ক্রিপ্টো ট্রেডিং কী? ক্রিপ্টো ট্রেডিং কীভাবে করে? লেজিট ক্রিপ্টো কয়েন এবং ক্রিপ্টো ট্রেডিং মার্কেট

[ক্রিপ্টো ট্রেডিং-০১]: ক্রিপ্টো ট্রেডিং কী? ক্রিপ্টো ট্রেডিং কীভাবে করে? লেজিট ক্রিপ্টো কয়েন এবং ক্রিপ্টো ট্রেডিং মার্কেট

ডিসক্লেইমার: এই চেইন টিউটোরিয়ালে এমন কোনো সাইট কিংবা অ্যাপ্লিকেশন অথবা টুলস প্রদান করা হবে না—যা কোনোভাবে শুধুমাত্র প্রমোট/প্রমোশন/বিজ্ঞাপন অথবা ব্যক্তিস্বার্থে লাভবান হওয়ার প্রয়াস থাকবে (শিক্ষাগত প্রেক্ষাপট ছাড়া)। এনিওয়ে, শুরুর ডিসক্লেইমার শেষে কাজের কথাতে ফেরা উচিত।

ক্রিপ্টো ট্রেডিং কী?

জগতের সকল তাবৎ ব্যবসায়িক লাভের মূলনীতি হলো “কম দামে কেনা আর বেশি দামে বিক্রি করা, তাতে যেটা লাভ সেটাই ইনকাম”। সহজ করে বলি:

কম দামে কিনুন (ধরে নিই ১০০ টাকা) → এবার বেশি দামে বিক্রি করুন (ধরে নিই ১১০ টাকা) → তাহলে আপনার যে লাভ হলো (১১০-১০০ = ১০ টাকা) সেটাই আপনার ইনকাম।

উপরের এই ছোট্ট সহজ বিষয়টা যদি আপনার মাথাতে ঢোকে, তাহলে আপনি ক্রিপ্টো ট্রেডিং করার জন্য উপযুক্ত।

এখন বাস্তব জীবনে বৈষয়িক লাভ-লসে পণ্য কেনাবেচা যেমন হয়, তেমনি ভার্চুয়ালে একটি মার্কেট আছে যেখানে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক কয়েন (স্বীকৃত) এর এমন কেনাবেচা হয়। এইসব কম্পিউটারাইজড ইলেকট্রনিক কয়েন যা আসলে বাস্তব কয়েন নয় [হাতে ধরা স্টিলের পয়সা নয়], সেগুলো আসলে এক প্রকার জটিল গাণিতিক ডাটার ব্লক [ইউনিট]—এটিই মূলত ক্রিপ্টোকারেন্সির স্বরূপ। হয়তো বিষয়টা বুঝতে কঠিন, তথাপি ধীরে ধীরে শিখতে শিখতে বিষয়গুলি সহজ হয়ে যাবে আশা করি…

এখন এই ইলেকট্রনিক বাজারে ভার্চুয়ালে নানান পণ্য আছে [কয়েন], সেইসবের নানান দাম [প্রাইস]—কিছু আছে একদম টাটকা মাল [আইমিন লেজিটিমেসির দিক হতে পিউর] আবার কিছু আছে ফাটকা পণ্য [মিম কয়েন, পাম্প অ্যান্ড ডাম্প, শিট কয়েন ইত্যাদি]। এইসবের ভেতর হতে বাজার ঘুরে ঘুরে সওদাগরের মতো খাঁটি পণ্য [লেজিট] কম দাম দিয়ে কিনে [Buy], সেটাই আবার সময়ে বেশি দামে বিক্রি করে [Sell] লাভবান [Profit] হওয়াটাই হলো ক্রিপ্টো ট্রেডিং।

ক্রিপ্টো ট্রেডিং কীভাবে করে?

এখন তো আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে…

(১) বাজারে আসল ও খাঁটি পণ্য চিনব কীভাবে?

[কোন কোন কয়েন লেজিট সেগুলো জানব কীভাবে?]

(২) কোনটার কেমন দাম সেটাই-বা জানব কীভাবে, যাতে আসলে আমি কমে কিনছি নাকি বেশি দরে কিনছি সেটাই-বা বুঝব কেমনে?

[মূল কয়েন প্রাইস অতীতে কেমন ছিল আর বর্তমানে সেটার প্রাইস কেমন? যাচাই করে কয়েন কেনা]

(৩) যেই মাল কিনছি সেটা যে বাজারে সওদাগরি বেশি দামে বিক্রি করতে পারব সেটার নিশ্চয়তা কী? বাণিজ্য করতে জাহাজ নিয়ে সমুদ্রে শুধু ভাসলে হবে না—সওদাগরের মূল “মাণিক্য” হলো মাথা, তাতে বাণিজ্য করতে জানতে হয়।

[আপনি যে কয়েন কিনবেন সেটা আদৌ দাম বাড়বে কি? বাড়লে কখন দাম বাড়বে? আর যখন আপনার প্রয়োজন সে অনুসারে দাম বাড়বে এমন কয়েন কিনে পোর্টফোলিও ব্যালেন্স রাখতে হবে—এটিই উপরে সহজভাবে রূপক অর্থে জাহাজ অর্থে বোঝানো হয়েছে]।

উপরের এই তিনটি প্রশ্নের উত্তরের অনুসন্ধানে আমাদের এই যাত্রা, যাতে আমরা জানতে পারব আসলেই আদর্শ ক্রিপ্টো ট্রেডিং কীভাবে করে।

লেজিট ক্রিপ্টো কয়েন এবং ক্রিপ্টো মার্কেট

লেজিট ক্রিপ্টো কয়েন

ক্রিপ্টো বাজারে হাজার হাজার কয়েন থাকলেও সবগুলোকে “লেজিট” বলা যায় না (নানা কারনে); তথাপি যেগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি (Blockchain) এবং বাস্তবিক লেনদেন হয় এবং নির্ভরযোগ্য এমন কয়েনগুলোকে আমরা আপাতভাবে “লেজিট” হিসেবে বিবেচনা করতে পারি।

যেমন:

• ​Bitcoin (BTC): ডিজিটাল গোল্ড এবং পুরো ক্রিপ্টো মার্কেটের রাজা হিসেবে ধরতে পারেন [রাজা বলতে আসলে এটাকে Standard মেনে অন্য সব কয়েন এর সাথে তুলনা করা হয় এমন ইউনিট]

• Ethereum (ETH): স্মার্ট কন্ট্রাক্ট এবং ডি-ফাই (DeFi) জগতের প্রধান ভিত্তি ধরা হয়।

​• Solana (SOL): দ্রুতগতির এবং সস্তা লেনদেনের জন্য জনপ্রিয় এই কয়েনটি।

​• Binance Coin (BNB): বিশ্বের বৃহত্তম এক্সচেঞ্জ বিন্যান্সের নিজস্ব ইকোসিস্টেম কয়েন সুতরাং এটার ওপর নির্ভযোগ্যতা আছে বৈকি।

​• Cardano (ADA): বৈজ্ঞানিক গবেষণানির্ভর ব্লকচেইন প্রজেক্ট কয়েন।

• Polkadot (DOT): বিভিন্ন ব্লকচেইনের মধ্যে সংযোগকারী প্রজেক্ট কয়েন।

লেজিট কয়েন চিনবেন কিভাবে?

​কোনো কয়েন আসল কি না তা বুঝতে সওদাগরের মতো আপনাকে এই ৫টি বিষয় যাচাই করতে হবে:

​(১) মার্কেট ক্যাপ (Market Cap): কয়েনটি বাজারে কত বড় জায়গা দখল করে আছে? CoinMarketCap বা CoinGecko-তে টপ ১০০-এর ভেতরে থাকা কয়েনগুলো সাধারণত বেশি লেজিট হয়।

​(২) ইউজ কেস (Use Case): এই কয়েনটা দিয়ে আসলে কী কাজ হয়? এর কি কোনো বাস্তব সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা আছে, নাকি শুধুই হাইপ? এটা বিচার করে সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে।

ঐ যে একটা সময় হ্যামস্টার নামের একটা কয়েন এসেছিলো তাতে বিষয়টা কতোই না হাইপ ছিলো – বস্তুত এই মুহূর্তে যখন লিখছি Hamster price [HAM] $0.091218 এবং সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় কয়েনটির প্রাইস ডাউন 0.17% (24h)।

হাইপ মানে খারাপ এমনটাও কিন্তু নয় – হাইপ ছিলো বলেই কয়েনটির প্রচারনাতে সেটি লিস্টেড হয়; তথাপি ফেইক হাইপে কোন কয়েন কেনার পূর্বে জাত মূল্যায়ন করতে হবে।

(৩) টিম ও ডেভেলপার: কয়েনটির পেছনে কারা আছে? তাদের কি পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে? বেনামী প্রজেক্টগুলো অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয় তাই কয়েনটির স্ট্যাবলিটি যাচাই করুন।

(৪) সাপ্লাই চেইন: কয়েনটির মোট সংখ্যা (Total Supply) কত? যদি সাপ্লাই আনলিমিটেড হয় বা হুট করে ইনফ্লেশন ঘটার সম্ভাবনা থাকে, তবে সেটা এড়িয়ে চলা ভালো হবে।

(৫) ভলিউম (Trading Volume): ২৪ ঘণ্টায় মানুষ এটি কত বেশি কেনাবেচা করছে? লিকুইডিটি বা ভলিউম বেশি থাকলে বুঝতে হবে বাজারে এর চাহিদা আছে।

[উপরের এই পাঁচটি বিষয়ের ক্ষেত্রে CryptoRazz এর Crypto Terminal হতে আপনি All Binance USDT Pairs (Live WS) ভেতর টপ কয়েন চুজ করতে পারেন এবং বর্তমানে ঐ কয়েনের লাইভ মার্কেট প্রাইস, ভলিউম, রেইঞ্জ এবং ট্রেডিং স্ট্যাবলিটি সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন]।

লেজিট মার্কেটপ্লেস

এখন পরবর্তী বিষয় আসে যে কোথায় সওদাগরি মাল কেনা বেচা করার নির্ভরযোগ্য বাজার অর্থাৎ ট্রেডিং মার্কেটপ্লেস কোনগুলো?

ক্রিপ্টো কেনাবেচা করার ভার্চুয়াল জায়গাগুলোকে বলা হয় “Exchange” (এক্সচেঞ্জ)। এগুলো মূলত দুই প্রকারের হয়:

​(১) সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ (CEX) : এগুলো ব্যবহার করা সহজ এবং নতুনদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যেমন Binance: বিশ্বের ১ নম্বর এক্সচেঞ্জ (সবচেয়ে নিরাপদ ও জনপ্রিয়) এরপর Bybit: ট্রেডিং ফি এবং ফিচারের জন্য ভালো। OKX: বিভিন্ন ধরণের টুলস ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। KuCoin: নতুন নতুন কয়েন খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে।

(২) ডিসেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ (DEX) যেখানে কোনো কোম্পানি নেই, সরাসরি ওয়ালেট টু ওয়ালেট ট্রেড হয় (যেমন: Trust Wallet বা MetaMask দিয়ে) এক্ষেত্রে Uniswap: ইথেরিয়াম নেটওয়ার্কের জন্য, PancakeSwap: বিএনবি (BNB) চেইনের জন্য ইত্যাদি।

লেজিট কয়েন মার্ক করার ক্ষেত্রে CoinGecko বেইজ (ইউটিলিটি, মার্কেট ক্যাপ ইত্যাদি বিচারে) টপ ১০০ টি কয়েন এর তালিকা দেওয়া হলো [আপডেট:২০২৬] :

১. Bitcoin (BTC) ২. Ethereum (ETH) ৩. Tether (USDT) ৪. XRP (XRP) ৫. BNB (BNB) ৬. USDC (USDC) ৭. Solana (SOL) ৮. TRON (TRX) ৯. Figure Heloc (FIGR_HELOC) ১০. Dogecoin (DOGE) ১১. WhiteBIT Coin (WBT) ১২. USDS (USDS) ১৩. Hyperliquid (HYPE) ১৪. LEO Token (LEO) ১৫. Cardano (ADA) ১৬. Bitcoin Cash (BCH) ১৭. Chainlink (LINK) ১৮. Monero (XMR) ১৯. MemeCore (M) ২০. Stellar (XLM) ২১. Canton (CC) ২২. Ethena USDe (USDE) ২৩. Zcash (ZEC) ২৪. Dai (DAI) ২৫. Litecoin (LTC) ২৬. PayPal USD (PYUSD) ২৭. Avalanche (AVAX) ২৮. Hedera (HBAR) ২৯. Sui (SUI) ৩০. Shiba Inu (SHIB) ৩১. Toncoin (TON) ৩২. Cronos (CRO) ৩৩. PAX Gold (PAXG) ৩৪. Bittensor (TAO) ৩৫. Polkadot (DOT) ৩৬. Near Protocol (NEAR) ৩৭. Polygon (POL) ৩৮. Kaspa (KAS) ৩৯. Internet Computer (ICP) ৪০. Aptos (APT) ৪১. Uniswap (UNI) ৪২. Pepe (PEPE) ৪৩. Render (RENDER) ৪৪. Arbitrum (ARB) ৪৫. Mantle (MNT) ৪৬. Optimism (OP) ৪৭. First Digital USD (FDUSD) ৪৮. Cosmos Hub (ATOM) ৪৯. Injective (INJ) ৫০. Stacks (STX) ৫১. Artificial Superintelligence Alliance (FET) ৫২. OKB (OKB) ৫৩. Immutable (IMX) ৫৪. VeChain (VET) ৫৫. Arweave (AR) ৫৬. Maker (MKR) ৫৭. Worldcoin (WLD) ৫৮. Filecoin (FIL) ৫৯. Lido DAO (LDO) ৬০. Thorchain (RUNE) ৬১. The Graph (GRT) ৬২. Fantom (FTM) ৬৩. Jupiter (JUP) ৬৪. Pyth Network (PYTH) ৬৫. Celestia (TIA) ৬৬. Beam (BEAM) ৬৭. JasmyCoin (JASMY) ৬৮. Sei (SEI) ৬৯. Algorand (ALGO) ৭০. Flow (FLOW) ৭১. Helium (HNT) ৭২. Gnosis (GNO) ৭৩. Bonk (BONK) ৭৪. Dogwifhat (WIF) ৭৫. Floki (FLOKI) ৭৬. Quant (QNT) ৭৭. Gala (GALA) ৭৮. EOS (EOS) ৭৯. Tezos (XTZ) ৮০. Aave (AAVE) ৮১. Ethena (ENA) ৮২. Core (CORE) ৮৩. Siren (SIREN) ৮৪. Pieverse (PIEVERSE) ৮৫. Mantra (OM) ৮৬. Bitget Token (BGB) ৮৭. Pendle (PENDLE) ৮৮. Ondo (ONDO) ৮৯. Arkm (ARKM) ৯০. Raydium (RAY) ৯১. Brett (BRETT) ৯২. Popcat (POPCAT) ৯৩. Mog Coin (MOG) ৯৪. Echelon Prime (PRIME) ৯৫. Notcoin (NOT) ৯৬. Wormhole (W) ৯৭. Axie Infinity (AXS) ৯৮. MultiversX (EGLD) ৯৯. Sandbox (SAND) ১০০. Decentraland (MANA)

এখন এলীট ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে ক্রিপ্টোকারেন্সি ইকোসিস্টেমে Layer 1 (L1) এবং Layer 2 (L2) কয়েনগুলি লং টার্ম ইনভেস্ট করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী হয়। নিচে Layer 1 (L1) এবং Layer 2 (L2) এর তালিকা দেওয়া হলো :

Layer 1 (L1) কয়েন সমূহ:

Bitcoin (BTC), Ethereum (ETH), Solana (SOL), BNB (BNB), Cardano (ADA), Avalanche (AVAX), Sui (SUI), Aptos (APT), TRON (TRX), Polkadot (DOT), Near Protocol (NEAR), Kaspa (KAS), Algorand (ALGO), Cosmos (ATOM), Fantom (FTM)

Layer 2 (L2) কয়েন সমূহ:

Polygon (POL), Arbitrum (ARB), Optimism (OP), Mantle (MNT), Stacks (STX), Immutable (IMX)

লেয়ার কমপেয়ার: এখন যদিও উভয় লেয়ার এর কয়েন সমূহ ট্রেড করার জন্য রিলায়েবল তবুও L1 > L2 বিবেচনা করায় শ্রেয়তর।

মনে রাখুন এখানে কিন্তু প্রাইস বা প্রফিট এর বিবেচনা করে লেয়ার কমপেয়ার/তুলনা করিনি বরং রিলায়েবলিটি বিচারে একটি অপেক্ষিক গ্রাফ তুলনা বোঝানো হয়েছে।

লেজিট ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্লাটফর্ম

২০২৬ সালের বর্তমান মার্কেট রিভিউ এবং নিরাপত্তার মানদণ্ড অনুযায়ী সবথেকে নির্ভরযোগ্য ও “লেজিট” ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মগুলোর তালিকা [লিকুইডিটি, সিকিউরিটি অডিট এবং ইউজার ট্রাস্ট বিবেচনা] নিম্নরূপ :

১. Binance (বাইনেন্স) : বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ। এটি উন্নত ট্রেডিং টুলস এবং সবচেয়ে বেশি লিকুইডিটির জন্য পরিচিত।

Link:- www.binance.com

২. Coinbase (কয়েনবেস): নতুনদের জন্য সবচেয়ে সহজ এবং নিয়ন্ত্রিত (Regulated) প্ল্যাটফর্ম।

Link:- www.coinbase.com

৩. OKX (ওকেএক্স) : ট্রেডিং ফি কম এবং উন্নত ডেরিভেটিভস ও Web3 ওয়ালেট ফিচারের জন্য এটি বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয় বটে।

Link:- www.okx.com

৪. Kraken (ক্রাকেন) : সিকিউরিটির দিক থেকে অন্যতম সেরা। দীর্ঘমেয়াদী হোল্ড করা চান বা ফিয়াট কারেন্সি হতে কেনাবেচার জন্য আদর্শ বলা চলে।

Link:- www.kraken.com

৫. Bybit (বাইবিট) : ফিউচার ট্রেডিং এবং কপি ট্রেডিংয়ের জন্য এটি অন্যতম সেরা চয়েস।

Link:- www.bybit.com

৬. KuCoin (কুকয়েন) : “The People’s Exchange” নামে পরিচিত এবং নতুন এবং ছোট প্রজেক্টের কয়েনগুলো সবার আগে আপডেট প্লাটফর্ম।

Link:- www.kucoin.com

৭. Gemini (জেমিয়ানি) :নিরাপত্তা এবং রেগুলেশনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কড়া তাই ট্রাস্টেড বা লেজিট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর সুনাম বেশ।

Link:- www.gemini.com

আজকের মতো না হয় এতোটুকুই থাকুক; সকলের শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।