একদিন কৌতূহলবশত ফোনের সেটিংসে Digital Wellbeing খুলে দেখলাম — আমার স্ক্রিন টাইম দিনে সাড়ে ৫ ঘণ্টা! নিজেই অবাক হয়ে গেলাম। অথচ মনে হতো, আমি তো ফোনে তেমন কিছু করি না। আসলে ছোট ছোট করে বারবার ফোন ধরলেই ঘণ্টা জমে যায়।
স্ক্রিন টাইম কমানো মানে ফোন ছেড়ে দেওয়া না — মানে অপ্রয়োজনীয় সময়টা কাটা। আমি যেভাবে কমিয়েছি, সেটাই বলছি।
প্রথমে মাপুন। অ্যান্ড্রয়েডে Settings থেকে Digital Wellbeing, আইফোনে Screen Time — দুটোতেই দেখতে পাবেন কোন অ্যাপে কত সময় যাচ্ছে। এক সপ্তাহ দেখলেই বুঝে যাবেন আসল “সময়চোর” কোনটা। আমার ক্ষেত্রে সেটা ছিল একটা সোশ্যাল অ্যাপ।
তারপর লিমিট বসান। ওই অ্যাপগুলোতে দিনে ১ ঘণ্টার লিমিট দিন। লিমিট শেষ হলে অ্যাপ নিজেই থামিয়ে দেবে — ইচ্ছাশক্তির ওপর ভরসা করতে হবে না।
আর দুটো ছোট অভ্যাস খুব কাজে লেগেছে আমার। এক, খাওয়ার সময় আর ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে ফোন দূরে রাখা। দুই, ফোনটা গ্রেস্কেল মোডে রাখা কিছুদিন — রঙিন স্ক্রিনের আকর্ষণ কমে গেলে ফোন ধরার ইচ্ছাটাও কমে যায়, এটা আমি নিজে টের পেয়েছি।
সত্যি কথা বলতে, প্রথম কয়েকদিন একটু অস্বস্তি লাগবে। হাত বারবার ফোনের দিকে যাবে। কিন্তু এক সপ্তাহ পর দেখবেন, হাতে সময় বেড়ে গেছে — বই পড়া, হাঁটা, পরিবারের সঙ্গে গল্প — এসবের জন্য।
আপনার স্ক্রিন টাইম কত? দেখে এসে কমেন্টে জানাতে পারেন, দেখি কার কত!