আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই ভালো আছেন।Carding এর ২য় পর্ব টিউটোরিয়াল। শুরুর আগে কিছু কথা।
আমি খুবই সাধারণ মানুষ। আমার জ্ঞান সীমিত।Carding সম্পর্কে ধারণা ০%।আমি রিসার্চ করি না এগুলো নিয়ে।আমার পোস্ট ফাউল লাগতে পারে। প্যারা নাই।যেহেতু পোস্ট লিখে ফেলছি আরও একটা তাই নেক্সট পোস্ট লাস্ট।

ক্রেডিট কার্ড কি?
ক্রেডিট অর্থ ধার।ক্রেডিট কার্ড আপনাকে একটা নিদিষ্ট পরিমাণ অর্থ ধার করতে দেয় যা দিয়ে আপনি কোন শর্ত ছাড়া খরচ করতে পারেন এবং পরবর্তীতে বিল দেওয়া হয়।

ক্রেডিট কার্ড কত প্রকার?
১. Visa – শুরু হয় ডিজিট 4 দিয়ে
২. Master Card – শুরু হয় ডিজিট 5 দিয়ে
৩. American Express (Amex) – ডিজিট 3 দিয়ে শুরু

এই কার্ড গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার হয়ে থাকে।

VBV / Non VBV কি?
VBV – ভেরিফাইড বাই ভিসা।এই কার্ড গুলো সিকিউরিটি হাই থাকে।যেমন এই কার্ড ব্যাবহার করে পে করতে চাইলে OTP প্রোভাইড করতে হয়।এই কার্ড দিয়ে কাডিং করা যাবে না।

Non VBV – এই কার্ড গুলোতে সিকিউরিটি থাকে না।সরাসরি পেমেন্ট করা যায়। এই কার্ড দিয়ে কার্ডিং করা যাবে।

কোন কার্ড কার্ডিং এর জন্য উপযোগী?
আমি Amex কার্ড ব্যাবহার করতে বলবো।ভিসা কার্ড VBV হতে পারে তাই Amex কার্ড সেইফ এবং লিমিট বেশি থাকে।

Bin কি?
ক্রেডিট কার্ড নাম্বারের প্রথম 6 ডিজিট।এই Bin দিয়ে আপনি ব্যাংক ডিটেইলস জানতে পারবেন।ক্রেডিট কার্ড সাধারণত বিনের ওপরই নির্ভর করে।সাধারণ সারভার প্রমেন্ট ভ্যালিডেট করার সময় Bin চেক করে লাইভ/ডেড।

ক্রেডিট কার্ড কিভাবে পাবো?
আপনি ৩ ভাবে ক্রেডিট কার্ড পেতে পারেন।
১. ডাটাবেইজ হ্যাকিং করে (SQLI)
২. স্কাম করে।
৩. ক্রেডিট কার্ড কোন হ্যাকার থেকে কিনে।

একটি ক্রেডিট কার্ডে কি কি ইনফরমেশন থাকে?
CC Number: ক্রেডিট কার্ড নাম্বার যাক প্রথম ছয়টি সংখ্যা Bin.
Expire Date: ক্রেডিট কার্ডের মেয়াদ এখানে মাস এবং বছর উল্লেখ থাকে।
CVV: তিন সংখ্যার একটি পিন নাম্বার।
Name on Card: কার্ডের মালিকের নাম
একটি ক্রেডিট কার্ডে উপরের এই ইনফরমেশন গুলো থাকে।

কিভাবে কার্ডিং কাজ করে?

মনে করেন আপনি একটা ক্রেডিট কার্ড ইনফর্মেশন একজন হ্যাকার থেকে কিনেছেন। আপনি 50 ডলার খরচ করে 400 ডলার লিমিটের একটি ক্রেডিট কার্ড কিনলেন।এখন আপনার কাছে একটা লাইভ ক্রেডিট কার্ডের ইনফরমেশন গুলো (CC Number,Expirity date,CVV,Name on Card,Address)আছে। এখন আপনি সকল পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে টার্গেট ওয়েবসাইট যেমন দারাজ প্রবেশ করবেন। তারপর আপনি একটি অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করবেন। এরপর অ্যাকাউন্টের নাম ক্রেডিট কার্ডের নাম অনুযায়ী দিবেন। তারপর ক্রেডিট কার্ড এড করবেন।যে ইনফরমেশনগুলো আপনাকে দেওয়া হয়েছে হুবহু ওই ইনফরমেশনগুলো দিয়ে কার্ডটি অ্যাড করবেন। ক্রেডিট কার্ড সফলভাবে এড হলে আপনি যেকোনো কিছু কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার কার্ডের লিমিটের মধ্যে। আপনি যখন কার্ডটি অ্যাড করবেন তখন সার্ভার বিন নাম্বার চেক করে তারপর আপনার দেওয়া অ্যাড্রেস ওই ব্যাংকের সাথে ভ্যালিডেট করে তারপর কার্ডের নামের সাথে আপনার একাউন্টের এবং যেই নাম আপনি দিয়েছেন তা ভ্যালিডেট করে।সবকিছু ঠিক থাকলে আপনার পেমেন্ট সফল হবে।

অনেকে ভাবতে পারেন এমন হয় না।তাদের জন্য বাস্তব উদাহরণ দিয়ে বুঝায়।অনেকে আপনারা Bin ইউজ করে তারপর ফেক CC ইনফরমেশন জেনেরেট করে Google Play Store এ অ্যাড করেন। তারপর এর বিভিন্ন অ্যাপের ফ্রী ট্রায়েল নিয়ে থাকেন।গুগল যখন Bin চেক করে। তখন আপনার Bin লাইভ হলে এবং বাকি ইনফরমেশন ঠিক থাকলে অরজিনাল ক্রেডিট কার্ড হিসাবে গণ্য হয়।

ধন্যবাদ।
ফেসবুক
ইউটিউব

12 thoughts on "Carding Tutorial: ক্রেডিট কার্ড কার্ডিং টিউটোরিয়াল – ২"

  1. Levi Author says:
    পার্ট গুলো একটু বড় করেন ভাই।যেনো তাড়াতাড়ি শিখতে পারি।
  2. Ashraful Author says:
    Carding korar tricks niye ashen.
  3. saiful Contributor says:
    Next Post Chai?
  4. পরবর্তী পোষ্টের জন্যে অপেক্ষায় রইলাম.
  5. BORNO Contributor says:
    আপনার পোস্ট খুবই ভালো লাগছে চলিয়ে যান । করার ইচ্ছা আছে কিন্তু পারি না
  6. Md Golam Rasul Contributor says:
    পরবর্তী পোষ্টের জন্যে অপেক্ষায় রইলাম 🇧🇩🇧🇩
  7. Prince Contributor says:
    next part chai

Leave a Reply