]
সবাই
কমবেশি Android ফোনের মালিক।
আমরা কমবেশি সবাই গেম
খেলতে ভালবাসি। Android
ফোনের জন্য বেশ ভাল ভাল গেম
ও আছে ও আসছে। নোভা ৩,
মডার্ন কম্ব্যাট ৫ অ্যাস্ফাল্ট ৮
খেলা অনেকের শেষ আবার
অনেকে আবার খেলছেন আবার
অনেকে খেলা শুরু করছেন। এই
গেম গুলো অবশ্যই অনেক মজাদার।
সাস্পেন্স, অ্যাকশন ইত্যাদিতে
ভরা গেম গুলো। তবে আমার
শিরোনামে যেই গেমের কথা
বলেছি তা অনেক বোরিং
গেম। উপরের গেম গুলোর মত
অ্যাকশন নেই, নেই কোন
গ্রাফিক্স। কিন্তু তবু গেমটা
আলাদা। কেন???? হ্যাঁ বলছি।
আমরা সব গেম খেলি স্ক্রিনে
চরম সব গ্রাফিক্সের কারুকার্জ
দেখি। মারদাঙ্গা সব রঙ চং
দেখি। তবে কেমন হয় যদি
স্ক্রিনে আপনি কিছুই না দেখতে
পান? হ্যাঁ। এটাই আসল কথা, এবং
এটাই কারন আমার গেমটাকে
ভিন্ন বলার। বোরিং বলার কারন
ও এটাই (ধুর!!! পয়সা দিয়া
মালি-৪০০, পাওয়ারভিয়ার ৭৫০
জিপিইউ এর ফোন কিন্না এইতান
খেলুম কিল্লাই?)। স্ক্রিনে কিছু
না দেখা গেলেও এই গেমে
প্রচুর সাস্পেন্স আর ভৌতিক
পরিবেশ আছে। তাই খুব
দুর্বলচিত্তের মানুষ নিজ
দায়িত্বে খেলবেন। অনেক মজা
হল এখন গেমের ব্যাপারে বলি।
গেমটির নাম হলো Dark Echo.
গেমটিতে প্রায় ৮০টি
লেভেল আছে। এক একটা
লেভেল পার হবার সাথে
আপনার অভিজ্ঞতা ভৌতিক
হতে থাকবে আর কঠিন তো
হবেই। গেমটির পটভুমি হল
আপনি এক অন্ধকার ঘরে আটকা
পড়বেন। সেখানে কোন
আলোর ছিটেফোটা নেই। যা
আছে শুধু আপনার পায়ের বুট
জোড়া। সেই বুট জোড়া
দিয়ে মাটিতে শব্দ হলে সেই
শব্দ সারা ঘরে প্রতিধ্বনিত
হয়ে আসবে। সেই আওয়াজে
আপনি বুঝবেন কোথায় সামনে
আগাবার রাস্তা আছে আর
কোথায় রাস্তা নেই।
আপনাকে সেই শব্দকে
পর্যবেক্ষণ করে সামনে
এগোতে হবে। প্রতি
লেভেলের শেষ মাথায়
একটা দরজা থাকবে। আপনার
লক্ষ্য সেই দরজা পর্যন্ত
নিজেকে নিয়ে যাওয়া।
আওয়াজ করে করে। দরজা খুলে
ওপাশে গেলেই আরেক
লেভেল। আওয়াজ করে করে
ওঁত পেতে আছে মৃত্যুফাঁদ আর
রাক্ষস। যারা আপনার বুটের
আওয়াজ শুনেই আপনাকে
ধাওয়া করতে থাকবে। বেচে
পালাতে পারলে ঠিক আছে
নাতো মারা যাবেন। প্রতি
লেভেলে আপনার ধৈর্য আর
বুদ্ধির পরীক্ষা হবে। এভাবে
আপনি এগোলে অন্ধকার ঘর
থেকে আলোতে পৌঁছতে
পারবেন। গেমের আসল মজা
পেতে হেডফোন লাগিয়ে
খেলবেন। এটা গেমেই
রিকমেন্ড করা আছে।
সরি মজা করলাম। আমি অবশ্যই
পেইড লিঙ্ক দিয়ে রাখব না।
এখানে ক্লিক করে গেমটা
ফ্রিতে নিয়ে নিন। আর গেমটা
খেলে ভাল লাগলে টিউমেন্ট
করে অবশ্যই জানাবেন। আর
কারো যদি জঘন্য লাগে তো
অবশ্যই টিউমেন্টে এসে আমাকে
বকে যাবেন।
1 টি মন্তব্য