আবার নিয়ে এলাম ‘ডেভেলপার অপশন’ সম্পর্কে। আশা করি আগের পর্বের ট্রিকসগুলো আপনাদের বেশ কাজে এসেছে। প্রথম পর্বে আপনাদের দারুণ সাড়া আর কমেন্ট দেখে সত্যি খুব ভালো লেগেছে! তখনই বুঝেছিলাম আপনারা অনেকেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিকে আরও একটু অ্যাডভান্সড লেভেলে নিয়ে যেতে চান।
তাই আর জাস্ট দেরি না করে আজকে নিয়ে এলাম এই সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব (Part-2)। প্রথম পর্বে আমরা ফোন ফাস্ট করার মতো কিছু বেসিক জিনিস জেনেছিলাম, কিন্তু আজকের ট্রিকসগুলো আগের চেয়েও একটু বেশি ইন্টারেস্টিং এবং কার্যকর হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে যারা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট চান কিংবা গেম খেলতে ভালোবাসেন, আজকের পর্বটি তাদের মিস করা একদমই উচিত হবে না!
তাহলে হাতের ফোনটা রেডি রাখুন, আর চলুন দেখে নেওয়া যাক আজকের লুকানো ফিচারগুলো—
১.যেকোনো অ্যাপ মেমোরি কার্ডে নেওয়া (Force allow apps on external): অনেকে ফোনে মেমোরি কার্ড (SD Card) ব্যবহার করলেও দেখা যায় পাবজি বা ফ্রি ফায়ারের মতো বড় বড় গেম কিংবা ভারী অ্যাপগুলো মেমোরি কার্ডে মুভ করা যায় না। ডেভেলপার অপশনের নিচের দিকে এই ফিচারটি পাবেন। এটি অন করে দিলে অ্যান্ড্রয়েড জোরপূর্বক যেকোনো অ্যাপকে এক্সটার্নাল মেমোরি কার্ডে ইন্সটল বা ট্রান্সফার করার অনুমতি দেয়। ফলে ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ নিয়ে আর দুশ্চিন্তা করতে হয় না।
২.ফোন আসক্তি কমাতে সাদা-কালো স্ক্রিন (Simulate color space): আপনি কি ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেসবুক বা রিলস স্ক্রল করে সময় নষ্ট করেন? এই আসক্তি কমানোর একটি দারুণ বৈজ্ঞানিক ট্রিক আছে। ডেভেলপার অপশন থেকে Simulate color space-এ যান এবং সেটি Monochromacy করে দিন। ব্যাস! আপনার পুরো ফোনের স্ক্রিন একদম সাদা-কালো হয়ে যাবে। স্ক্রিনে কোনো রঙিন চাকচিক্য না থাকায় ফোন ব্যবহার করার আকর্ষণ অনেকটাই কমে যাবে, যা আপনার স্ক্রিন টাইম কমাতে সাহায্য করবে।
৩.র্যামের ওপর থেকে সব চাপ সরিয়ে ফেলা (Don’t keep activities): আপনার ফোনটি যদি খুব পুরোনো হয় এবং র্যাম কম থাকার কারণে প্রচণ্ড হ্যাং করে, তবে এই অপশনটি আপনার ফোনকে বাঁচাতে পারে। এটি অন করে দিলে, আপনি যখনই কোনো অ্যাপ থেকে বের হয়ে হোম স্ক্রিনে আসবেন, ফোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সেই অ্যাপের সমস্ত প্রসেস সাথে সাথে পুরোপুরি ধ্বংস বা মুছে দেবে। এতে আপনার ফোনের র্যাম সবসময় একদম খালি ও ফাস্ট থাকবে।
৪.বন্ধুদের সাথে মজার প্র্যাঙ্ক (Show surface updates): আপনি যদি বন্ধুর ফোন নিয়ে একটু নির্দোষ মজা বা প্র্যাঙ্ক করতে চান, তবে এই ট্রিকটি কাজে লাগাতে পারেন। ডেভেলপার অপশন থেকে Show surface updates বা Show screen updates অন করে দিন। এরপর স্ক্রিনে একটু টাচ করলেই বা কোনো অ্যাপ ওপেন হলেই পুরো স্ক্রিনটি অদ্ভুত বেগুনি বা গোলাপী রঙে বারবার ফ্ল্যাশ (লাফালাফি) করতে থাকবে! আপনার বন্ধু নিশ্চিত ভেবে বসবে তার ফোনের ডিসপ্লে বুঝি নষ্টই হয়ে গেল! পরে এটি অফ করে দিলেই আবার সব ঠিক হয়ে যাবে।
৫.স্ক্রিনে আঁকিবুঁকি বা টাচ ট্র্যাক করা (Pointer Location): এটি অন করলে আপনি স্ক্রিনের যেখানেই টাচ করবেন, সেখানে একটি নীল রঙের রেখা তৈরি হবে এবং স্ক্রিনের একদম উপরে কিছু জটিল কোঅর্ডিনেট কোড (X এবং Y অক্ষের মান) দেখাবে। এটি মূলত ফোনের টাচ প্যানেল বা ডিসপ্লে ঠিকঠাক কাজ করছে কি না, অথবা স্ক্রিনের কোনো অংশ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে কি না—তা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। সাধারণ ইউজারদের কাছে এটি দেখতে বেশ চমৎকার একটা “হ্যাকার হ্যাকার” ভাইব দেয়!
৬.ফোনের আসল ল্যাগ বা ফ্রেম ড্রপ ধরা (Profile HWUI Rendering): আপনার ফোনটি কি আসলেই ল্যাগ করছে, নাকি কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপের সমস্যার কারণে স্ক্রিন আটকে যাচ্ছে—তা বুঝতে এই অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন। এখানে গিয়ে On screen as bars সিলেক্ট করে দিন। সাথে সাথে স্ক্রিনের নিচের দিকে রঙিন কিছু গ্রাফ চলে আসবে। আপনি যখন স্ক্রিন স্ক্রল করবেন, এই বারগুলো ওঠানামা করবে। গ্রাফের দাগগুলো যদি স্ক্রিনের মাঝের সবুজ রেখা পার হয়ে যায়, তবে বুঝবেন আপনার ফোনটি সেই মুহূর্তে ফ্রেম ড্রপ বা ল্যাগ করছে।
৭.কম্পিউটারের মতো মাল্টিটাস্কিং (Enable freeform windows): আমরা তো স্প্লিট স্ক্রিন বা এক স্ক্রিনে দুটি অ্যাপ চালানো দেখেছি। কিন্তু এই ফিচারটি অন করলে আপনি কম্পিউটারের উইন্ডোর মতো ছোট ছোট সাইজ করে একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ স্ক্রিনে ভাসিয়ে রাখতে পারবেন (Floating Windows)। একটি অ্যাপ টেনে এক কোণায় রেখে অন্যটিতে গান শুনতে পারবেন বা চ্যাট করতে পারবেন। সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এটি সমানভাবে কাজ না করলেও, কাস্টম ওএস বা বড় স্ক্রিনের ফোনে এটি চমৎকার অভিজ্ঞতা দেয়।
৮.লগার বাফার সাইজ বাড়ানো (Logger buffer sizes): বাই-ডিফল্ট এটি ২৫৬কে (256K) করা থাকে। আপনি যদি ব্লুটুথ হেডফোনে গান শোনার সময় সামান্য সাউন্ড ল্যাগ পান কিংবা হেভি গেমিংয়ের সময় সামান্য পারফরম্যান্স ড্রপ অনুভব করেন, তবে এটিকে বাড়িয়ে 4M বা 16M করে দিতে পারেন। এটি আপনার প্রসেসরকে অডিও বা নেটওয়ার্ক ডেটা প্রসেস করার জন্য কিছুটা বেশি বাফার মেমোরি দেয়, যা ফোনের রেসপন্স টাইম আরও স্মুথ করতে সাহায্য করে।
৯.অ্যাপের লেআউট বা বর্ডার দেখা (Show Layout Bounds): এটি অন করার সাথে সাথে আপনার পুরো স্ক্রিনের ডিজাইন বদলে যাবে। স্ক্রিনের প্রতিটি টেক্সটবক্স, ছবি, বা আইকনের চারপাশে নীল এবং লাল রঙের ছোট ছোট চারকোনা বর্ডার চলে আসবে। যেকোনো অ্যাপের ডিজাইন বা এলাইনমেন্ট কেমন, কোনটার মার্জিন কতটা—সেটি নিখুঁতভাবে দেখার জন্য অ্যাপ ডেভেলপার ও ডিজাইনাররা এটি ব্যবহার করেন। সাধারণ কেউ আপনার ফোনে এটি দেখলে ভাববে ফোনের ডিসপ্লে বুঝি ক্র্যাশ করেছে!
১০.গেমিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট ড্রাইভার সিলেক্ট করা (Graphics Driver Preferences): নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে এই দারুণ ফিচারটি থাকে। এখানে আপনার ফোনের সমস্ত অ্যাপের একটি লিস্ট পাবেন। আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট ভারী গেমের পারফরম্যান্স বাড়াতে চান, তবে সেই গেমটির ওপর ট্যাপ করে ‘Default’-এর বদলে System Graphics Driver সিলেক্ট করে দিতে পারেন। এতে গেমটি ফোনের গ্রাফিক্স হার্ডওয়্যারের সর্বোচ্চ সুবিধা পায় এবং ল্যাগ অনেকটাই কমে যায়।
১১.ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষতিকর অ্যাপ ধরা (Strict Mode Enabled): অনেক সময় কিছু খারাপ কোডিংয়ের অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে বা মেইন স্ক্রিনে এমন কিছু প্রসেস চালায় যা ফোনের প্রসেসরের ওপর প্রচণ্ড চাপ ফেলে, অথচ আমরা খালি চোখে তা বুঝতে পারি না। এই অপশনটি অন রাখলে, কোনো অ্যাপ যখনই ফোনের মেইন থ্রেডে কোনো লম্বা বা ভারী কাজ করতে যাবে, তখনই আপনার ফোনের স্ক্রিনের চারপাশ লাল হয়ে ফ্ল্যাশ করবে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই ফোনের জন্য ক্ষতিকর বা স্লো অ্যাপগুলোকে ধরে ফেলতে পারবেন।
১২.টাইপ-সি ইয়ারফোনের সাউন্ড সমস্যা সমাধান (Disable USB Audio Routing): আজকাল বেশিরভাগ ফোনেই ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক থাকে না, ফলে টাইপ-সি ইয়ারফোন বা কনভার্টার ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় টাইপ-সি ইয়ারফোন কানেক্ট করার পরও ফোন সেটি চিনতে পারে না এবং স্পিকার দিয়েই গান বাজতে থাকে। এই সমস্যায় পড়লে ডেভেলপার অপশনের এই ফিচারটি অন বা অফ করে ট্রাই করতে পারেন। এটি ইউএসবি পোর্ট দিয়ে অডিও সিগন্যাল পাস করার সমস্যা সহজেই ফিক্স করে দেয়।
১৩.সবসময় সর্বোচ্চ স্মুথনেস পান (Force Peak Refresh Rate): আজকাল বেশিরভাগ ফোনেই ৯০ হার্জ বা ১২০ হার্জের রিফ্রেশ রেট থাকে। কিন্তু ব্যাটারি বাঁচানোর জন্য ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটিকে কমিয়ে ৬০ হার্জে নামিয়ে আনে, ফলে স্ক্রিন স্ক্রল করার সময় সেই স্মুথনেস পাওয়া যায় না। আপনি যদি ব্যাটারির চেয়ে পারফরম্যান্স বেশি পছন্দ করেন, তবে এই অপশনটি অন করে দিন। এটি আপনার ফোনকে সবসময় সর্বোচ্চ রিফ্রেশ রেটে লক করে রাখবে, ফলে ফোন ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা হবে মাখনের মতো স্মুথ!
১৪.ডিসপ্লের ল্যাগ কমানো (Disable HW Overlays): সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড স্ক্রিনে কোনো কিছু দেখানোর সময় প্রসেসর (CPU) এবং গ্রাফিক্স (GPU) ভাগাভাগি করে কাজ করে। কিন্তু এই অপশনটি অন করলে স্ক্রিন রেন্ডারিংয়ের পুরো দায়িত্ব জিপিইউ (GPU)-এর ওপর চলে যায়। এর ফলে বিভিন্ন অ্যাপ বা গেমের স্ক্রিন ট্রানজিশন আরও দ্রুত হয় এবং স্ক্রিনের সামান্য ল্যাগ বা খুতখুতে ভাব থাকলে তা দূর হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, জিপিইউ বেশি কাজ করায় ব্যাটারি একটু দ্রুত শেষ হতে পারে।
১৫.ক্যাবল ছাড়া পিসিতে ফোন কানেক্ট (Wireless Debugging): আমরা আগে ইউএসবি ডিবাগিংয়ের কথা বলেছিলাম, যার জন্য ক্যাবল লাগে। কিন্তু আপনার ফোন ও পিসি যদি একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে থাকে, তবে এই ‘ওয়্যারলেস ডিবাগিং’ ফিচারটি দিয়ে কোনো রকম তার বা ক্যাবল ছাড়াই পিসি থেকে ফোন কন্ট্রোল করতে পারবেন। যারা কোডিং করেন বা পিসিতে ফোনের স্ক্রিন শেয়ার করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত আরামদায়ক একটি ফিচার।
১৬.ফোনকে বানিয়ে ফেলুন কম্পিউটার (Force Desktop Mode): আপনি কি জানেন আপনার হাতের অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিকে একটি আস্ত কম্পিউটারের সিপিইউ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব? এই ফিচারটি অন করে আপনি যদি একটি টাইপ-সি টু এইচডিএমআই (Type-C to HDMI) ক্যাবল দিয়ে ফোনটিকে টিভি বা মনিটরের সাথে কানেক্ট করেন, তবে মনিটরে উইন্ডোজ বা ল্যাপটপের মতো একটি চমৎকার ডেস্কটপ ইন্টারফেস চলে আসবে। সেখানে আপনি মাউস ও কিবোর্ড লাগিয়ে একদম কম্পিউটারের মতো কাজ করতে পারবেন।
অত্যন্ত জরুরি সতর্কবার্তা: ডেভেলপার অপশন ব্যবহারের আগে অবশ্যই পড়ুন!👉বন্ধুরা, আমরা তো ডেভেলপার অপশনের চমৎকার সব ট্রিকস এবং ফিচার সম্পর্কে জানলাম। কিন্তু মনে রাখবেন, এই অপশনটি যেমন আকর্ষণীয় এবং কাজের, তেমনি একটু অসাবধানতার কারণে এটি আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটির বড় কোনো ক্ষতিও করে ফেলতে পারে।নিজে ফোনে অ্যাপ্লাই করার আগে নিচের সতর্কবার্তাগুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন:
১➡️ না জেনে কোনো সেটিংস পরিবর্তন করবেন না: ডেভেলপার অপশনের ভেতরে থাকা বেশিরভাগ সেটিংসই মূলত অ্যাপ ডেভেলপারদের টেস্টিংয়ের জন্য তৈরি। কোনো অপশনের কাজ পুরোপুরি না জেনে সেটি অন বা অফ করবেন না। ভুল কোনো সেটিংস পরিবর্তনের কারণে আপনার ফোন বারবার বন্ধ-চালু (Bootloop) হতে পারে বা ওএস (OS) ক্র্যাশ করতে পারে।
২➡️ সিকিউরিটি বা প্রাইভেসির ঝুঁকি: ‘USB Debugging’ বা ‘Wireless Debugging’-এর মতো ফিচারগুলো কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করার জন্য খুবই দরকারি। কিন্তু কাজ শেষ হওয়া মাত্রই এগুলো বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এগুলো সবসময় অন থাকলে, আপনার ফোনটি কোনো অচেনা কম্পিউটারে বা চার্জিং পোর্টে কানেক্ট করলে হ্যাকাররা সহজেই আপনার ফোনের সব পার্সোনাল ডেটা চুরি করে নিতে পারবে।
৩➡️ ব্যাটারি লাইফ এবং পারফরম্যান্সের ক্ষতি: কিছু অপশন (যেমন: Force 4x MSAA বা Force Peak Refresh Rate) সাময়িকভাবে ফোনের গ্রাফিক্স বা স্মুথনেস বাড়িয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু এগুলো ফোনের প্রসেসর এবং ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। এর ফলে ফোন দ্রুত গরম হতে পারে এবং ব্যাটারির লাইফ নষ্ট হতে পারে।
৪➡️ ডেটা ব্যাকআপের গুরুত্ব: আপনি যদি ডেভেলপার অপশনের কোনো অ্যাডভান্সড সেটিং নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে চান, তবে সবসময় ফোনের দরকারি ছবি, মেসেজ এবং প্রয়োজনীয় ফাইলের একটি ব্যাকআপ অন্য কোথাও রেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ফোন উল্টাপাল্টা আচরণ করলে কী করবেন?
ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সমাধান কিন্তু খুবই সহজ! যদি ভুলবশত কোনো সেটিংস পরিবর্তন করার পর দেখেন ফোন অদ্ভুত আচরণ করছে, তবে একদম প্যানিক হবেন না। সরাসরি Settings > Developer Options-এ যান এবং একদম উপরে থাকা মূল On/Off বাটন (Master Switch) টি অফ করে দিন। এতে আপনার করা সমস্ত পরিবর্তন এক সেকেন্ডে রিসেট হয়ে যাবে এবং ফোন আবার আগের মতো নরমাল হয়ে যাবে।
“স্মার্টফোন ব্যবহার করুন স্মার্টলি এবং সাবধানে!” দেখা হবে পরের পোস্টে ভালো থাকবেন।