সবচেয়ে খারাপ লাগে তখন, যখন কষ্ট করে লেখার পরও বলে কপি পোস্ট ?
গত পর্বে এত কস্ট করে লিখলাম, তাও অনেকে বললো কপি ?

যাইহোক বাদ দিন।

আমিতো আগেই বলেছি আমি নিজেও পচুর পরিমানে হস্তমৈথুন করেছি। পরবর্তিতে আমি এর কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে এটা ছাড়তে সক্ষম হই ☺
মনে রাখবেন এটা এক ধরনের মানুষিক রোগ।

হস্তমৈথুন ছাড়ার জন্য আপনাকে প্রথমেই এর কুফল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
তাই যারা আগের পোস্ট মিস করেছেন তারা আগের পোস্টি পড়ে এর কুফল জেনে নিন।

হস্তমৈথুনের করার ভয়ংকর কুফল ও অপকারীতা!

হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস

হস্তমৈথুন ছাড়ার জন্য আপনকে ধর্য্য ও জিদ রাখতে হবে।

আমরা সাধারনত দুপুরসময়টাতে বেশি উত্তেজিত থাকি, তাই এ সময় চেষ্টা করুন বিছানা থেকে দুরে থাকতে।

হঠাৎ কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন।

আর সবচেয়ে ইমপরটেন্ট হচ্ছে, আপনাকে পর্নোগ্রাফি থেকে দুরে থাকতে হবে।
কারন এই ধরনের ভিডিও আমাদের এই খারাপ কাজের দিকে ধাবিত করে। তাই যেকোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।

যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন।

মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন।

যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন।

ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। করতেই থাকুন।

যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷

হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।

বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।

ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।

নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।

রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু ভাল কাজ করার চেষ্টা করুন।

গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে খারাপ প্রেমআলাপ করবেন না।

ফোনসেক্স এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, সামান্য কষ্টের মাধ্যমে নিজেকে একটু কনট্রোল করতে পারলেই আমি সুস্হ হয়ে যাবেন।

যদিও ইসলামের দৃষ্টিতে এটি হারাম কাজ, তবে বিজ্ঞান বলে সপ্তাহে ১ বার করা দোষের কিছু না।

আমি হস্তমৈথুন ছেড়েছি এর কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে।
মনে রাখবেন মাত্রাতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না।
নিজেকে ভালবাসতে শিখুন, ভালোপথে চলুন, নিজের ধর্ম পালন করুন।
তাহলেই সব ধরনের খাপার কাজ থেকে দুরে থাক সম্ভব।

যদি আপনি নিজেকে ভালবাসেন ও ইসলামকে ভালবাসেন তাহলে আপনাকে এটি ছাড়তেই হবে।
নিজেকে সংযত করুন, এবং দৃড় পতিজ্ঞা করুন।
আজকে এই পরযন্তই।

অনেক কষ্ট করে শুধু আপনাদের জন্যই লিখি, যাতে আপনাদের একটু উপকার করতে পারি।
এতেতো আমার কোন সার্থ নেই, তারপরও যদি শুনি কপি, এই সেই, তখন খুব খারাপ লাগে।
আপনারা আপনাদের মতামত জানাতেই পারেন, তবে সেটা ১০০% সিওর হয়ে বলবেন।

সবার সুস্হতা কামনা করে শেষ করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে।