আসসালামু আলাইকুম। আজকের পোস্ট তাদের জন্য গুরুত্বপুর্ন যারা কষ্ট করে রোজা রেখেছেন এবং নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করেছেন কষ্ট করে শেষ করতে পারুন আর না পারুন। এবং সে সাথে অন্যান্য ইবাদত নিয়মিত করেছেন দান, জিকির, তারাবি নফল ইত্যাদি।
✅ রমজান চলে যাওয়ার পরেও নিয়মিত সবকিছু একই পরিমাণ করতে পারবেন না হয়তো, কিন্তু ভুলে যাবেন না, বাদ দিবেন না।

✅ যারা পবিত্র কোরআন দৈনিক ১-২ পারা পড়েছেন, ঈদের পর কমপক্ষে ১ পেজ পড়া চালু রাখুন।
✅ প্রতিদিন ৫-১০ টাকা দান করেছেন। সপ্তাহে ৫- ১০ টাকা নিতান্ত ছেড়ে দেবেন না।।
✅ প্রত্যেকদিন জিকির নফল তারাবীহ পড়েছেন। ঈদের পর কমপক্ষে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ১ দিন এমন করে কি নফল নামাজ পড়তে পারবেন না??
✅✅ কখনো ফরজ দূরের কথা, সুন্নাহ নামায যেনো বাদ না যায় চেষ্টা করুন। মহিলারা ওয়াক্তের নামাজ ওয়াক্তে আর পুরুষেরা জামাতে নামাজ অপরিহার্য করে নিন। এটা আপনারই উপকারে আসে যেভাবে আপনি ভাত/ খাবার খেলে , নিঃশ্বাস নিলে আপনার শরীরের জীবন বেঁচে থাকে। এগুলো আপনার অন্তরের জীবন বাঁচিয়ে রাখে।
✅ রমজানকে একমাত্র ইবাদতের মাস মনে করবেন না। ধরুন, যারা সেনাবাহিনী নৌবাহিনী বিমানবাহিনী ইত্যাদি বাহিনীতে রয়েছেন, তারা সারা বছরই কাজের উপরেই থাকেন, কিন্তু বছরে বিশেষ কিছু সময়ে তাদের ট্রেনিং করানো হয়। এখানে শত শত কাজ করা হলেও সারা বছর একই কাজ সবসময় করানো হয় না। তবে বছরের মধ্যে ওই ট্রেনিং সেশনে করে থাকা প্রতিটি কাজই একে একে চলে ।
✅ পবিত্র রমজান মাস ধরুন আপনার সেই ট্রেনিং সেশনের মত। এই মাসে এত গুলো কাজ একসাথে করে একেবারে ঝালাই হয়ে গিয়েছেন। এখন ঈদের পর সেগুলো যেখানে ১ পারা পড়েছেন তা আপনি ১ পৃষ্ঠা পড়ুন। এখানে ১০০০ দরুদ পড়েছেন সেখানে ১০ বার পড়ুন। যেখানে ১০০ টাকা দান করেছেন সেখানে ১ টাকা দান করুন। 🚨 অর্থাৎ নিয়মিত আপনার ট্রেনিং গুলো ছেড়ে দিবেন না। তাহলে আপনি আল্লাহকে ভুলে যাবেন। আর আল্লাহ আপনাকে ভুলে যাবেন।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে তৌফিক দিন । আমিন।
1 টি মন্তব্য