আল্লাহর যিকির করা
কোরআন তেলাওয়াত করা
নামাযের পাবন্দি করা এবং
অলস সময় অতিবাহিত না করা।

কেননা, যিকির সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন,

الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

“যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়।” (সূরাহ রা’দ, আয়াত : ২৮)

কোরআন সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন,

نُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ وَلاَ يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إَلاَّ خَسَارًا

“আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।” (সূরাহ বনু ইস্রাঈল, আয়াত : ৮২)

নামায সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন,

إِنَّ الْإِنسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوعًا وَإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوعًا إِلَّا الْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَائِمُونَ

“মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে। যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে। আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়। তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায়কারী। যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।” (সুরাহ মা’য়ারিজ, আয়াত : ১৮-২৩)

হাদিসে এসেছে,

وكان –ﷺ– إذا حزبه أمرٌ فزِعَ إلى الصلاة

রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন পেরেশান হতেন নামাযে দাঁড়িয়ে যেতেন। (আবু দাউদ ১৩১৯)

রাসুলুল্লাহ ﷺ বেলাল রাযি.-কে বলতেন,

أقم الصلاة أرحنا بها

নামাযের ইকামত দাও, এর মাধ্যমে আমাকে প্রশান্তি দাও। (আবু দাউদ ৪৯৮৫)

অলস সময় অতিবাহিত না করা – এটি এমন রোগ যা বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর ও অস্বস্তিকর চিন্তা টেনে আনে। যার কারণে মন অস্থির হয়ে ওঠে। সুতরাং যখনই আপনার মঝে অস্থিরতা দেখা দিবে তখনই মনে না চাইলেও মনে মনে যিকির শুরু করে দিবেন কিংবা সঙ্গে সঙ্গে অজু করে নামায ও কোরআন তেলাওয়াত শুরু করে দিবেন। দেখবেন, ধীরে ধীরে অস্থিরতা দূর হয়ে যাবে এবং মনে স্থিরতা ও প্রশান্তি চলে আসবে।

পাশাপাশি নিম্নের দোয়াটিও পড়তে পারেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, পেরেশানগ্রস্থ লোকের দোয়া হলো,

اَللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو، فَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ، وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ

“হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমাতের আশা করি। অতএব, আপনি মুহুর্তের জন্যও আমাকে আমার মনের নিকট সোপর্দ করে দিবেন না এবং আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন। আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই।” (আল আদাবুল মুফরাদ, ৭১২)

পরিশেষে দোয়া করি, তিনি (মহান আল্লাহ) যেন আমাদের সকলের অন্তরে প্রশান্তি ও স্থিরতা দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।

সমাপ্ত

6 thoughts on "মনের অস্থিরতা দূর করার সবচে’ উত্তম চিকিৎসা হল"

  1. Osthir Boy Sabbir Osthir Boy Sabbir Contributor says:
    এরোকম একটা পোষ্ট খুজছিলাম ধন্যবাদ


    1. Sabbir Rahman Sabbir Rahman Author Post Creator says:
      Tnx….
    1. Sabbir Rahman Sabbir Rahman Author Post Creator says:
      tnx
  2. A M A M Contributor says:
    sundor 🙂
    1. Sabbir Rahman Sabbir Rahman Author Post Creator says:
      ধন্যবাদ 🙂

Leave a Reply