• হোয়াইট হ্যাট এসইও কি?

হোয়াইট হ্যাট এসইও ক্ষেত্রে এমন এসইও টেকনিক ব্যবহার করা হয় যেগুলো সব ধরনের সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা অনুমোদিত। হোয়াইট হ্যাট এসইও অন্যান্য এসইওর তুলনায় অনেক বেশী কার্যকর। আপনি কোয়ালিটি সম্পন্ন ট্রাফিক পেতে হলে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটকে হোয়াইট হ্যাট এসইও দ্বারা তৈরি করতে হবে। আমরা সাধারনভাবে ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে যে এসইও ওগুলো করি সেগুলো মূলত হোয়াইট হ্যাট এসইওর অন্তর্ভুক্ত।

আপনি যদি অন্যান্য এসইও (ব্লাক হ্যাট এসইও) দ্বারা ওয়েবসাইটকে তৈরি করেন, তাহলে হয়তো কিছু সময়ের জন্য আপনি প্রচুর ট্রাফিক পাবেন। তবে একটা সময়ে আপনার ওয়েবসাইট ধীরে ধীরে ডাউন হয়ে যাবে। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক কমতে থাকবে।

তাহলে চলুন আমরা কিছু হোয়াইট হ্যাট এসইওর টেকনিক সম্পর্কে জেনে আসি…

১. কোয়ালিটি কনটেন্ট: হোয়াইট হ্যাট এসইও এর জন্য একটি আর্টিকেলকে অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি করে লিখতে হবে। আপনার আর্টিকেলটি যে বিষয় নিয়ে লেখা, সেই বিষয়টি আপনার আর্টিকেল এর বিভিন্ন জায়গায় বারবার উল্লেখ করতে হবে। আপনি চাইলে বিভিন্ন কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ব্যবহার করে, সেখান থেকে সবচেয়ে বেশি সার্চকৃত কিওয়ার্ডগুলো বেছে নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে আর্টিকেল লিখতে পারেন। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটটি তাড়াতাড়ি রাঙ্কিং করার সম্ভাবনা থাকবে।

তবে মনে রাখবেন আর্টিকেল এর মধ্যে অযথা কোন কিবোর্ড ব্যবহার করবেন না। অযথা যদি কোন কিবোর্ড ব্যবহার করেন তাহলে সেটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও অন্তর্ভুক্ত হবে, যেটা সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করেনা।

২. প্রপার কিবোর্ড অপটিমাইজেশন: আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে যখন কোন আর্টিকেল লিখবেন, তখন অবশ্যই কোন কীবোর্ড রিসার্চ টুলস দ্বারা রিসার্চ করে সবচেয়ে বেশি সার্চ কি-ওয়ার্ড দিয়ে সেই আর্টিকেলটা লিখবেন। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের সেই আর্টিকেলটি সার্চ রেংকিং এ আসার সম্ভাবনা থাকবে। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইট টা ওপেন করবে।

৩. ওয়েবসাইট লোডিং স্পীড: অনেকেই তাদের ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন অহেতুক টুলস ব্যবহার করে। যার ফলে তাদের ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব টুলস কম ব্যবহার করার। তবে যে টুলস গুলো ব্যবহার করাই লাগবে, সেগুলো অবশ্যই ব্যবহার করবেন। তা নাহলে ভালো করতে গিয়ে উল্টো খারাপ হয়ে যাবে। ওয়েবসাইটের মধ্যে অযথা বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করবেন না, এতে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড কমতে থাকবে।

এছাড়া ওয়েবসাইটের মধ্যে কোন ইমেজ যুক্ত করার আগে সেই ইমেজের সাইজ কমিয়ে তারপরে সেটা যুক্ত করবেন।

৪. মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট: কোন ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট করার সময় অবশ্যই সেটা মোবাইল এবং কম্পিউটার অপটিমাইজ করে তৈরি করবেন। অনেকেই কম্পিউটার অপটিমাইজ করে তৈরি করে, কিন্তু মোবাইল অপটিমাইজ করে ওয়েবসাইটটি তৈরি করে না। যার ফলে যখন কেউ সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তখন মোবাইল ইউজাররা সেই ওয়েব সাইটের কনটেন্ট সাজানো দেখতে পায় না। এতে করে অনেক ইউজার ধীরে ধীরে সেই ওয়েবসাইটে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

৫. কোয়ালিটি ব্যাকলিংক: ওয়েবসাইটের জন্য অবশ্যই ব্যাকলিংক তৈরি করবেন। অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন মানুষ থেকে ব্যাকলিংক কিনেন। যাদের থেকে ব্যাকলিংক কিনবেন অবশ্যই তার থেকে জিজ্ঞেস করে নেবেন সে কিভাবে ব্যাক লিংক দিবে। কারণ অনেকেই বিভিন্ন রোবট বা টুলস ব্যবহার করে ব্যাকলিংক দেয়, যে ব্যাকলিঙ্ক গুলো বেশিরভাগ সময় কোন কাজে আসে না।

৬. ইন্টার্নাল লিংকিং: আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন আর্টিকেল এর মধ্যে আপনার অন্যান্য আর্টিকেল এর লিংক যুক্ত করে দিন। লিংকগুলো আর্টিকেল এর বিভিন্ন শব্দের সাথে যুক্ত করতে পারেন। তবে অযথা কোন লিংক যুক্ত করবেন না এতে করে আপনার ট্রাফিক কমে যেতে পারে। আপনার আর্টিকেলের শব্দ বা বাক্যের সাথে মিল আছে এমন শব্দ বা বাক্যের সাথে ইন্টার্নাল লিংকিং করতে পারেন। এতে করে আপনার ট্রাফিক বাড়বে।

বন্ধুরা আজকের পোস্টটি আশা করি আপনাদের অনেক কাজে আসবে। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

আমার ফেসবুক প্রোফাইল

Leave a Reply