এরকম কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো আসলেই অসাধারণ, কিন্তু আমরা সচরাচর সেই সমস্ত ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানিনা কিংবা বলতে গেলে এই সম্পর্কে আমাদেরকে জানানো হয় না, বা আমরা জানতে পারিনি।
আজকের আর্টিকেলে আমরা এরকম চারটি সিক্রেট ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানবো, যেগুলো সম্পর্কে হয়তো আপনি আগে জানতেন না।
ধরুন, আপনি জানতে চান একটি গাড়ি কিভাবে তৈরি হয়েছে কিংবা একটি গাড়ি যখন ইন্জিন স্টার্ট করে, তখন সেটি কিভাবে চলতে পারে সেই সম্পর্কে।
সে ক্ষেত্রে আপনি যদি এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তবে শুধুমাত্র গাড়ি নয় অন্যান্য যে সমস্ত মোটর চালিত যান, রয়েছে কিংবা অন্যান্য যে সমস্ত গেজেট রয়েছে সেগুলো আসলে কিভাবে কাজ করে তাহলে আপনি উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন।
এটি একটি অসাধারণ ওয়েবসাইট যেখানে আপনি এনিমেশনের মাধ্যমে প্রায় প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ অসাধারণ যন্ত্রাংশ সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন এবং এর খুঁটিনাটি সম্পর্কে লিখতে পারবেন।
আপনি যদি একটি ইউজার নেম দেন এবং এই ইউজার নেম এর আন্ডারে ইন্টারনেটে প্রায় কতটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে, সেই সম্পর্কে জানতে চান তাহলে সেটি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন।
এটি একটি অসাধারণ ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে সহজেই আপনি যেকোনো একটি নামের কিংবা আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন কোথায় কোথায় স্টোর হয়েছে সেই তথ্যটি দেখে নিতে পারবেন এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো রিমুভ করতে পারবেন।
তাহলে আর দেরি না করে এখনই এই অসাধারণ ওয়েবসাইটি ব্যবহার করে ফেলেন।
কুখ্যাত যৌন ট্রাফিক বিক্রেতা, Jefry Epstin এর নাম কি আপনি শুনেছেন? যে কিনা উনবিংশ আর বিংশ শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী একজন যৌন ট্রাফিক বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত।
ইভেন তার সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিল গেটস প্রমুখ ব্যক্তিবর্গের উঠাবসা রয়েছে বলে অনেক প্রমাণ পেশ করা হয়। এখন আপনি যদি তার লিক হয়ে যাওয়া প্রায় প্রত্যেকটি ইমেইল এবং একই সাথে কনভারসেশন গুলো দেখতে চান, তাহলে এটি একটি অসাধারণ ওয়েবসাইট।
যেখানে তার পাবলিক কনভারসেশন এর প্রত্যেকটি ইনফরমেশন আপনি দেখতে পারবেন। যদিও এই কিট বহু বছর আগে তথাকথিত আত্মহত্যা করে জেলখানায় মৃত্যুবরণ করে। তবে একে নিয়ে এখনো বিশ্বে তোলপাড় হয় ইভেন বর্তমান সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট একে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে আছে। এবং এবং প্রায়সই হোয়াইট হাউস এটা নিয়ে বিতর্কে মেতে উঠে।
তাহলে আর দেরি না নিচে থেকে তার সাথে কে কে কনভারসেশন করেছে, এবং কাকে কিভাবে ম্যানেজ করেছে এর লিক হয়ে যাওয়া প্রত্যেকটি তথ্য।
আপনি যে জিমেইল ব্যবহার করেন সেই জিমেইলটি কোন কোন ওয়েবসাইটে কিংবা কতটি ওয়েবসাইটে কিংবা কতটি জায়গায় Data Breaches হইছে।
ডেটা Breach = ডেটা ফাঁস / তথ্য চুরি / অননুমোদিতভাবে ডেটা বের হয়ে যাওয়া। যদি এর পরিমান আধিক্য থাকে কিংবা একটিও থাকে তাহলে আপনার উচিত হবে আপনার জিমেইলের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা।
এবং এটিকে সিকিউর করে নেয়া।




8 টি মন্তব্য