আসসালামুআলাইকুম, ও হিন্দু ভাইদের আদাব। আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন।প্রতিবারের মতো আবারো আপনাদের মাঝে আরেকটি আর্টিক্যাল নিয়ে হাজির হলাম।টাইটেল দেখে অনেকে হয়তো বুঝে গেছেন, আজকে কোন বিষয় আপনাদের মাঝে লিখতে যাচ্ছি। আজকের বিষয় হলো,তেজপাতার ১০ টি ঔষুধি গুন। সাধারণত বিভিন্ন খাবারের মধ্য তেজপাতা ব্যাবহার করা হয়। কিন্তু তেজপাতা শুধু খাবারের মধ্য ব্যবহার এর বাদে ও অনেক ঔষুধি উপাদান রয়েছে এই তেজপাতায়। আজিকের পোস্ট ফলো করলে আপনি খুব সহজে জানতে পারবেন তেজপাতার গুনাগুন গুলো। আজিকের আর্টিক্যাল টা পড়লে আপনি অবাক হয়ে যাবেন,এবং ভাববেন যে তেজপাতায় এত গুন৷ এরকম অনেক কিছু ই আছে যে গুলোর মধ্য রয়েছে অনেক গুনাগুন। তাই কোনো কিছুকে তুচ্ছ করে দেখা ঠিক না। অনেকে তেজপাতাকে বিরক্তকর মনে করি। কিন্তু এই তেজপাতায় আছে অনেক গুন। যা আজকে আপনারা জানতে চলছেন। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক, তেজপাতার ১০ টি ঔষুধি গুনগুলোঃ

১) চাপ কমায়ঃ

তেজপাতা চাপ ও উদ্বিগ্নতা কমায়। সারাদিন শেষে যদি আপনার ভাল না লাগে। বিরক্তকর লাগে, অসস্থি লাগে, তাহলে তেজপাতা দিয়ে এক কাপ চা খেয়ে দেখতে পারেন।এটি আপনার স্নায়ু শান্ত করবে। এছাড়াও তেজপাতা ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে।

২) কিডনির পাথরের সমস্যায়ঃ

তেজপাতা আমাদের শরীরের ইউরিয়া এর পরিমান কমাতে প্রচুর সাহায্য করে। এছাড়া ও কিডনির পাথর এ ধরনের সমস্যা সমাধানে তেজপাতার ভুমিকা অনেক। ইউরিয়া বেড়ে গেলে কিডনির সমস্যা হয়। কিন্তু তেজপাতা ইউরিয়ার পরিমান কমায়।

৩) গলা খুশখুশ ও কাশিঃ

আপনার যদি গলা খুশখুশ বা কাশি হয়ে থাকে, তাহলে আপনার জন্য তেজপাতা অত্যান্ত কার্যকারি। সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার জন্য এমন হয়। এজন্য ৩-৫ টি তেজিপাতা কুসুম গরম পানিতে সিদ্ধ করুন। এবং পানি ঠান্ডা করে নিন।এবং পরিস্কার কাপড় পানিতে ভিজিয়ে বুক মুছুন। এতে অনেক উপকার হবে।

৪) ক্ষত নিরাময়ঃ

তেজপাতায় আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও মাইক্রোটেরিয়াল। যা ক্ষত সাড়াতে খুব উপকারী। এটি ছত্রাক সক্রামনের বিরুদ্ধে ও কাজ করে।

৫) ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করেঃ

তেজপাতা ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রচুর ভুমিকা পালন করে। তেজপাতা ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। তেজপাতা ব্রেস্ট ক্যান্সার এর বিরুদ্ধে ও অনেক কাজ করে।

৬) ব্যথা উপশমঃ

তেজপাতা বিভিন্ন ব্যথা উপশমে অনেক ভুমিকা পালন করে। এছাড়া ও বিভিন্ন প্রদাহ উপশমে তেজপাতা কাজ করে। মাথা ব্যাথা,জয়েন্টের ব্যথা,ও বাতের ব্যাথা উপশমে ও কার্যকারি।তেজপাতা ও রেডি পাতা পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখলেই ব্যথা কমে যাবে।এছাড়া ও পাতার তেল কপালে ম্যাসেজ করলে ও ভাল ফল পাওয়া যায়।

৭) হার্টের স্বাস্থ ভাল রাখেঃ

তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ক্যাফেক এসিড। যে গুলো হার্টের দেয়ালকে মজবুত করে। এছাড়া ও কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। হার্ট অ্যাটাক এর মতো সমস্যা উপশম হয়।

৮) হজমে সাহায্য করেঃ

তেজপাতা হজমে প্রচুর সাহায্য করে। এবং স্বাভাবিক হজম শক্তিকে ফিরিয়ে আনতে তেজপাতা ভুমিকা পালন করে।তেজপাতা শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কে বের করে দেয়। এছাড়া ও অতিরিক্ত প্রসাব সমস্যা দূর করে।

৯) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখেঃ

তেজপাতা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে। এক গবেষনায় দেখা গেছে দিনে ২ বার তেজপাতা খেলে রক্তের সর্কার পরিমান কমায়।
যারা টাইপ -২ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত তাদের জন্য তেজপাতা খুব উপকারী।

১০) চুলের বৃদ্ধি ও খুশকি কমায়ঃ

চুলের জন্য তেজপাতা অত্যান্ত উপকারী। যাদের চুল ঝরে যাচ্ছে ও যাদের অনেক খুশকি তারা কয়েকটি তেজপাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে কিছুক্ষন ঠান্ডা হতে দিন।এবং পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে অনেক উপকার পাবেন।

টেকনিক্যাল বিষয়ে যাবতীয় ভিডিও ও সমাধান পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুনঃ

Youtube Channel

আজ এ পযন্ত,

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জ্ঞান আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেস্টা করি।
পরবর্তী আর্টিক্যাল এর জন্য অপেক্ষা করুন, আবারো ভাল কিছু নিয়ে হাজির হবো।
সে পযন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।

যে কোনো প্রয়োজনে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করতে চাইলেঃ- Sk Shipon

ধন্যবাদ

Leave a Reply