আসসালামু আলাইকুম, 
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি মহান আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালোই আছেন। 

এই বিষয়ে এই প্রথম এমন কোনো পোস্ট করছি। ট্রিকবিডিতে সাধারনত এই ধরনের পোস্ট দেখা যায় না। বলতে পারেন ভিন্ন কিছু করার প্রচেষ্টা। একজন কমার্সের স্টুডেন্ট হওয়ায় আমি চিন্তা করেছি এমন কিছু উপকারী বিষয় নিয়ে কথা বলবো যেগুলো সবারই কাজে দিবে।

মার্কেটিং, ব্যবসায়, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নিয়ে ট্রিকবিডিতে আমি পোস্ট হতে দেখি না খুব একটা। তাই ভাবলাম সবার চেয়ে ভিন্ন কিছু করি। ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন।

প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নিয়ে আমাদের ভেতরে অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের কনফিউশান থাকে। আজকে এই পোস্টে সব কনফিউশান পানির মতো সহজ করে দেওয়া হবে।

তাই মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমাদের আজকের পোস্টটি।


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ধারণা 



যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ২ এবং সর্বোচ্চ ৫০ জনে সীমাবদ্ধ, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয়ের আহ্বান জানানো যায় না তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে । 

সাধারণত ঘরোয়া পরিবেশে পরিচিতজনদের নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম মূলধন সম্বলিত এরূপ ব্যবসার গঠিত হলেও এটি আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী চিরন্তন অস্তিত্ববিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন।

ফলে তা অংশীদারি ব্যবসায়ের অসুবিধা থেকে অনেকাংশেই মুক্ত। কোম্পানি আইনের যে কড়াকড়ি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে মানতে হয় প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে সে বিষয়েও অনেক ছাড় দেয়া হয়েছে । 

কমপক্ষে দু’জন পরিচালক নিয়েই এ প্রতিষ্ঠান চলতে পারে এবং নতুন প্রয়োজন দেখা না দেয়া পর্যন্ত পূর্বে গঠিত পরিচালনা পর্ষদই কাজ করে যেতে পারে। ফলে যে কোনো দেশে অধিকাংশ কোম্পানিই প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ।

মনে করুন, মি. দাস সারা জীবন একমালিকানা ব্যবসায় চালিয়ে এসেছেন। যখন যেটা ভালো মনে করেছেন সেটাই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন। প্রথমদিকে এক বন্ধুর অতি উৎসাহে কিছুদিন তার সাথে চুক্তি করে অংশীদারি ব্যবসায় চালিয়েছিলেন কিন্তু সুবিধা করতে পারেননি। 

বরং অনেক ক্ষতি দিয়ে বেরিয়ে একলা চলার নীতিই অনুসরণ করেছেন । এখন ব্যবসায় অনেক বড় হয়েছে । দুই ছেলেই এখন তার সহযোগী। মি. দাস শেষ জীবনে এসে ভাবছেন তিনি চোখ বুঝলে ব্যবসায়টা হয়তো একসময় দুই ভাইয়ের মধ্যে ভাগ হয়ে যাবে। এতে দু’ভাইয়ের সম্পর্ক খারাপ হবে, ব্যবসায়ও হয়তোবা চলবে না। 

তিনি কোম্পানি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবসায়টিকে কোম্পানি সংগঠন হিসেবে নিবন্ধন করলেন। অধিকাংশ শেয়ার নিজ নামে ও দুই ছেলের নামে। রেখে অল্প কিছু শেয়ার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দিয়েছেন। তিনি কোম্পানির চেয়ারম্যান ও দুই ছেলে পরিচালক। 

কোম্পানি সংগঠন চালাতে যেয়ে ছেলেরা এ সংগঠনের নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতি বুঝেছে। তিনি এখন নিশ্চিন্ত যে, সন্তানরা ইচ্ছা করলে অনেক বড় করে ব্যবসায় চালাতে পারবে। এভাবেই মূলত প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি পরিচালিত হয়।




পাবলিক লিমিটেড কোম্পাইর ধারণা



আচ্ছা মনে করুন, মি. বিল্লাহ ৭ জন বন্ধুকে সাথে নিয়ে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন করেছিলেন। ব্যবসায় ভালো করায় এক পর্যায়ে বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়বেন বলে ভাবলেন। নতুন শেয়ারহোল্ডার নেয়া যেত কিন্তু তারা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করলেন। গঠনকালে শেয়ার বিক্রয় করেছেন। 

পরবর্তীতে আরও নতুন শিল্প ইউনিট গড়তে যেয়ে আইনগত আনুষ্ঠানিকতা পালন করে নতুন শেয়ার ইস্যু করতে সমস্যা হয়নি। ইতোমধ্যে কোম্পানিকে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত করিয়েছেন। 

কোম্পানির সুনাম বাড়ায় ও সম্পদ থাকায় শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিলে প্রচুর সংখ্যক শেয়ার আবেদন জমা পড়ে। এরই মধ্যে শেয়ার বাজারে শেয়ারের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে । মি. বিল্লাহ’র ছেলে-মেয়ে দেশের বাইরে । 

তিনি নিশ্চিন্ত যে, তিনি জীবিত না থাকলেও কোম্পানিতে তার স্বার্থ বিনষ্ট হবে না। সন্তানরা আইনগত কারণেই তাদের স্বার্থ লাভ করবে ।

তাহলে এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ এবং সর্বোচ্চ স্মারকলিপিতে উল্লেখ শেয়ার সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং শেয়ার ও ঋণপত্র জনগণের উদ্দেশ্যে বিক্রয়ের জন্য আহ্বান জানানো যায় তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে। 

কোম্পানি সংগঠনের উন্নততর সংস্করণই হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। অধিক সদস্য সংখ্যা থাকার সুবাদে এবং যে কোনো সময় জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয়ের আহ্বান জানানোর সুযোগে এই সংগঠন অনেক বৃহদায়তন কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। 

বৃহদায়তন আকারে গঠিত এরূপ কোম্পানিকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান নামেও আখ্যায়িত করা হয়। শেয়ার সংখ্যা অনুযায়ী ভোট সংখ্যা নির্ধারিত হওয়ায় এক্ষেত্রে অধিক মূলধন দাতাদের স্বার্থ যেমনি সুরক্ষিত থাকে তেমনি সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররাও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য আইনে তাদের স্বার্থ সংরক্ষণেও নানান বিধি-বিধান নির্দিষ্ট করা হয়েছে । 

এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩ জন পরিচালক থাকতে হয় এবং যাদের এক তৃতীয়াংশকে প্রতি বছর সাধারণ সভায় বাধ্যতামূলকভাবে অবসর নিতে হয়। অবশ্য তারা আবার পুননির্বাচিত হতে পারেন। 

এরূপ কোম্পানি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হলে তার শেয়ার এই মার্কেটে অবাধে এন-বিক্রয় হতে পারে। ফলে লভ্যাংশ ছাড়াও শেয়ার মূল্য বৃদ্ধির কারণে শেয়ারহোল্ডারগণ লাভবান হয়ে থাকেন। 

বাংলাদেশে সকল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বড় সকল কোম্পানিই পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি ।





প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মধ্যে পার্থক্যঃ




প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি উভয়ই আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, সীমিত দায়বিশিষ্ট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান । বিভিন্ন ক্ষেত্রে উভয়ের মধ্যে যথেষ্ট মিল লক্ষ করা গেলেও যে সকল ক্ষেত্রে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় নিম্নে তা আলোচনা করা হলো :



(১) পার্থক্যের বিষয়ঃ গঠন 


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এ কোম্পানি গঠনে তুলনামূলকভাবে কম আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বিধায় এর গঠন অনেকটা সহজ। 

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এটা গঠনে অধিক আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বিধায় গঠন তুলনামূলকভাবে জটিল। 



(২) পার্থক্যের বিষয়ঃ সদস্য সংখ্যাঃ



প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এর সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন 2 এবং সর্বোচ্চ 50 জনের সীমাবদ্ধ। 

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এর সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন 7 এবং সর্বোচ্চ সীমা শেয়ার সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ। 


(৩) পার্থক্যের বিষয়ঃ কার্যশুরুঃ


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

নিবন্ধন পত্র পাওয়ার পরে কোম্পানি কাজ শুরু করতে পারে। 

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

একে কাজ শুরু করার জন্য কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হয়। 


(৪) পার্থক্যের বিষয়ঃ শেয়ার বিক্রয়ঃ


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এ কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার ছাড়া অন্য কারো কাছে শেয়ার বিক্রয়ের আহ্বান জানাতে পারে না। 

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এরকম কোম্পানি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয়ের আহবান জানাতে পারে।


(৫) পার্থক্যের বিষয়ঃ বিবরণপত্র –


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে বিবরণ পত্র বা এর বিকল্প বিবৃতি তৈরি প্রয়োজন পড়ে না।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে অনুরোধপত্র বা বিবৃতি তৈরি এবং নিবন্ধকের নিকট তা জমাদান অপরিহার্য। 



(৬) পার্থক্যের বিষয়ঃ শেয়ার হস্তান্তর 


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এর শেয়ার অবাধে হস্তান্তর যোগ্য নয়।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এর শেয়ার অবাধে হস্তান্তর যোগ্য।



(৭) পার্থক্যের বিষয়ঃ মূলধন ও আয়তন


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি – 

সদস্য সংখ্যা সীমাবদ্ধ হওয়ার কারণে মূলধনের পরিমাণ এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম হয় । ফলে প্রতিষ্ঠানও ছোট হয় ।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

সদস্য সংখ্যা বেশি হওয়ায় এক্ষেত্রে মূলধনের পরিমাণ বেশি হয় ফলে এরূপ সংগঠন বৃহদায়তন প্রকৃতিতে গড়ে ওঠে ।


(৮) পার্থক্যের বিষয়ঃ ন্যূনতম মূলধন 


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

কাজ শুরুর জন্য ন্যূনতম মূলধন সংগ্রহ এক্ষেত্রে অপরিহার্য নয় ।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র পাওয়ার জন্য একে বাধ্যতামূলকভাবে ন্যূনতম মূলধন সংগ্রহ করতে হয় ।


(৯) পার্থক্যের বিষয়ঃ পরিচালকের সংখ্যা


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২ জন পরিচালক থাকলেই চলে।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

আইনগতভাবে এতে ন্যূনতম তিনজন পরিচালক থাকতে হয় ৷



(১০) পার্থক্যের বিষয়ঃ পরিচালক পর্ষদ গঠন –


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে প্রতি বছরই পরিচালক পর্ষদ গঠনের প্রয়োজন পড়ে না ।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

আইনানুযায়ী প্রতি বছরই অবসর গ্রহণকারী পরিচালকদের স্থলে নতুন পরিচালক নির্বাচন ও পর্ষদ পুনর্গঠিত হয়।



(১১) পার্থক্যের বিষয়ঃ বিধিবদ্ধ সভা ও বিবরণী 


প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ সভা আহ্বান ও বিধিবদ্ধ এক্ষেত্রে কো বিবরণী তৈরি আবশ্যক নয় ।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি –

এক্ষেত্রে কোম্পানি গঠনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিধিবদ্ধ সভা আহ্বান অপরিহার্য ।




উপরের পার্থক্যের আলোকে পরিশেষে বলা যায়, প্রাইভেট লিঃ কোম্পানি ছোট আকৃতির প্রতিষ্ঠান হলেও পরিচালনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কিছু আইনগত সুবিধা ভোগ করে; যেক্ষেত্রে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি আইনের কড়াকড়ি অনুসরণের মাধ্যমে বৃহদায়তন ও অধিক জনআস্থা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে ।



তো আশা করছি আপনাদের প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ব্যাপারে একটু হলেও কনফিউশান দূর হয়েছে। যদি হয়ে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি।
ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।
পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্যে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
দেখা হবে ইনশাল্লাহ পরের কোনো পোস্টে।
THIS IS 4HS4N
LOGGING OUT….
























































































































11 thoughts on "প্রাইভেট ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সম্পূর্ণ A-Z ধারণা"

  1. Levi Author says:
    ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বই এর অধ্যায় থেকে দিচ্ছেন এগুলো?🐸
    1. 4HS4N Author Post Creator says:
      🐸 দুইটাই দিয়েছি for some experimental purpose আর দিবো না 🤣🤣
    2. Levi Author says:
      😄😄
    3. Rakib Author says:
      😑😑😑
  2. Shakib Author says:
    post er niche onk space rekhesen, post edit kore spcae gula delete kore den
  3. TrickBD Support Moderator says:
    যারা বই থেকে পোস্ট করছেন তাদের বিরুদ্ধে এডমিন রিপোর্ট করেছে এবং একশন নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
    আমরা ভেরিফিকেশনে রেখেছি তাদের।
    1. TrickBD Support Moderator says:
      কপি পেস্ট করলে ওয়ার্নিং দেয়া হয়না সাধারণত।
    2. 4HS4N Author Post Creator says:
      পোস্ট গুলো delete করে দেন। আমার কোনো আপত্তি নেই। এইটা আমি শুধু experimental purpose এর জন্যে করেছিলাম। শুধু ১ দিনের জন্যে রেখে দেখতে চেয়েছিলাম কি হয়। দুটি পোস্টই ডিলিট করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

Leave a Reply