভোটার হতে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে লেগে থাকে। তবে এটা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। যাদের সার্টিফিকেট রয়েছে মূলত তাদের জন্যই প্রযোজ্য।
পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র- ভোটার আইডি কার্ড করতে অবশ্যই পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি। যদি পিতা মাতার ভোটার আইডি কার্ড না থাকে তাহলে পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধনের কপি লাগবে।
রক্তের গ্রুপ- আবেদনকারীর যদি রক্তের গ্রুপ জানা থাকে তাহলে ভোটার হওয়ার সময় রক্তের গ্রুপ লাগতে পারে।
ইউটিলিটি বিল আবেদনকারীর ঠিকানা প্রমাণের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি লাগবে। যেমন: বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি এসবের বিলের কপি।
নাগরিক সনদপত্র কখনো কখনো আবেদনকারীর ঠিকানা প্রমাণের জন্য নাগরিক সনদপত্রের দরকার হয়। এজন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন থেকে নাগরিক সনদ সংগ্রহ করুন।
পাসপোর্ট সাইজের ছবি- নির্বাচন কমিশন অফিসে ভোটার হতে গেলে অবশ্যই সাম্প্রতিক সময়ে তোলা ২-৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন।
বায়োমেট্রিক তথ্য আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস স্ক্যান এবং মুখের ছবি সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে বা নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

নতুন ভোটার হওয়ার শর্তাবলী


কেউ ইচ্ছা করলেই নতুন ভোটার হতে পারবে না। নতুন ভোটার হওয়ার জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন হতে কিছু শর্তাবলী দেওয়া আছে। নিচে সেই শর্তাবলী গুলো উল্লেখ করা হলো-
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
ভোটার হওয়ার জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স হতে হবে।
যে এলাকায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে চান, সেখানে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করতে হবে।
মূলত এই তিনটা যোগ্যতা থাকলেই যেকোন ব্যক্তি যেকোন সময়ে ভোটার হতে পারবে। নতুন ভোটার হওয়ার জন্য এই তিনটা যোগ্যতার প্রয়োজন।
নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম
বর্তমানে আপনি দুই রকম ভাবে নতুন ভোটার হতে পারবেন। প্রথমত অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন। দ্বিতীয়ত নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করে ভোটার আবেদন।
অনলাইন ভোটার আবেদন করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট (services.nidw.gov.bd) এ গিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। এর সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
উক্ত ওয়েবসাইটে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার পাশাপাশি ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

আরো পড়ুন- অনলাইনে বই কিনুন
আর অফলাইন ভোটার আবেদন করতে সরাসরি স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় বা নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে ফরম সংগ্রহ করে পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে।

আরো পড়ুন- সরকারি চাকরির খবর

কিছু কথা


সকল নাগরিকের সুবিধার্থে আজকের পোস্টে নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে তা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই যারা নতুন ভোটার হবেন তারা অবশ্যই উপরোক্ত কাগজপত্র গুলো সঙ্গে করে নিয়ে নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসার যোগাযোগ করবেন।
এছাড়া আজকের পোষ্ট নিয়ে আপনার যদি কোন প্রশ্ন, পরামর্শ বা মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা আপনার মূল্যবান প্রশ্ন বা মতামতের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।
Exit mobile version