আসসালামু আলাইকুম । আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকের আর্টিকেলটি লিখতে সত্যিই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আর্টিকেলটি আরো অনেক আগে দেওয়ার কথা ছিল, না দিতে পারার জন্য আপনাদের সকলের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আসলে আমার এদিকে আবার পরীক্ষা চলছে তো তাই সময় করে উঠতে পারছি না। তো যাই হোক আজকে আর বেশি কথা বলবো না, আজকে আমরা দ্বিতীয় পার্টে চলে যাব। আজকের পার্টি তুলনামূলক বড় হবে। এবং এখানে আপনাদের কিছু প্রশ্ন এর উত্তর দিয়ে দেওয়া হবে। মূলত একাউন্ট সম্পর্কে সকল কথা এই পার্টি আমি কভার করে দেওয়ার চেষ্টা করব। আর শুধু উইথড্র প্রসেসটা বাকি থাকবে সেটা আমি নেক্সট আর্টিকেলে বলে দিব।
আজকের পার্ট এ কি কি থাকছে?
আজকের পার্টি আমরা দেখবো, কিভাবে Jumptask wallet তৈরি করতে হয়?
এবং কিভাবে খুব দ্রুত ০.৫ ডলার হলেই উইথড্র নিতে পারব?
তবে তার আগে যারা Honeygain নিয়ে আমার লেখা দুইটা আর্টিকেল এখনো পড়েন নাই নিচে দেওয়া টাইটেল এ ক্লিক করে আপনারা পড়ে আসতে পারেন।
1. ওয়াইফাই ডাটা শেয়ার করে ইনকাম. [$3 bonus + Payment proof] Part-1
2. Honeygain থেকে ইনকাম করা নিয়ে সকল ডাউট এবং এর সমাধান।
আর যারা Honeygain account এখনো তৈরি করেন নাই, তারা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একাউন্ট তৈরি করে নিতে পারেন। একাউন্ট তৈরি করলেই আপনারা ৩ ডলার বোনাস পেয়ে যাবেন।
Jumptask wallet আসলে কি?
আপনারা যারা আমার আগের আর্টিকেলটি পড়ে Honeygain এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছেন তারা হয়তো অনেকেই লক্ষ্য করেছেন যে এখান থেকে উইড্র নিতে গেলে মিনিমাম ২০ ডলার হওয়া লাগবে। কিন্তু আমি আপনাদেরকে বলেছিলাম যে ০.৫ ডলার হলেই আপনারা উইন্ডো নিতে পারবেন। তো এই উইড্র নেওয়ার জন্য আপনাদের Jumptask wallet ক্রিয়েট করা লাগবে। বেশি প্যারা নেওয়ার দরকার নাই। এটা তৈরি করতে খুব বেশি একটা সময় লাগবে না।
আপনারা যখন Honeygain এর ড্যাশবোর্ডে ঢুকেন তখন নিচে দেওয়া ছবির মত একটা ইন্টারফেস আপনাদের সামনে আসে। সেখানে নিচে দেওয়া ছবির মত আরো চিহ্ন ওই জায়গায় দেখবেন যে Jumptask নামে একটা অপশন আছে। আপনারা ওই বাটনে ক্লিক করে দিবেন।
ওখানে ক্লিক করার পরে আপনাদের একটা পপ আপ শো হবে । যেখানে আপনারা Let’s Start এ ক্লিক করলে আরেকটা প্রকোপে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে Jumptask এ ক্লিক করলে আপনাকে একটা নতুন ওয়েব সাইটে নিয়ে যাবে।
নিচে দেওয়া ওয়েবসাইটে আসার পরে আপনারা Honeygain একাউন্ট যে জিমেইল দিয়ে তৈরি করেছিলেন সেই gmail দিয়েই Jumptask টি ক্রিয়েট করে নিবেন।
Jumptask wallet তৈরি করার পরে একাউন্ট সেকশনে আসলে, আপনি একটা আইডি পেয়ে যাবেন। ওই আইডিটি কপি করে নিবেন।
এখন আপনারা আপনাদের কপি করা Jumptask একাউন্ট আইডিটি নিজের ছবির মত পেস্ট করে দিবেন। দেওয়ার পরে আপনারা Add Account এ ক্লিক করবেন।
এরপরে আপনার জিমেইলে একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে। সেই কোডটি কপি করে পেস্ট করে দিবেন। এরপরে আপনার Jumptask একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
Jumptask উপরের এই চিহ্নটির যদি আপনার Jumptask এর দিকে থাকে তাহলে আপনার যা ইনকাম হবে Jumptask wallet এ জমা হবে।
নতুন করে আবার Jumptask wallet কেন তৈরি করা লাগলো?
আপনারা সবাই দেখেছেন যে Honeygain থেকে উইথড্র করতে গেলে মিনিমাম ২০ ডলার থাকা প্রয়োজন। এখন আপনারা যদি এত সময় ধরে ধৈর্য রাখতে না পারেন, মানে যদি তাড়াতাড়ি উইথড্র নিতে চান তাহলে আপনারা Jumptask wallet ব্যবহার করতে পারেন। এটাও Honeygain এরই একটি অংশ। আর যারা ২০ ডলার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবেন তাদের এই ওয়ালেট তৈরি না করলেও সমস্যা নেই।
Jumptask wallet ব্যবহার করলে আপনাদের Jumptask wallet অ্যাকাউন্টে ০.৫ ডলার জমা হলেই আপনারা Trust Wallet / Metamask wallet এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিয়ে নিতে পারবেন।
আমরা যে ৩ ডলার বোনাস পেয়েছিলাম সেটা তাহলে কোথায় গেল?
এখন অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা আসতে পারে যে, অ্যাকাউন্ট খোলার সময় আমরা যে তিন ডলার বোনাস পেয়েছিলাম সেই টাকাটা তাহলে কোথায় গেল? আসলে আপনি অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে বোনাস টি পেয়েছিলেন সেটা আপনার Honeygain wallet এ জমা আছে। আপনি যদি Honeygain wallet এর মাধ্যমে ইনকাম চালিয়ে যেতে চান তাহলে আপনার ওই তিন ডলারের উপর অতিরিক্ত ভাবে আপনার ইনকাম যোগ হতে থাকবে। কিন্তু ২০ ডলার না হওয়া পর্যন্ত সেই টাকা তুলতে পারবেন না।
আর আপনি যদি Jumptask wallet এর মাধ্যমে ইনকাম করেন তাহলে আপনার ইনকাম ০ থেকে শুরু হবে। এখন অনেকেই একটা কনফিউশনের মধ্যে পড়ে গিয়েছেন।
Jumptask wallet থেকে ইনকাম এবং Honeygain wallet থেকে ইনকাম এই দুইটা আসলে কি?
আমি নিচে ছবির মাধ্যমে আপনাদের কনফিউশনটি ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। নিচে দেওয়া ছবিতে আপনার আরো চিহ্ন যেদিকে থাকবে, অর্থাৎ আপনার ওই চিহ্নটি যদি Honeygain এ অন করা থাকে তাহলে আপনার ইনকাম Honeygain wallet এ জমা হবে।
আর যদি আপনার ওই আরো চিহ্নটি Jumptask এর দিকে অন করা থাকে তাহলে আপনার ইনকাম, Jumptask wallet এ জমা হবে।
ডেটাতে তেমন শেয়ার হয় না তাহলে ইনকাম কেমনে হবে?
আপনি দেখবেন আপনার একাউন্টের ভেতরে কিছু টাস্ক আছে। তার মধ্যে একটা হল আপনি যদি একটানা সাত দিন Lecky Pot ওপেন করতে পারেন তাহলে আপনি ৫০০ টোকেন পাবেন। অর্থাৎ আপনি ০.৫ ডলার পাবেন। আর এই Lecky Pot ওপেন করার জন্য আপনাকে প্রত্যেকদিন মিনিমাম ৫ এম্বি করে শেয়ার করতে হবে।
আর Lecky Pot ওপেন করলে আপনি আরো কিছু বোনাস পাবেন, যা মোটামুটি সাত দিনে আপনার ০.৮ থাকে ১ ডলার পর্যন্ত মোট ব্যালেন্স এ নিয়ে যেতে পারে।
Lecky Pot ছাড়াও আপনি আরো কিছু টাস্ক পেয়ে যাবেন । যেগুলো কমপ্লিট করলেও আপনি এমনভাবে বোনাস পাবেন। অর্থাৎ ডাটা শেয়ার করে ইনকাম না হলেও এভাবে একটিভ থেকেও বোনাস পেতে পারেন।
সব বোনাস শেষ হয়ে গেলে ইনকাম তো বন্ধ হয়ে যাবে?
এখন অনেকেরই প্রশ্ন আসতে পারে আবার অনেকের মাথায় এখনো নাও আসতে পারে কিন্তু কিছুদিন পরে এই প্রশ্নগুলো দেখা দিতে পারে, যে আমরা যখন সব টাস্ক কমপ্লিট করে বোনাস কালেক্ট করব তারপরে তো আর কোন টাস্ক থাকবে না। তখন তো আমাদের ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে!
Honeygain আপনাদেরকে বলেছে যে একটা রাউটার দিয়ে দুইটা ডিভাইসে একসাথে এক সময়ই ডাটা শেয়ার করা যাবে না। কিন্তু তারা এই কথা বলে নাই যে আপনার একটা ডিভাইসে দুইটা অ্যাকাউন্ট চালানো যাবে না। মানে আপনার যখন একটা একাউন্টের সবটা শেষ হয়ে যাবে তখন আপনি আরেকটা নতুন একাউন্ট খুলে আবার এভাবে সাত দিন কমপ্লিট ০.৮ ডলার থেকে ১ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।
আর এটা যদি নিয়মিত করতে পারেন তাহলে আপনার বছর শেষে মোটামুটি ৩৫ থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত একটা প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। ৩৫ থেকে ৫০ ডলার বাংলাদেশের হিসেবে প্রায় ৪৪০০ থেকে ৬২০০ টাকার মতো।
এইটুকু সামান্য ইনকামের জন্য এত কাজ করা লাগবে?
আপনি যদি শুরু থেকে সবকিছুই ভালোভাবে পড়ে থাকেন তাহলে দেখবেন, আপনার মূল ঝামেলার কাজটাই হলো একাউন্ট খোলা। আরে অ্যাকাউন্ট কিন্তু আপনাকে প্রত্যেকদিন খুলতে হবে না। মানে সাত দিনে আপনাকে একটা করে একাউন্ট খোলা লাগবে। এখন আপনি যদি সাত দিনে অতিরিক্ত ১৫ মিনিট দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট খোলেন তাহলে আমার মনে হয় না খুব বেশি একটা সমস্যা হয়ে যাবে আপনার জন্য।
Conclusion:
তো Honeygain সকল তথ্য এই বিস্তারিত ভাবে একটা পোষ্টের মধ্যেই লেখার চেষ্টা করেছি। কারণ আরেকটা আর্টিকেল লেখার সময় পাবো কিনা সেটা বলতে পারছি না। তাই আপনাদেরকে একটার মাধ্যমেই সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এবং আপনাদের মনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখন শুধু আরেকটা পার্ট বাকি আছে, সেটা হল উইথড্র প্রসেস। আশা করি আপনাদের অল্প কিছুদিনের ভিতরেই সেই প্রচেষ্টাও দেখিয়ে দিব।
নোটঃ আমি আপনাদের সবকিছুই ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি। কোন জায়গায় বোঝানোর কোন কমতি রাখেনি। এবং কোন জায়গায় একটা শব্দ আপনাদের সাথে লুকায়নি। তাই আপনারা সব কিছু জেনেশুনে যদি আপনাদের কাছে কাজটি করার সামর্থ্য থাকে, যদি আপনারা মনে করেন যে আপনি কাজটি করতে পারবেন তাহলেই এই কাজটি করবেন। অযথা কমেন্টে খারাপ রিভিউ দিবেন না।
আজকে এই পর্যন্তই ছিল। পরের আর্টিকেলে দেখা হবে। সবাই ভালো থাকবেন।













তবে মনে প্রশ্ন জাগছে এইটায় ডাটা দেয়ার করলে তাদের লাভ কি 🙄 পৃথিবীতে কোনো জিনিস তোহ আর এমনি এমনি পাওয়া যায়না।
এইটা ফোনের বা আমাদের ব্যাক্তিগত ডেটা চুরি করবে না তো ?
এরা মুলত আপনার আইপি ব্যাবহার করে এবং আপনার আইপি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে।
আর আপনি ১০০% নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, এরা আপনার ফোনের কোন ডাটা নিতে পারবে না।