স্মার্টফোনে মেমোরি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কোনো কাজ করার জন্য মেমোরি যেমন দরকার, তেমনি স্মার্টফোনে করা কাজ গুলো সংরক্ষণ করে রাখার জন্যও মেমোরি দরকার হয়। আর যাদের অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ নেই তাদের জন্য বিল্ট ইন মেমোরিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত। ৬টি উপায়ে আপনার স্মার্টফোনের মেমোরির অপ্রয়োজনীয় বা অব্যবহৃত ডকুমেন্ট ফেলে দিয়ে মেমোরিকে করুন আরও দ্রুততর।

মুছে ফেলুন প্রয়োজনীয় জিনিস

আমরা কারণে অকারণে অনেক ছবি তুলি এবং সংরক্ষণ করি। মোবাইল মেমোরির অর্ধেকের বেশি ব্যবহৃত হয় ছবি, ভিডিও, স্ক্রিনশট অথবা ডাবল সংরক্ষণ করা তথ্যে। সময় নিয়ে মেমোরি চেক করুন। অপ্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিওগুলো মুছে ফেলুন। মনের ভুলে একই ছবি বা তথ্য দু’বার সংরক্ষণ করা হলে মুছে ফেলুন। ছবির মধ্যে যে সব ছবি গুলো ঝাপসা, পুরাতন স্ক্রিনশট সেগুলো বাদ দিয়ে দিন। প্রিয় ছবিগুলোকে এডিট করে গ্রুপ করে একটি ছবিতে রুপান্তর করুন।

পুরাতন ভিডিও যা অনেকদিন ধরে দেখা হয়না সেগুলো মুছে ফেলুন। আর যেগুলো ভালো লাগে সেগুলোও ট্রিম করে সাইজ কমিয়ে নিতে পারেন।

মেমোরি পরিবর্তে ব্যবহার করুন ক্লাউড

যেসব ছবি এবং ভিডিওগুলো সহজে প্রয়োজন হয় না সেগুলোকে সহজেই ক্লাউডে অথবা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। অনলাইন স্টোরেজের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ফ্লিকার, ড্রপবক্স এবং মাইক্রোসফট ওয়ান ড্রাইভে নিজেদের ছবিগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন। গুগল ফটোস ব্যবহার করে ১৬ মেগাপিক্সেলের আনলিমিটেড ছবি এবং ১০৮০ পিক্সেলের ভিডিও সংরক্ষণ করে রাখা যায় বিনামূল্যে। আইওএস ব্যবহারকারীরা ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে পিসির সাথে সংযুক্ত করে আইটিউনসের মাধ্যমে তথ্যগুলো কম্পিউটারে অথবা ক্লাউডে সংরক্ষণ করতে পারেন।

অব্যবহৃত অ্যাপসগুলো মুছে ফেলুন

অ্যাপসগুলো মোবাইলের ভালো জায়গা দখল করে। অনেকগুলো অ্যাপস থাকে যেগুলো সচরাচর ব্যবহার করা হয় না অথবা খুব সামান্যই ব্যবহার করা হয়। যেসব গেমস পুরনো হয়ে গিয়েছে সেসব গেম মুছে ফেলতে পারেন।

অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপস মুছে ফেলার জন্য অ্যাপ ড্রয়ার অথবা অ্যাপলিকেশন ম্যানেজারে গিয়ে অ্যাপটির উপর লং প্রেস করলেই আনইনস্টল অপশন দেখা যাবে। অ্যাপসটিকে আনইনস্টল উপর ছেড়ে দিলে অ্যাপসটি আনইনস্টল হয়ে যাবে। আইওএসে অ্যাপস আনইস্টল করার জন্য অ্যাপসটির উপর লং প্রেস করে ক্রস বাটনে চাপ দিলেই অ্যাপটি আনইনস্টল হবে।

গান শুনুন অনলাইনে

এখন বেশিরভাগ গানের অডিও এবং ভিডিওগুলো অনলাইনে সহজলভ্য। তাই গানগুলোকে মেমোরিতে সংরক্ষণ না করে অনলাইন থেকে স্ট্রিমিং করে শোনার অভ্যাস করুন। তাহলে মোবাইল মেমোরির উপর চাপ কমবে।

4k রেজুলেশনে ভিডিও ধারণ করবেন না

এখনকার অত্যাধুনিক মোবাইলগুলোতে 4k তে ভিডিও ধারণ করার সুযোগ রয়েছে। 4k তে ভিডিও ধারণ করলে ভিডিওর সাইজ যেমন দ্বিগুণ হয়ে যায় তেমনি মোবাইল ফোনের ব্যাটারির উপরও চাপ পড়ে। আপনার যদি 4k টেলিভিশন অথবা 4k কম্পিউটার মনিটর না থাকে, তাহলে আপনার জন্য 4k রেজুলেশনের ভিডিও উপকারি হচ্ছে না।

তথ্য সরিয়ে রাখুন মেমোরিকার্ডে

ফোনের মেমোরিকে অধিক কার্যকরী করার জন্য বিল্ট ইন মেমোরি থেকে তথ্য গুলোকে মেমোরি কার্ডে সরিয়ে ফেলুন। অধিকাংশ স্মার্টফোনে ফাইল ম্যানেজার বলে একটি বিল্ট ইন অ্যাপস থাকে। যা দিয়ে সহজেই বিল্ট ইন মেমোরি থেকে অতিরিক্ত মেমোরি কার্ডে তথ্য সরানো যায়। আর যেসব স্মার্টফোনে ফাইল ম্যানেজার নেই তারা সহজেই প্লে স্টোর থেকে ফাইল ম্যানেজার নামিয়ে নিতে পারেন।

আই ফোন ব্যবহারকারীদের অবশ্য এ ধরণের কোন সুযোগ নেই। যেহেতু আইফোনে কোন অতিরিক্ত মেমোরি ব্যবহার করার সুযোগ নেই।

সুতরাং উপরোক্ত ছয় উপায়ে আপনার মোবাইলের মেমোরি হোক আরও প্রাণবন্ত!
.
.
সবার প্রথমে এই পোস্টটি এখানে শেয়ার হয়ে ছিল
.
.
নতুন নতুন টিপস পেতে সময় পেলে ঘুরে আসবেন

.
.
LikeSmsBD.Ga
.

One thought on "৬ উপায়ে বাড়িয়ে নিন আপনার ফোনের মেমোরি!!"

  1. Rana Rana Administrator says:
    কপি পেষ্ট থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন… পরবর্তীতে কপি পেষ্ট করতে দেখলে আজোবনের জন্য ট্রেইনার পদ থেকে বাতিল করা হবে


Leave a Reply