এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এবার শুরু হয়েছে ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম। দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজ এবং সমমানের প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তাই যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করে পছন্দের কলেজ ও বিভাগ নির্বাচন করতে হবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এবারও আলাদা কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা

এক নজরে একাদশ ভর্তি ২০২৬

  • শিক্ষাবর্ষ: ২০২৬–২০২৭

  • আবেদন শুরু: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

  • আবেদনের শেষ সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা

  • আবেদন ফি: ২২০ টাকা

  • ভর্তি পরীক্ষা: নেই

  • শিক্ষার্থী নির্বাচন: এসএসসি/সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে

  • প্রথম পর্যায়ের ফল: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা

  • নিশ্চায়নের শেষ সময়: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা

  • চূড়ান্ত ভর্তি: ২০–২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

  • ক্লাস শুরু: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একাদশে ভর্তি ২০২৬-এর আবেদন কবে থেকে?

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার জন্য নির্ধারিত সরকারি ভর্তি পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে। কোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা ব্যক্তির মাধ্যমে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। অফিসিয়াল আবেদন ওয়েবসাইট: xiclassadmission.gov.bd আবেদন করার আগে নিজের এসএসসি/সমমান পরীক্ষার তথ্য, বোর্ড, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য হাতের কাছে রাখা ভালো।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির যোগ্যতা ২০২৬

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং ধারাবাহিকভাবে তার আগের দুই বছরে দেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ড অথবা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ শুধু ২০২৬ সালে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরাই নয়, নীতিমালায় নির্ধারিত আগের দুই বছরের যোগ্য শিক্ষার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। বিদেশি কোনো বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণ করিয়ে আবেদন করতে হবে।

একাদশে ভর্তি হতে কি ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে?

না। ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। একই জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাক্রম নির্ধারণের প্রয়োজন হলে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরসহ নীতিমালায় নির্ধারিত বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিবেচনা করা হবে।

কোন বিভাগে আবেদন করা যাবে?

শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার বিভাগ অনুযায়ী একাদশ শ্রেণিতে বিভিন্ন বিভাগে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

  • বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।

  • মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।

  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।

  • নীতিমালা অনুযায়ী সব বিভাগের শিক্ষার্থীর জন্য ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীতের মতো বিভাগে আবেদনের সুযোগ থাকতে পারে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট কলেজে কোন বিভাগ চালু আছে এবং সেখানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা কত—তা কলেজভেদে আলাদা হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় কলেজের বিভাগ, আসন ও যোগ্যতার তথ্য ভালোভাবে দেখে পছন্দক্রম দেওয়া উচিত।

একাদশে ভর্তির আবেদন ফি কত?

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন প্রাথমিক আবেদনের জন্য ২২০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ২২০ টাকা হলো অনলাইন আবেদনের ফি। কলেজে চূড়ান্তভাবে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ ও বোর্ডের অনুমোদিত অন্যান্য ফি প্রযোজ্য হতে পারে। তাই আবেদন ফি এবং কলেজে ভর্তির সময় প্রদেয় ফি—দুটিকে একই বিষয় মনে করা ঠিক হবে না।

২২০ টাকা আবেদন ফি কীভাবে দেবেন?

অনলাইন আবেদন করার সময় সিস্টেমে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করে নির্ধারিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে ২২০ টাকা আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে। পেমেন্ট সম্পন্ন না হলে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে ধরে নেওয়া যাবে না। তাই টাকা পরিশোধের পর পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না এবং আবেদনটি সাবমিট হয়েছে কি না—দুটিই নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। পেমেন্টের সময় ভুল মোবাইল নম্বর, ভুল তথ্য বা ভুল অপশন নির্বাচন না করার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। লেনদেন সফল হওয়ার প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় তথ্য বা ট্রানজেকশন সংক্রান্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করে রাখা ভালো। bKash, Nagad, Rocket অথবা Teletalk prepaid-এর মাধ্যমে ফি দেওয়া যায়।   bKash দিয়ে দিলে:

  • bKash App খুলুন।

  • Pay Bill / পে বিল অপশনে যান।

  • Education / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করুন।

  • XI Class Admission নির্বাচন করুন।

  • আপনার Education Board নির্বাচন করুন।

  • SSC Pass Year: 2026 নির্বাচন করুন।

  • আপনার SSC Roll Number দিন।

  • প্রয়োজনীয় Mobile Number দিন।

  • সিস্টেমে প্রদর্শিত ফি যাচাই করুন।

  • PIN দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।

অনলাইনে একাদশ শ্রেণির আবেদন করার নিয়ম

একাদশ শ্রেণিতে আবেদন করার পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণভাবে আবেদন করার সময় নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। আমি স্ক্রিনশট দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছি, আগে আমার স্ক্রিনশট গুলি দেখে বুঝে নিন। তার পর নিজে করুন। প্রথমেই এই লিংকে প্রবেশ করুন। তারপর নিচের ছবি গুলি অনুসরণ করুন।

তারপর সাইনআপ এ ক্লিক করুন

তারপর সঠিক তথ্য দিয়ে সাইনআপ বাটনে ক্লিক করুন  

তারপর  

তারপর হ্যামবার্গ মেনুতে ক্লিক করুন

তারপর ফি জমা দেওয়া না, থাকলে উপরের দেওয়া উপায়ে fee জমাদীন এবং পছন্দের 5 থেকে সর্বোচ্চ 10টি কলেজে চয়েস দিন।  

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পছন্দক্রম দেওয়ার সময় শুধু একটি কলেজের নাম না দিয়ে নিজের ফলাফল, কলেজের ন্যূনতম যোগ্যতা, আসনসংখ্যা এবং পছন্দের বিভাগ বিবেচনা করে বাস্তবসম্মতভাবে কলেজ নির্বাচন করা।

কলেজের পছন্দক্রম দেওয়ার সময় কী খেয়াল রাখবেন?

একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে কলেজ পছন্দক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মেধাক্রম ও আসনসংখ্যার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীকে পছন্দের প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন করা হবে। পছন্দক্রম দেওয়ার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন:

  • নিজের এসএসসি ফলাফলের সঙ্গে কলেজের গতিশীল ভর্তি প্রতিযোগিতা বিবেচনা করুন।

  • কলেজে আপনার পছন্দের বিভাগ চালু আছে কি না দেখুন।

  • কলেজের নির্ধারিত ন্যূনতম যোগ্যতা যাচাই করুন।

  • যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনা করুন।

  • শুধু জনপ্রিয় কলেজ দেখে পছন্দক্রম তৈরি না করে বিকল্প কলেজও রাখুন।

২০২৬ সালের একাদশ ভর্তি আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি

কার্যক্রমতারিখ ও সময়অনলাইন আবেদন শুরু২ সেপ্টেম্বর ২০২৬অনলাইন আবেদনের শেষ সময়১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টাপুনঃনিরীক্ষণ/পুনঃমূল্যায়নের ফল পরিবর্তিতদের আবেদন১২–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা পর্যন্তপছন্দক্রম পরিবর্তন১২–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টানির্বাচন নিশ্চায়নের শেষ সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টাচূড়ান্ত ভর্তি২০–২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভর্তি নির্বাচিত হওয়ার পর কী করতে হবে?

অনলাইনে আবেদন করার পর নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন ফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম পর্যায়ের ফল ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টায় প্রকাশের কথা রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ 

হলি ক্রস কলেজে একাদশে ভর্তি, আসন ১৩৩০, দেখুন আবেদনের বিস্তারিত তথ্য

কোনো কলেজে নির্বাচিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ৮টার মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই শুধু ফল প্রকাশের অপেক্ষায় থাকলেই হবে না। ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়নের কাজও সম্পন্ন করতে হবে।

চূড়ান্ত ভর্তি কবে হবে?

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

একাদশ ভর্তি ২০২৬-এ কোটা ব্যবস্থা

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী আসনের একটি অংশ নির্ধারিত কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসনের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। তবে কোটায় আবেদন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোটার প্রকৃত যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দিতে না পারলে নির্বাচন পেলেও ভর্তি সম্পন্ন করা যাবে না।

স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কী হবে?

কোনো স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থী যদি নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করে, তাহলে নিজ প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত যোগ্যতা, অনুমোদিত আসন এবং ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বিদেশি বোর্ড থেকে পাস করলে কীভাবে আবেদন করবেন?

বিদেশি কোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সরাসরি সাধারণ শিক্ষার্থীর মতো আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় সমমান নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণ করিয়ে আবেদন করতে হবে।

ভর্তির সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে কি?

কলেজে ভর্তির সময় প্রতিষ্ঠানকে বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় অনুমোদিত ফি অনুসরণ করতে হবে। অনুমোদিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা উচিত নয়। শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদেরও কোনো অর্থ প্রদান করলে যথাযথ রশিদ সংগ্রহ করে রাখা উচিত।

আবেদন করার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন

  • শুধু অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।

  • আবেদনের শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে আগে আবেদন করুন।

  • এসএসসি/সমমানের তথ্য সঠিকভাবে দিন।

  • কলেজের যোগ্যতা ও বিভাগ যাচাই করে পছন্দক্রম দিন।

  • ২২০ টাকা আবেদন ফি পরিশোধ করার পর পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।

  • আবেদন সম্পন্ন হওয়ার তথ্য সংরক্ষণ করুন।

  • ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চায়ন করুন।

  • কোটায় আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন।

একাদশ ভর্তি ২০২৬-এর অফিসিয়াল আবেদন লিংক

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন করতে নিচের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন: অনলাইনে একাদশ ভর্তি আবেদন করুন — xiclassadmission.gov.bd

শেষ কথা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে হওয়ায় ঘরে বসেই আবেদন করা সম্ভব। তবে আবেদন করার সময় কলেজের নাম বাছাই, বিভাগ নির্বাচন, আবেদন ফি পরিশোধ এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচন নিশ্চায়নের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অফিসিয়াল একাদশ ভর্তি ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন সম্পন্ন করুন। সর্বশেষ কোনো পরিবর্তন বা নতুন নির্দেশনা প্রকাশ হলে অবশ্যই সরকারি ভর্তি পোর্টালের তথ্যকে অগ্রাধিকার দিন। তথ্যসূত্র: একাদশ শ্রেণির অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টাল, ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা। নিত্য নতুন আপডেটেড টেক নিউজ পেতে ভিজিট করুন: forumbd24.com