Home » Islamic Stories » হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৪]

2 weeks ago (Jan 09, 2018) 147 views

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৪]

Category: Islamic Stories by

♥♥আসসালামু আলাইকুম♥♥

সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আর আপনাদের দোয়ায় আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

পোস্টের বিষয়ঃ

👉আপনাদের সামনে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)এর মহামূল্যবান বাণী এর পার্ট ১,২,৩, নিয়ে আলোচনা করেছি।আজকে পার্ট ৪ নিয়ে আলোচনা করব।

👉যারা এর আগের পার্ট গুলো দেখেননি প্লিজ তারা নিচের লিংক এ গিয়ে আগের পার্ট গুলো দেখবেন

👉প্রথম পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👉দ্বিতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন
👉তৃতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন

👉চলুন এখন আজকের পোস্টের আলোচনায় আসা যাক।

👉হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী (সাঃ) পার্ট ৪

অধীনস্থঃ

👉১৫৪. অধীনস্থদের সাথে নিকৃষ্ট আচরণকরী জান্নাতে প্রবেশ করবেনা। (আহমদ]

মৃতদের গালি না দেয়াঃ

👉১৫৫. মৃতদের গালি দিয়োনা।

উড়ো কথা প্রচার না করাঃ

👉১৫৬.প্রতিটি শোনা কথা বলে বেড়ানোটাই মিথ্যাবাদী হবার জন্যে যথেষ্ট। (সহীহ মুসলিম)

মর্যাদা দানঃ

👉১৫৭.মর্যাদা অনুযায়ী মানুষকে সমাদর করো। (আবু দাউদ)

সতর্কতাঃ

👉১৫৮.মুমিন এক পাথরে দুইবার হোঁচট খায়না। (সহীহ বুখারী)

অট্টহাসিঃ

👉১৫৯.অধিক হাসাহাসি অন্তরকে মেরে ফেলে। (তিবরানী)

সন্তানঃ

👉১৬০.তোমাদের সন্তানদের মর্যাদা দান করো এবং তাদের সুন্দর আচার ব্যবহার শিখাও। (ইবনে হিব্বান)

শক্তিমান কে ?

👉১৬১.শক্তিশালী সে, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। (সহীহ মুসলিম)

অধঃপতনঃ

👉১৬২.যার কর্ম তাকে ডুবায়, তার বংশ তাকে উঠাতে পারেনা। (সহীহ মুসলিম)

শাসক হবে তেমনঃ

👉১৬৩.তোমরা হবে যেমন, তোমাদের শাসকও হবে তেমন। (মিশকাত)

অপরের দোষঃ

👉১৬৪.যে ব্যক্তি একজন মুসলমানের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন করবেন। (সহীহ মুসলিম)

আল্লাহর বিধান পালনঃ

👉১৬৫. হারাম থেকে বেঁচে থাকো, আল্লাহ তোমাকে হিফাযত করবেন। (তিরমিযী)

সৌভাগ্যঃ

👉১৬৭.আল্লাহর সিদ্ধান্ত সন্তুষ্ট থাকতে পারা আদম সন্তানের একটি সৌভাগ্য। (তিরমিযী)

কি নিয়ে উঠবেঃ

👉১৬৮.প্রতিটি বান্দা কিয়ামতে তাই নিয়ে উঠবে, যা নিয়ে সে মরেছে। (সহীহ মুসলিম)

নেতাঃ

👉১৬৯.নেতা হবে মানুষের সেবক। (দায়লমী)

👉১৭০. তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

👉১৭১. মানুষের অবস্থা উটের মতো, একশটি উটের মধ্যে ও একটি ভালো সোয়ারী পাওয়া যায়না। (সহীহ মুসলিম)

রসূলুল্লাহ সাঃ

👉১৭৫.আমি রসূলুল্লাহ (সা) চাইতে অধিক সুন্দর কোনো কিছু দেখিনি। (আবু হুরাইরা রা. তিরমিযী)

👉১৭৬.আমি কাউকেও রসূলুল্লাহর (সা) চাইতে দ্রুত চলতে দেখিনি। (আবু হুরাইরা রাঃ তিরমিযী)

👉১৭৭.রসূলুল্লাহ (সাঃ) কাছে কিছু চাওয়া হয়েছে আর তিনি ‘না’ বলেছেন, এমন কখনো হয়নি। (জাবির : সহীহ বুখারী)

👉১৭৮.রসূলুল্লাহ (সাঃ) রোগীর সেবা করতেন এবং কফিনের সাথে যেতেন। (আনাস রাঃ ইবনে মাজাহ)

👉১৭৯.রসূলুল্লাহ (সা) দীর্ঘ সময় চুপ থাকতেন। (জাবির বিন সামু রাঃ শরহে সুন্নাহ)

👉১৮০.রসূলুল্লাহ (সা) যখন কথা বলতেন, তখন কেউ ইচ্ছে করলে তাঁর বক্তব্যের শব্দ সংখ্যা গুণে নিতে পারতো। (আয়েশা রাঃ সহীহ বুখারী)

👉১৮১.রসূলুল্লাহ (সা) কথা বলতেন থেমে থেমে স্পষ্ট করে। (জাবির রাঃ আবু দাউদ)

👉১৮২.রসূলুল্লাহ (সা) সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করলে বিনিময়ে তিনি খারাপ ব্যবহার করতেন না, বরং ক্ষমা করে দিতেন এবং উপেক্ষা করতেন। (আয়েশা রাঃ তিরমিযী)

👉১৮৩.আমি প্রেরিত হয়েছি রহমত হিসেবে। (সহীহ মুসলিম)

👉১৮৪.সুখবর তার জন্যে, যে আমাকে দেখেছে। সাতবার সুখবর ঐ ব্যক্তির জন্যে যে আমাকে দেখেনি, অথচ আমার প্রতি ঈমান এনেছে। (আহমদ)

সাহাবায়ে কিরামঃ

👉১৮৫.আমার উম্মতের উত্তম লোক হলো আমার সময়ের লোকেরা। (সহীহ বুখারী)

👉১৮৬.আমার সাহাবীদের সম্মান দান করো, কারণ তারা তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। (মিশকাত)

👉১৮৭.আমার সাহাবীদের গালি দিওনা। (সহীহ বুখারী)

আবু বকর রাঃ

👉১৮৮. আমি যদি আমার প্রভুকে ছাড়া আর কাউকেও বন্ধু বানাতাম, তবে অবশ্যি আবু বকরকে বন্ধু বানাতাম। (সহীহ বুখারী)

👉১৮৯.হে আবু বকর! (পর্বত) গুহায় তুমি আমার সাথী ছিলে, হাউজে কাউসারেও তুমি আমার সাথী থাকবে। (তিরমিযী)

👉১৯০.নিজের সাথীত্ব ও অর্থ দিয়ে আমাকে সকলের চেয়ে অধিক সহযোগিতা করেছে আবু বকর। (সহীহ বুখারী)

👉১৯১.হে আবু বকর ! আমার উম্মতের মধ্যে তুমিই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদ)

উমর রাঃ

👉১৯২.আল্লাহ উমরের যবান ও অন্তরে সত্য সন্নিবেশ করে দিয়েছেন।(তিরমিযী)

👉১৯৩.আমার পরে যদি কেউ নবী হতো, তবে অবশ্যি উপর বিন খাত্তাব হতো। (তিরমিযী)

শ্রেষ্ঠ নারীঃ

👉১৯৪.পৃথিবীর সর্বোত্তম নারী ইমরানের কন্যা মরিয়ম আর খুয়াইলিদের কন্যা খাদীজা। (সহীহ বুখারী) নোট : মরিয়ম ছিলেন হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের মা, আর খাদীজা ছিলেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী। দু’ আর নিয়ম ও গুরুত্ব

👉১৯৫.যখন কিছু প্রার্থনা করবে, আল্লাহর কাছে করবে। (মিশকাত)

👉১৯৬.দু’আ ইবাদত। (তিরমিযী)

👉১৯৭.দু’আ ইবাদতের মস্তিস্ক। (তিরমিযী)

👉১৯৮.আল্লাহর কাছে তাঁর অনগ্রহ চাও। তাঁর কাছে প্রার্থনা করাকে আল্লাহ খুবই পছন্দ করেন। [তিরমিযী)

👉১৯৯.যে আল্লাহর কাছে চায়না, আল্লাহ তার উপর রাগান্বিত হন। (তিরমিযী)

👉২০০.আমি আল্লাহর কাছে দিন একশ’ বার ক্ষমা প্রার্থনা করি। (সহীহ মুসলিম) তাওবা

👉২০১.বান্দাহ যখন অপরাধ স্বীকার করে এবং তাওবা করে, তখন আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন। (সহীহ বুখারী)

ব্যাখ্যা : তাওবা মানে ফিরে আসা। তাওবা করার অর্থ – অন্যায়, অপরাধ ও ভুল হয়ে গেলে তা স্বীকার করে সে জন্যে অনুশোচনা করা ও তা থেকে, ফিরে আসা এবং এমন কাজ আর কখনো না করার সিদ্ধান্ত নেয়া।

👉২০২.সব আদম সন্তানই ভুল করে। তবে এদের মধ্যে উত্তম হলো তারা যারা ভুলের জন্যে তাওবা করে। (তিরমিযী) রসূলুল্লাহর কতিপয় দু’আ

👉২০৩.হে আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে পানাহ চাই দুশ্চিন্তা থেকে, মনোকষ্ট থেকে, বার্ধক্য থেকে, আলস্য ও কাপুরুষতা থেকে এবং কৃপণতা ও ঋণের বোঝা থেকে। (সহীহ বুখারী)

👉২০৪.হে আল্লাহ ! আমার অন্তরে আল্লাহভীতি দাও এবং তাকে পরিশুদ্ধ করো। তুমিই তো তার উত্তম পরিশুদ্ধকারী। (সহীহ মুসলিম)

👉২০৫.ওগো আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে এমন জ্ঞান থেকে পানাহ চাই যাতে কোনো কল্যাণ নেই। আর এমন হৃদয় থেকেও আশ্রয় চাই যাতে তোমার ভয় নেই। (আহমদ)

👉২০৬.আয় আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে পানাহ চাই সংশয় থেকে, কপটতা থেকে আর অসৎ চরিত্র থেকে। (নাসায়ী)

👉২০৭.হে আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে চাই হিদায়াত, আল্লাহভীতি, পবিত্র জীবন এবং প্রাচুর্য। (সহীহ মুসলিম)

👉২০৮.ওগো আল্লাহ ! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার প্রতি দয়া করো, আমাকে সঠিক পথ দেখাও, আমাকে স্বস্তি দান করো এবং আমাকে জীবিকা দাও। (সহীহ মুসলিম)

👉২০৯.আমার আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে কল্যাণময় জ্ঞান, গ্রহণযোগ্য আমল আর পবিত্র জীবিকা। (আহমদ]

👉২১০.ওগো আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সুস্থতা, স্বস্তি, বিশ্বস্ততা, উত্তম চরিত্র আর তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্টি। (বায়হাকী)

👉২১১.আমার আল্লাহ ! আমি তোমার ভালোবাসা চাই, আর যে তোমাকে ভালোবাসে তার ভালোবাসা চাই। (তিরমিযী) জীবন পথের আলো

👉আজ এখানেই শেষ করছি,সবাই ভালো থাকুন সুস্হ থাকুন আর নিত্য নতুন নতুন ট্রিক্স ও টিপস এবং ইসলামিক পোস্ট পেতে ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।

♥আল্লাহ হাফেজ

Report

About Post: 47

Hi, this is and its my bio

One response to “হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৪]”

  1. hmjasim (Contributor) says:

    Vai kup valo post korycen !

Leave a Reply