জুয়ায় জেতার তাবিজ
শিরোনাম পড়ে এটিকে ক্লিকবেইট মনে করুন কিংবা অনৈতিক বিষয়বস্তু ভাবুন অথবা যদি সত্যি সত্যিই জুয়া জেতার অভিলাষে পোস্টে আগমন ঘটুক – আপনার জন্য সবটাই চমক থাকছে!
সেই চমকে আপনি নিত্য জুয়া জিতে বড়লোক না হতে না পারলেও সাইকোলজিক্যালি বড় মাথায় [ভাবার্থ] কিছু বিচক্ষণতা লাভ করবেন বৈকি – অপরাপর আপনার নিজের ভেতরেরও নিজেকেও খানিক আবিষ্কার হয়ে যাবে!
প্রারম্ভিকতা
আসুন সবার আগে জুয়াতে জেতার একটা মহা পরাক্রম ক্ষমতাধর তাবিজের নকশা’টা দেখি নিই:
[ আচ্ছা এখানে কিছু কথা পূর্বেই স্পষ্ট হওয়া উচিত হবে যে এই লেখনীতে কোন ব্যক্তির বিশ্বাস/অবিশ্বাসের প্রতি নূন্যতম বীতশ্রদ্ধ হওয়া উদ্দেশ্য নয় – কারোর অনুভূতিতে আঘাত হউক এমনটিই চাইবো না; শুধুমাত্র নিউট্রাল অবস্থানে থেকে যথাসম্ভব হিউম্যান সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনস ওয়াইজ এই জাদুর মাধ্যমে জুয়া জেতার বিষয়টির যথাসম্ভব বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো মাত্র]।
চলুন আলোচনায় ফিরে যাই…
উপরের ফটো’টি দেখে কি মনে হচ্ছে?
নাহ, আপনার যাই মনে হউক না কেন তথাপি মুসলিম মাত্রই আরবি হরফের তথায় আরবি লেখার প্রতি যে ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা পোষণ করেন – তাতে এটার এক সাইকোলজিক্যাল সিগনিফিকেন্স থাকে। বিষয়টার প্র্যাকটিক্যাল এক্সামপোল হলো প্লাসিবো ইফেক্ট যেখানে “একজন পেশেন্ট শুধুমাত্র ডাক্তার যে তার রোগের চিকিৎসা স্বরূপ ঔষধ দেওয়ার ফলে সেটা সুস্থ হয়ে যাবে এমন বিশ্বাসের হেতু যেকোন সাধারণ ভিটামিন ঔষধ’ও উক্ত ব্যক্তির অবচেতন মন’কে আবিষ্ট করার সক্ষমতা রাখে – এমনই সেই সক্ষমতার শক্তি যা ব্রেইনের নিউরো রিসেপ্টরে হরমোন নিঃসরণ করিয়ে ব্যক্তিতে সুস্থতা লাভ করাতে (আদতে অনুভব করাতে) ট্রিগার করে”। ঠিক এমন ভাবে আরবি লেখার প্রতি যে মানসিক স্থিতি উহার বিশেষণে বিশ্বাসী ব্যক্তির মনে এরূপ ভাব জন্ম নেয় যে “এই তাবিজ এর সক্ষমতা তাকে জেতাতে সক্ষম” তাতে উক্ত ব্যক্তি এক প্রকার কাইনাটিক ইনআরশিয়া লাভ করে যা কিনা পরবর্তী মুভমেন্টে জয়ী হওয়াতে ইফেক্টিভিটি রাখতে পারে।
সাইকোলজিক্যাল এনালাইসিস
হিউম্যান সাইকোলজির এর বিষয়টা পরিপূর্ণভাবে রিয়েলাইজ করার জন্য আমাদের ডিটেইলস এবং ডীপ আলোচনা করতে হবে – নচেৎ বিষয়টি অন্ধকার ধোয়াশার মতো থাকবে; তাই চলুন একটু একটু করে আলোচনা উপলব্ধির চেষ্টা করি…..
জুয়া জেতার বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসগত বেইজমেন্টের তাবিজ পাওয়া যায় – উদাহরণস্বরূপ মুসলিম হলে আরবি হরফে লেখা আবার হিন্দু হলে সংস্কৃত ভাষায় তৈরী যন্ত্র কিংবা ক্রিশ্চিয়ানদের ক্ষেত্রে দেখা যায় জিউসের প্রতিকৃতি বা রোমান হরফ স্যাটানিক আঁকিবুঁকি ইত্যাদি [আবার মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে এই লেখনীটি কারোর বিশ্বাস/অবিশ্বাসের অনুভূতিতে আঘাত করার হেতু নয় বরং সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনস রিয়েলাইজেশান মাত্র]। এখন ব্যক্তি মাত্রই তার নিজস্ব চিন্তা চেতনার বিশ্বাস দ্বারা প্রলুব্ধ হয় [এখানে কোন ধর্ম মেনশন করা হয়নি বরং সামগ্রিকভাবে “বিশ্বাস” বিষয়টিকেই হাইলাইট করা হয়েছে] – শুধু যে বিশ্বাস হতেই মস্তিষ্ক ট্রিগার্ড হয় এমনটাও নয় বরং অবিশ্বাস/ভয়/ভক্তি/অবদমিত মানসিকতা ইত্যাদি দ্বারাও যেকোন ব্যক্তির ব্রেইন ফাংশান প্রভাবিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় রোমান হরফে স্যাটানিক প্যাটার্নের কোন তাবিজ দ্বারা মনের মাঝে যে ভয় – ঐ ভয় হতে জাগ্রত হওয়া সাইকোলজিক্যাল ইনআরশিয়া উক্ত ব্যক্তির ন্যাচারাল মুভমেন্টকে প্রভাবিত করার সক্ষমতা রাখে।
ব্রেইন ফাংশান হরমোনাল ডায়াগ্রাম
এখন প্রশ্ন আসে যে সাবকনশিয়াস মাইন্ডের এই যে কন্ডিশন তাতে মস্তিষ্কের ভেতর কি এমন ঘটে?
মূলত ডোপামিন (Dopamine) নামক হরমোন আনন্দ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে [এটি জেতার তরে মস্তিষ্কে আনন্দ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং এই যে ব্রেইনের রিওয়ার্ড সিস্টেম সেটা আরও অধিক জেতার জন্য নিয়ত প্রলুব্ধি তৈরী করে] <<<দ্বৈত ইফেক্ট>>> কোর্টিসল (Cortisol) নামক হরমোন পরবর্তী চালে কি হবে সেটার আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে [বিষয়টা বিবেচনা করা যায় যখন একজন ক্রিকেটার ৯৯ তে ব্যাটিং করছেন তখন বাকি ১ রানে সেঞ্চুরি করার যে নার্ভাস অনুভূতি] <<<দ্বৈত ইফেক্ট>>> অ্যাড্রেনালিন (Adrenaline) হরমোন নিঃসরণে ভয় ও উদ্বেগ মানুষকে আরও অধিক হার্ড হওয়া ও কঠিন স্টেপমেন্টে যেতে ট্রিগার করে [এই বিষয়টা উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে গেলে যখন কেউ বারংবার হেরেই যাচ্ছে আর হেরেই যাচ্ছে তখন উদ্বেগ এর হেতু সে থেমে না গিয়ে বরং আরও কঠিন করে “এইবার জিততেই হবেই হবে” এমন ইফোর্টে স্টেপ নিতে বাধ্য করায় – এটাকে অ্যাড্রেনালিন ক্ষরণও সচরাচর বলা যায়] <<<দ্বৈত ইফেক্ট>>> সেরোটোনিন (Serotonin) মানসিক তৃপ্তি ও প্রশান্তি জাগায় যা Relaxation এর মাধ্যমে কমফোর্ট ফিল করায় এবং একই জেতার নেশায় মত্ত রাখে <<<দ্বৈত ইফেক্ট>>> অক্সিটোসিন (Oxytocin) এবং এন্ডোরফিন (Endorphin) হরমোন একরূপ আসক্তির মতো কাজ করে যা মস্তিষ্কে রিলিফনেস যোগায় [বিষয়টা বোঝানো একটু জটিল হলেও যারা যারা জুয়াতে আসক্ত তারা যখন টাকার অভাবে হউক কিংবা অন্য যেকোন কারনেই হউক না কেন জুয়া খেলার সুযোগ পায় না তখন তারা পাগলের মতো উন্মাদ হয়ে যায় – সেক্ষেত্রে টাকার বদলে ছাগলে খাওয়ার কাঠাল পাতা দিয়েও যদি তাদের জুয়াতে বসানো যায় তবুও তারা এক প্রকার রিলিফ অনুভব করে]।
তাবিজের ক্রিয়াকৌশল
একটি তাবিজ যা কিনা ব্যক্তির সাবকনশিয়াস মাইন্ডে ইফেক্ট ও ইমপ্যাক্ট সৃষ্টি করতে সক্ষম – উহা ব্যক্তির মনে ভরসা ও আস্থার স্থান হতে যে শক্তি যোগায় [এই শক্তি বিষয়টি আধ্যাত্মিক নয় বরং সাইকোলজিক্যাল ব্রেইন ফাংশানাল হরমোন কালচার] তা যখন সুদৃঢ় হয় [এই যেমন কয়েকবার ঐ তাবিজ অনুসরণ করায় বিশ্বাসের হেতু জয়লাভ করার পর যেমন মানসিক অবস্থানে ভক্তি চলে আসে] তাতেই তাবিজের ক্রিয়াশীলতা প্রতীয়মান হয়। এছাড়াও এই বিশ্বাস স্থাপনে আরও যেসব সাইকোলজিক্যাল ট্রিক ব্যবহার করা হয় তাতে ব্যক্তির মনের ওপর দারূন প্রভাব বিস্তার করে যেমন আপন রক্তের ফোটা ব্যবহার/ দাঁড়কাক কিংবা শকুনের পাখনা ব্যবহার/ সাত রং এর সুতোতে বাঁধা গিট্টু ইত্যাদি [এসব জঘণ্য টার্ম আর লিখতে ইচ্ছে করছে না – তথাপি সিগনিফিকেন্স বোঝাতে সংক্ষেপে কয়েকটি বললাম]।
এখানে ব্যক্তির মনে যতোটা গভীর প্রভাব সৃষ্টি করবে – ততোই প্রগাঢ়ভাবে উক্ত ব্যক্তি পরিচালিত হবে; যেখানে তাবিজ কেবলি এক উপলক্ষ্য মাত্র।
আসলেই তাবিজ কি কার্যকরী?
হ্যা, তাবিজ কার্যকরী – তবে এই কার্যকারীতা ঐ উপরের উদাহরণে বলা প্লাসিবো ইফেক্টের মতোই; যেখানে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসাতে শেষ পর্যায়ে (লাস্ট স্টেইজে) কোন ট্রিটমেন্ট অবশিষ্ট না থাকলেও যেমন স্রেফ একটা ভিটামিন ট্যাবলেট তার মস্তিকে সাময়িক সুস্থতার স্বল্প আয়াশ তৈরী করে তেমনি ব্যক্তির বিশ্বাসকে ব্যবহার করে তারই বিশ্বাসের হেতু জুয়া জেতার জন্য তাবিজ ক্রিয়াশীল হয়; এর অর্থ কখনোই এবং কখনোই তাবিজ আদৌ জয়ী/বিজয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে এককভাবে নূন্যতম সক্ষমতা রাখে না!
এই লেখা কেন লিখলাম?!
নাহ, আমি কাউকে জুয়া খেলতে পরামর্শ দিবো না কিংবা প্রেফার করবো না – আবার বিধিনিষেধ আরোপ করছি না [বোধকরি আমার উপদেশে কারোর কিছুই যাবে আসবে না] তথাপি ঠিক যতোটুকু বিষয় জানার ফলে সাইকোলজিক্যালি আপনার ব্রেইন ডেভোলপ [ভাবনা চিন্তার উৎকর্ষতা বৃদ্ধি] সেটাই আমার লেখার উদ্দেশ্য এবং স্বার্থকতা।
তবে লেখার শেষে তান্ত্রিক টোটকা নয় বরং একটা সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনস ওয়াইজ টেকনিক্যাল ট্রিক বলে দিই “আপনি যেকোন সিস্টেমে প্রবেশ করুন >>> সেটা এনালাইসিস করুন >>> সিস্টেম কোর ফাংশান Logic আইডিয়েন্টিফাই করুন >>> সেটার সাথে আবারও পুনরায় সিস্টেম রিকল করে লগারিদম ম্যাচিং করুন >>> ফাইনালি সবকিছু ঠিক থাকলে ইউটিলাইজ করুন” এটাকে জুয়ার জন্য নয় বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন তাতে অব্যর্থ উপায়ে অবশ্যই জয়ী হতে পারবেন!
ফেসবুকে আমন্ত্রণ রইলো:- Humayun Shariar Himu
সকলের জন্য শুভকামনা রইলো।
এটা আমার লেখার ক্ল্যারিটির জন্য নয় বরং এটা আপনার ও আপনাদের সবার জন্য; তাবিজের গুরুত্ব বিবেচ্য নয় তবে মস্তিষ্কে আমাদের মানসিক তথা সাইকোলজিক্যাল ফাংশান সেটা রিয়েলাইজ করতে পারানোটাই আমার লক্ষ্য। যখন আপনি এরূপ সাইকোলজিক্যাল অবজার্ভেশনে সক্ষম ও দক্ষ হয়ে উঠবেন তখনই আপনার জীবনটা যৌক্তিকভাবে আরও সফল ও সুন্দর হয়ে উঠবে আর তাতেই আমার স্বার্থকতা বা স্যাটিসফেকশান।
আপনি কি ধরণের লোক ভাই? বাje?
সেহেতু আর্টিকেলটি আমার লেখা তাই লেখনীর ক্ল্যারিটি যাচাই এবং যৌক্তিকতা উল্লেখ করা দায়িত্ব।
একই বিষয় “বিধি নিষেধ” যেখানে কারোর ধর্মীয় বা বিশ্বাসগত বিষয় আরোপ করার মোরালিটিও থাকবে না এটাই স্বাভাবিক।
আমাকে আপনি বাজে বলে সূচিত করছেন – সেটিও মত প্রকাশের অধিকার তথাপি যৌক্তিকতা যাচাই এর অবকাশের পূর্বেই সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়ার মানসিকতা কতোটা ম্যাচিউরড?!
আর যদি এটা বলেই আপনি স্যাটিসফাইড হউন – তবে সেটাও আমার প্রকারন্তরে প্রাপ্তি – আর এমনটাই আমি।
ধন্যবাদ
Amar apotti je apni আবার বিধিনিষেধ আরোপ করছি না bolechen
আপনার ব্রেইন অপারেট করার এক্সেস আপনার; আমি সেটাকে ম্যানিউপুলেট না করে (মোটিভেশান/গ্যাস লাইটিং যেটাই হউক) শুধুমাত্র সঠিক ভাবনার চিন্তার এনালাইসিস প্যাটার্ন’টি উন্মুক্ত করা এবং আমি নিরোপেক্ষ অবস্থান হতে সেটাই করেছি; কনটেক্সট যদি বুঝতে সমস্যা হয় সেটার জন্য দায় নিতে রাজী আছি – তবে দায়িত্ব নিয়ে এক পাক্ষিক সাইকোলজিক্যাল বায়াস আলোচনা স্বার্থক নয়
ধন্যবাদ
@nayeem
এই রিয়েলাইজেশানটি ব্রেইনের ইলেক্ট্রিক ইম্পালসিভনেসের হেতু সাব কনশিয়াস মাইন্ডের চেতনা মাত্র৷ যখন আমরা কথা বলতে জানতাম না তখনও কিন্তু মনের ভাব প্রকাশ করতাম নানান নন-ভার্বাল উপায়ে; সেটিকে অবশ্য এখন প্যারাসাইকোলজি টেলিপ্যাথি বলে উপযাচিত করে; অন্যদিকে মেডিকে সায়েন্স EEG গ্রাফ এনালাইসিস হতে আমরা নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স ব্যাখ্যা চেষ্টায় আছি…
যদি পড়ে না থাকেন তবে পড়ার অনুরোধ করবো; এটি আমার একটি সাইকোলজিক্যাল লেখনী; অন্যদিকে এই যে পড়ার পূর্বেই বিশ্লেষণ সেটাও আপন সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন প্রকাশ করছে।
তাতে স্ট্রিট মানসিকতা ততোক্ষণই অবধি ইফেক্টিভ যতোক্ষণ না সেটা মুক্তমনে চিন্তা করতে বাঁধা প্রদান করছে
আর হ্যাঁ লিখে যান। অনলাইনে বা অফলাইনে লোকে যায় বলুক না কেন। কে জানে হয়তো আপনার মাঝে লুকিয়ে আছে পরবর্তী বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সাইকোলজিক্যাল লিখকের । হলে কিন্তু ওটুগাফ দিতে ভুলবেন না। আপনার দিন শুভ হোক।
TrickBD সাপোর্ট টিম ইতিপূর্বেও এমন আচরনে সাবসক্রাইবার করার আইডি এখানেই রয়েছে তবু চাইনা এমন তর্কাতীত চলতে থাকুক।
আপনি চালিয়ে যান আপন স্ট্যামিনা খরচে এবং আমি সেটা এবজর্ভ করার ক্যাপাবলিটি যাচাই করবো
CBT এর সময়ে কনসার্নে সকল বাক্যই পজেটিভ হয় – নেগেটিভ ইনটেটিভনেসও পজেটিজ ভাইবে হয়; হ্যা, আপনার ভালো লাগা বা মন্দ লাগার স্বাধীনতা রইলো তবে বাক্য শেষে সংক্ষিপ্ত একটা শব্দ ব্যবহার করে যে আপনারা মনের ভাবটা মনে হয় পূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়ে গেলো – এমনটা ফিল হচ্ছে কিনা?
এতোটা কথাও অযাচিত মনে হচ্ছে? হতেই পারে – তবে সেটার প্রত্যুত্তর একটা গা’লির জবাব কি হয় বলে আপনি মনে করেন? আপনি যা মন করেন সেটিই আপনার পরিচয় এবং আমি সেটাকে কিভাবে জাজ করবো সেটিই আমার সেল্ফ রিয়েলাইজেশান
এই যে আমি আপনার মন্তব্য ছেড়ে আপনার নাম নিয়ে বলছি এটাই হলো ব্যক্তিগত আ’ক্রমনাত্মক আচরাণ।
বরং পোস্টের কনটেক্স স্বাপেক্ষ ফ্যাক্ট এনালাইসিস করুন এবং উল্লেখ করুন। আপনার এই কনট্রিবিউটর আইডিটি খোলা হয়েছে শুধুমাত্র এই মন্তব্যটি করার জন্যই এটাই ক্ল্যারিফাই করা কঠিন নয়।
তবে আপনার কি মনে হয় এমন কমেন্টের উত্তর না করা অর্থই সন্ত্রস্ত হওয়া?! এটা নিজের প্রতি নিজের ক্ল্যারিটি যে কতোটা নন রিএ্যাক্টিভ থাকায় সক্ষমতা বিদ্যমান সেটার রিয়েলাইজেশান এবং এমন পার্সপেক্টিভ আচরণে আপনার স্যাটিসফেকশান ফিল করাতে দেবার অবকাশ।
উপরন্তু কোন বিজ্ঞান গ্রুপের কথা বলছেন? সেখানেও এলিগেশানের মাধ্যমে ক্ল্যারিফাই করুন