নিজেকে জিনের প্রভাব ও অন্যান্য জাদু থেকে রক্ষা করতে ২টি আমল নিয়ে আমার আজকের আটিকেলটি লেখা যে বিষয়টি আমি পোস্টের টাইটেলেই উল্লেখ করেছি । এটি একটি ইসলামিক পোস্ট । তাই শুধুমাত্র ইসলাম ধমের অনুসারীদেরকে দেখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ।

^^আমরা ছোট বেলা থেকেই রুপ কথার গল্প পড়ে এসেছি । ভুত-পেতনি থেকে শুরু করে নানা ধরনের গল্প ও কাটুন দেখে আসছি । সেখানে ভুতের কথা বলা হয় তা অনেকটা মিথ্যা । আবার সত্য বললেও ভুল হবে না । অনেকে ভুত আছে তা বিশ্বাস করবে না । কারণ তারা জানে এগুলো কুসংস্কার । (এ নিয়ে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হবে)

°°°পোস্টের টাইটেলে জিনের কথা বললেই স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে খটকা লাগতে পারে যে ভুত যেহেতু নেই,তাহলে জিন থাকবে কি করে । হ্যাঁ সত্য কথা হলো জিন আছে । পৃথিবীতেই জিন আছে । জিনকে রুপকথার গল্প হিসেবে ভুত বলা হয়েছ ।

~~জিন যে আছে তা আপনি বিশ্বাস না করলেও,পবিত্র কুরআন শরিফকে বিশ্বাস করলে জিন যে আছে তা অবশ্যয় বিশ্বাস করতে হবে । আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের সূরা নং আয়াতে উল্লেখ করেছেন যে,

“আমি জিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছি সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য ।”

মানুষ বসবাসের পূবে এই পৃথিবীতে জিন বসবাস করত । আদম (আ) কে সৃষ্টির পর জিনেরা সাগরের তলদেশে ও বিভিন্ন বনে অবস্থান করে । তারা এমন স্থানে বসবাস করে যেখানে সূযের আলো পৌঁছায় না । তাদেরও মানুষের মতো জীবন আছে । তাদেরকেও মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করা লাগে । তাদেরকেও আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে । আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন । তাহলে জানা গেল যে জিন পৃথিবীতে বসবাস করে ও তারা যে আছে সেটা সত্য ।

জিনেরা মানুষের উপর প্রভাব ফেলে । তবে দুষ্টু জিনেরা । মানুষের ন্যায় তাদের মধ্যেও খারাপ জিন রয়েছে । তারা মানুষকে ক্ষতি করে । এই জিনের প্রভাব থেকে ও অন্যের জাদু থেকে বাঁচতে মহানবি (স) নিজে কিছু আমল করতেন । ২টি আমাল নিচে উল্লেখ করা হলো :

১। প্রতি রাতে একবার আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করা । আয়তুল কুরসি হলো সূরা বাকারার ২৫৫নং আয়াত । যদি কেউ না পারেন তাহলে নিচের থেকে দেখে নিতে পারেন ।

২। সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস এই তিনটি সুরা একবার করে তিলাওয়াত করা এবং তিলাওয়াতের শেষে সারা শরিরে হাত দিয়ে মালিশ করা ।

এই দুইটি উপায় অবলম্বন করলে জিন ও জাদু থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে । মহানবি (স) নিজেও এই দুইটি উপায় অবলম্বন করতেন ও করতে নিদেশ দিয়েছেন । আরও একটি উপায় রয়েছে সেটি হলো প্রতিদিন ৭টি আজোয়া খেজুর খাওয়া । এতে দেহে কোন প্রকার জাদু কাজ করবে না । তবে আজোয়া খেজুর অনেক ব্যায়বহুল । যা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয় ।

3 thoughts on "[ইসলামিক আটিকেল] নিজেকে জিনের প্রভাব ও জাদু থেকে রক্ষা করার ২টি আমল শিখে নিন"

  1. pranta Author says:
    পোষ্ট গুলা এত ছোট কেন ?? আরেকটু বড় করবেন
  2. frtanvir Contributor says:
    জিন কি পাসার মধ্যে দিয়ে শরীরে ঢুকতে পারে?
    1. Aubdulla Al Muhit Author Post Creator says:
      ধুর ভাই । ফাও বকেন কেন? তারা যে অলৌকিক ক্ষমতাধর তা তো আপনার জানার কথা । তার প্রভাব থেকে রক্ষা করার আমল এগুলো ।

Leave a Reply