Be a Trainer! Share your knowledge.
Home » Islamic Stories » হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৬]

1 month ago (Jan 13, 2018)

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৬]

Category: Islamic Stories by

♥♥আসসালামু আলাইকুম♥♥

সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আর আপনাদের দোয়ায় আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

পোস্টের বিষয়ঃ

?আবারও আপনাদের সামনে একটি ইসলামিক পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।আজকে আলোচনা করব।হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৬ নিয়ে আলোচনা করব।এর আগের পার্ট গুলো যারা দেখিনি প্লিজ তারা আগের পার্টগুলো পড়বেন।

?আগের পার্ট গুলো দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

?প্রথম পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন

?দ্বিতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন

?তৃতীয় পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন

?চার নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন

?পাঁচ নাম্বার পার্ট পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

?হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী পার্ট ৬

?(আল্লাহ বলেন) মহত্ত্ব আমার পায়জামা এবং শ্রেষ্টত্ব আমার চাদরস্বরূপ। যে আমার এদুটো জিনিসে ভাগ বসাতে চায়, তাকে আমি লন্ডভন্ড করে দেই। (আবু দাউদ , ইবনে মাজাহ)

?যে ব্যক্তি স্বভাবের নম্রতা হইতে বঞ্চিত হয়েছে, সে কল্যাণ হইতে বঞ্চিত হয়েছে। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি দ্বীনি / ইসলামী জ্ঞান অর্জন করে, তার সর্ব প্রকার চিন্তা-ভাবনার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তাকে অকল্পনীয় স্থান থেকে জীবিকা সরবরাহ করা হবে। (খতীব)

?যারা শিশুদের কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হন। (আল হাদীস)

?ঈমানদার ব্যক্তি কখনও বিদ্বেষপরায়ণ বা পরশ্রীকাতর হতে পারে না। (আল হাদীস)

?ইসলামকে পূনর্জীবিত করার লক্ষে জ্ঞানার্জনেরত অবস্থায় যারা মৃত্যুবরণ করে, বেহেশতে নবীদের সাথে তাদের মাত্র একটি স্তরের ব্যবধান থাকবে। (দারেমী)

?সমস্ত সৃষ্টির চাইতে যিনি আমার নিকট অধিক প্রিয় ও সম্মানিত এবং যার পবিত্র নাম আসমান, জমীন, চন্দ্র , সূর্য সৃষ্টি করার বিশ লক্ষ বছর পূর্বে আরশে মোয়াল্লায় আমার নামের পাশে লিখে রেখেছি, তিনি বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি ও তার উম্মতগণ জান্নাতে প্রবেশ না করা পযর্ন্ত অন্যদের জান্নাতে প্রবেশ হারাম। -(আল হাদীস)

?(হযরত আনাস (রাঃ) বলেন) আমি সুদীর্ঘ দশ বৎসর রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর খেদমত করেছি। এই সুদীর্ঘ সময়ের মধ্যে তিনি কখনও বলেননি যে, অমুক কাজটি এভাবে করলে কেন কিংবা অমুক কাজটি করলে না কেন। (আল হাদীস)

?সেই ব্যক্তি সুখী যে নিজের দোষ দেখে অন্যের দোষ অনুসন্ধান বন্ধ করে দেয়। উপার্জিত অর্থ হালাল পথে খরচ করে, জ্ঞানীদের সাথে চলাফেরা করে এবং পাপীদের থেকে দূরে সরে থাকে। (আল হাদীস)

?সব আলেমের কাছে বসো না বরং এমন আলেমের সান্নিধ্যে বসো, যে পাঁচ বিষয়ের দিক থেকে অন্য পাঁচটি বিষয়ের দিকে আহ্বান করে ; যেমন (১) সন্দেহের দিক থেকে দৃঢ় বিশ্বাসের দিকে, (২) লোক দেখানোর দিক থেকে আন্তরিকতার দিকে , (৩) দুনিয়ার প্রতি মোহ থেকে দুনিয়া বিমুখতার দিকে , (৪) অহমিকার দিক থেকে বিনয়ের দিকে , (৫) শত্রুতার দিক থেকে মিত্রতার দিকে। (আল হাদিস)

?কোনো বান্দা যখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদা করে, তখন আল্লাহ তাকে একটি সওয়াব দান করেন, তার একটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তাকে একটি সম্মান বৃদ্ধি প্রদান করেন। – (ইবনে মাজাহ শরীফ)

?হে লোক সকল ! তোমরা গোপন শিরক থেকে বেঁচে থাক। মানুষ যখন নামাজে দন্ডায়মান হয় তখন অন্যের চোখে ভাল দেখানোর উদ্দেশ্যে খুব সুন্দর করে নামাজ পড়ে আর এটাই হলো গোপন শিরক। -(ইবনে খোজায়মাহ)

?তুমি তোমার ঘরের সবাইকে নামায পড়তে বল, আল্লাহ তোমাকে কল্পনাতীত স্থান থেকে জীবিকা দান করবেন । (আল হাদীস)

?মানুষ বলে ‘আমার ধন, আমার সম্পদ’ অথচ তোমার অংশ তো ততটুকুই যতটুকু তুমি খেয়ে শেষ করে ফেল অথবা পরিধান করে পুরনো করে ফেল অথবা দান করে পরপারে পাঠিয়ে দাও। এতদ্ব্যতিত যা কিছু আছে তা তোমার হাত থেকে চলে যাবে অন্যের কব্জায়। (তিরমিযী)

?তোমরা বিয়ের প্রচারণা করবে, বিবাহকার্য মসজিদে সম্পন্ন করবে। – (মেশকাত শরীফ)

?বেহেশতে কারও সন্তানের আকাঙখা হলে গর্ভধারণ, প্রসব ও সন্তানের দৈহিক বৃদ্ধি, সবই এক মুহূর্তের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় একশ’ বার করে “সোবহান্নাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী” পাঠ করে, তার গোনাহ্‌ মাফ করা হবে যদিও তা সমুদ্রের ঢেউ অপেক্ষাও বেশী হয়। -(আল হাদিস)

?যারা আল্লাহ ব্যতিত অন্য কিছুর নামে কসম করে তারা অবশ্যই আল্লাহর সাথে শরীক করে। (তিরমিযী শরীফ)

?গুনাহ নেই এমন কোন লোক নেই। কিন্তু যাহার জ্ঞানবুদ্ধি প্রখর এবং বিশ্বাস স্বভাবগত, গুণাহ তার কোন ক্ষতি করতে পারে না। কেননা সে গুণাহ করা মাত্র তার মধ্যে অনুশোচনা আসে, ফলে সে তওবা করে গুনাহর ক্ষতিপুরণ করে নেয়। তাতে তার সওয়াব অবশিষ্ট থাকে বলে সে বেহেশতী হয়।(আল হাদিস)

?কাফেরদেরকে পদব্রজে হাঁকিয়ে হাশরের ময়দানে একত্রিত করা হবে আর ঈমানদারদেরকে উৎকৃষ্ট উটের পিঠে চড়িয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির করা হবে। রোজ কেয়ামতে আল্লাহ পাক ফেরেশতাদের নির্দেশ দিবেন, “হে ফেরেশতাগণ ! আমার প্রিয় বান্দাদেরকে পায়ে হাঁটিয়ে আমার নিকট উপস্থিত করো না, বরং উৎকৃষ্ট উটের পিঠে চড়িয়ে তাদেরকে আমার নিকট হাজির করো। কেননা পৃথিবীতে আরোহণ করা তাদের সহজাত স্বভাব ছিল। সর্বপ্রথম পিতার ঔরসে, অতঃপর মাতৃজঠরে অনততপক্ষে ছয়মাস তারা আরোহণ করেছে। জন্মের পর স্তন্যপানের সময় দু’বছর মায়ের কোলে ও পিতার কাঁধে চড়ে কাটিয়েছে। তারপর পৃথিবীতে জলে-স’লে নৌকা, গাধা, ঘোড়া ও খচচরে চড়ে ভ্রমণ করেছে। তাছাড়া মৃত্যুর পরও স্বীয় ভ্রাতার কাঁধে চড়ে কবরে পৌঁছেছিল। অতএব হাশরের মাঠেও তাদেরকে পায়ে হাঁটিয়ে চালিও না। কেননা তারা হাঁটতে অভ্যস্থ ছিল না। এই কাজে তাদের জন্যে উট অথবা কোরবাণীর পশুর ব্যবস্থা কর। – (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি ফরজ নামায ব্যতিত দিবা-রাত্রের মধ্যে অতিরিক্ত বার রাকাত নামায আদায় করবে, তার জন্য বেহেশতে একটি গৃহ নির্মিত হবে। -(মুসলিম শরীফ)

?মেরাজের রাত্রে আমি এমন লোকদের নিকট দিয়ে যাচিছলাম, যাদের ঠোঁট আগুনের কাঁচি দিয়ে কাটা হচিছল । আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তোমরা কারা ? তারা বলল, আমরা অন্যদের সৎকাজ করতে বলতাম, অথচ নিজেরা তা করতাম না। অন্যদের অসৎ কাজ করতে নিষেধ করতাম কিন্তু নিজেরা তাতে লিপ্ত হতাম। (আল হাদিস)

?হে লোক সকল ! আমি তোমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে যাচিছ, যতদিন তোমরা এই দুটোকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না, আর তা হলো আল্লাহর কোরআন এবং আমার সুন্নাহ। (আল হাদীস)

?আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল সেটাই যা নিয়মিত আদায় করা হয়, যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়ে থাকে। (আল হাদিস)

?এমন গুনাহ থেকেও বিরত থাকতে সচেষ্ট হও যাকে ছোট ও নগণ্য মনে করা হয়ে থাকে। কেননা, ইহার জন্যও আল্লাহর তরফ থেকে পাকড়াও করা হবে। (নাসায়ী , ইবনে মাজাহ)

?বেহেশতে আল্লাহ এমন সব নেয়ামত রেখেছেন যা কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শ্রবণ করেনি এবং মস্তিষ্ক তা কল্পনাও করেনি। তন্মধ্যে একটি নেয়ামত হলো আল্লাহর দর্শন লাভ। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করে, যদিও তা একটি ক্ষুদ্র পাখির বাসার মত হয়, আল্লাহ বেহেশতে একটি মহল তৈরী করবেন। (আল হাদিস)

?শয়তান কখনও কখনও জ্ঞানের মাধ্যমেই তোমাদের ওপর আধিপত্য বিসতার করবে। জিজ্ঞাসা করা হলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ (দঃ) ! তা কেমন করে ? তিনি বললেন, শয়তান বলবে, জ্ঞান অর্জন করো এবং জ্ঞানার্জন সমাপ্ত না হওয়া পযর্ন্ত আমল করো না। ফলে মানুষ এলেম নিয়ে ব্যস্ত থাকবে কিন্তু আমলে বাহানা করবে। শেষ পযর্ন্ত আমলশূণ্য অবস্থায়ই তার মৃত্যু এসে যাবে। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি মৃত্যুর সময়ে পবিত্র অনতঃকরণে (আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই) বলবে সে জান্নাতে যাবে। -(আল হাদীস)

?তোমরা সেই মৎস আহার কর যা সাগর থেকে নিক্ষিপ্ত হয় কিংবা সাগরের পানি নেমে গেলে ধরা পড়ে। আর সেই মৎস আহার করোনা যা সাগরের পানিতে মরে ভেসে ওঠে। (আল হাদিস)

? মৃত্যুর ফেরেশতা যখন আল্লাহর কোনো প্রিয় বান্দার নিকট আসেন তখন প্রথমে তাকে সালাম করেন এবং বলেন—হে আল্লাহর বন্ধু ! তোমাকে সালাম। সেই ঘর থেকে বেরিয়ে এসো যাকে তুমি ধ্বংস করেছ এবং সেই ঘরের দিকে চল যাকে তুমি যত্নের সাথে গড়েছ। -(আল হাদীস)

?কেয়ামতের দিন মানুষ তিনটি দলে বিভক্ত হবে। একদল উদরপূর্তি এবং পোষাক পরিহিত অবস্থায় বাহনে আরোহণ করে হাশরের ময়দানে আসবে। দ্বিতীয় দল আসবে পায়ে হেঁটে এবং তৃতীয় দলকে উপুড় অবস্থায় পা ধরে টেনে-হিঁচড়ে ময়দানে আনা হবে। (আল হাদিস)

?ফজরের দু’রাকাত সুন্নাত নামায দুনিয়া ও তার মধ্যকার যা কিছূ আছে, তা হতে উত্তম। – (মুসলিম শরীফ)

?মদীনা মানুষের পঙ্কিলতাকে দূর করে দেয় যেভাবে কামারের ফাপর দূর করে লোহার মরিচাকে। -(বোখারী শরীফ)

?একজনের অপরাধের জন্য অন্যকে শাস্তি দেওয়া যায় না। এখন থেকে পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে আর পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি স্বেচছায় নামায ছেড়ে দিল সে কাফের হয়ে গেল। (আল হাদিস)

?সর্বনিকৃষ্ট আলেম হলো সে যে শাসকদের কাছে আসা-যাওয়া করে আর সর্বোৎকৃষ্ট শাসক সে যে আলেমদের নিকট আসা-যাওয়া করে । (আল হাদিস)

?কবুল হজ্জের পুরস্কার জান্নাত ভিন্ন কিছুই নয়। -(আল হাদীস)

?তুমি তোমার নিজ বিবেক থেকে ফতোয়া গ্রহন কর যদিও মানুষ তোমাকে ফতোয়া দিক না কেন ? (আল হাদিস)

?মানুষ কখনও কখনও কোন ভাল কথা বলে যাতে আল্লাহ তা’আলা খুবই সন্তুষ্ট হন। অথচ সে হাল্কা বিষয় মনে করেই কথাটি বলে এবং জানতেও পারে না যে, ইহার সওয়াব এত সুদূর প্রসারী যে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য কেয়ামত পযর্ন্ত স্থায়ী সন্তুষ্টি লিখে দেন। তেমনিভাবে আল্লাহর অসন্তুষ্টিমুলক কথাও অনেক সময় মানুষ হালকা মনে করে বলে থাকে। অথচ সে ধারণাও করতে পারে না যে, ইহার পরিণাম এত ভয়ঙ্কর হতে পারে যে আল্লাহ তা’আলা কেয়ামত পযর্ন্ত স্থায়ী অসন্তুষ্টি লিখে দেন । (মুুসনাদে আহমদ)

?একজন নিন্মশ্রেনীর জান্নাতবাসীকেও আশি হাজার খাদেম এবং বাহাত্তর জন সত্রী দেওয়া হবে। তার জন্যে গম্বুজ আকৃতির ছাউনি স্থাপন করা হবে যা মনি-মুক্তা হীরা ও ইয়াকুত দ্বারা নির্মিত। সেই ছাউনির প্রশস’তা হবে জাবিয়া হতে শান্‌আর মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। জান্নাতবাসীদের মস্তকে এমন মুকুট পরানো হবে যার সামান্য একটা মুক্তা দুনিয়ার পূর্ব প্রানত হতে পশ্চিম প্রানত পযর্ন্ত আলোকিত করে ফেলবে। -(আল হাদীস)

?তোমরা খ্রীস্টান এবং ইহুদীদেরকে সালাম দিও কিন্তু আমারা উম্মতের ইহুদীদেরকে সালাম দিও না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনার উম্মতের ইহুদী কারা ?’’ জবাবে নবী করীম (দঃ) বললেন, “যারা আজান শুনেও জামায়াতে উপস্থিত হলো না, তারা আমার উম্মতের ইহুদী। যে ব্যক্তি জামায়াত ত্যাগকারীকে সামান্য খাদ্য দিয়ে সাহায্য করল, সে যেন নবীদের হত্যাকান্ডে সহায়তা করল। সে মৃত্যুবরণ করলে তাকে গোসল , জানাযা এবং মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন করো না। এমনকি জামায়াত বর্জনকারী একাই যদি সমস্ত উম্মতের সমতুল্য নামায পড়ে, সকল আসমানী কিতাব পাঠ করে, সারা বছর রোজা রাখে এবং সমস্ত উম্মতের সমতুল্য দান-খয়রাত করে, তবু সে জান্নাতের গন্ধ থেকেও বঞ্চিত হবে। আল্লাহ পাক জীবিত কিংবা মৃত কোন অবস্থায়ই তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। -(আল হাদীস)

?যে ব্যক্তি ক্বদরের রাত্রে চার রাকাত নামায আদায় করবে এবং তার প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহার পর একুশ বার সুরা ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর ন্যায় নিষপাপ করে দেবেন। -(আল হাদীস)

?যে ব্যক্তি রোজাদার অবস্থায় মারা যাবে আল্লাহ তাকে ঐ দিন থেকে কেয়ামত পযর্ন্ত রোজার সওয়াব দান করবেন। -(আল হাদীস)

?একদা নবী করীম (দঃ) ভাষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিম্বরে ওঠে দেখতে পেলেন যে, হাসান ও হোসাইন (রাঃ) ছুটাছুটি করছেন এবং ক্ষণে ক্ষণে আছাড় খেয়ে পড়ে যাচেছন। তিনি ভাষণ দেওয়া স’গিত রেখে মিম্বর থেকে নেমে শিশু দু’টির দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তাদেরকে দু’হাতে উঠিয়ে নিলেন। তারপর মিম্বরে আরোহণ করে বললেন – হে লোক সকল, তোমাদের ধন-সমপদ এক পরীক্ষার বস্তু, আল্লাহর এ বাণী অতীব সত্য। আল্লাহর কসম , আমি আমার এই দুই নাতিকে দৌড়াদৌড়ি আর আছাড় খেয়ে পড়ে যেতে দেখে নিজেকে সংবরণ করতে পারলাম না, তাই দৌড়ে গিয়ে এদের তুলে আনলাম। -(মুসলিম শরীফ)

?যে ব্যক্তি বিনা দাওয়াতে ভোজ অনুষ্টানে যোগ দেয়, সে চোররূপে প্রবেশ করে এবং ডাকাতরূপে প্রত্যাবর্তন করে। -(আবু দাউদ শরীফ)

?পরনিন্দা ব্যভিচার অপেক্ষাও মারাত্মক গোনাহ। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কিভাবে হতে পারে ? রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন, ব্যভিচার করার পর তওবা করলে তার গোনাহ মাফ হয়ে যায় অথচ গীবত করার পর যার গীবত করা হয়েছে, সে মাফ না করা পযর্ন্ত তার গোনাহ মাফ হয় না। (আল হাদিস)

?মৃত্যু বিনা মূল্যে পাওয়া বস্তু আর পাপাচার হলো বিপদ। দরিদ্রতা হলো শানিত আর ধনী হওয়া হলো শাস্তি। জ্ঞান হলো উপহার এবং মূর্খতা হলো অন্ধকার। অত্যাচার লজ্জাদানকারী আর ইবাদত চোখের প্রশানিত। আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তি আর অত্যধিক হাসি হলো শরীরের জন্য পীড়া। পাপের অনুশোচনাকারী হলো ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে পাপই করেনি। -(আল হাদীস)

?যদি কোন মুসলমানের মৃত্যু হয় এবং তার জানাযায় এমন চল্লিশ জন লোক অংশ নেয় যারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে না, তবে আল্লাহ পাক মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে তাদের সুপারিশ কবুল করেন। (আল হাদিস)

?একজন বয়োজেষ্ট-প্রবীন লোক তার সমপ্রদায়ের মধ্যে এমন, স্বয়ং নবী তার উম্মতের জন্য যেমন। (আল হাদিস)

?রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর সাথে আমরা কথা বলতাম এবং তিনি আমাদের সাথে কথা বলতেন, কিন্তু নামাযের সময় উপস্থিত হলে তিনি যেন আমাদেরকে চিনতেন না এবং আমরাও তাঁকে চিন্তাম না। (আল হাদিস)

?মুসলমান অবস্থায় যার চুল সাদা হয়েছে, কেয়ামতের দিন সেই চুল তার জন্য নূর হবে। (আল হাদিস)

?যে কেউ জুমআর দিনে আশিবার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, আল্লাহ তার আশি বছরের গুলাহ মাফ করে দেবেন। (আল হাদিস)

?বিবেকহীন মানুষ অজ্ঞতার কারণে স্বভাবগত পাপাচারীর চেয়েও বেশী পাপ করে ফেলে। বিবেক মানুষকে সৎপথ প্রদর্শন করে এবং বিনাশ হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখে। কারো বিবেক পূর্ণ না হওয়া পযর্ন্ত তার ঈমান পূর্ণ হয় না এবং দ্বীন যথার্থ হয় না। প্রত্যেক জিনিসেরই একটি ভিত্তি থাকে, ঈমানদারের ভিত্তি হলো তার বিবেক। (আল হাদিস)

?কোনো বান্দা যদি কখনও কোন গুনাহ্‌ করে ফেলে, তবে সে যেন সাথে সাথে অজু করে দু’রাকাত নফল নামায আদায় করে এবং তওবা করে; এতে হয়ত আল্লাহ পাক তার গুনাহ্‌ মাফ করে দেবেন। -(তিরমিযী)

?খবরদার ! কোন পরপুরুষই যেন কোন পরনারীর সহিত একাকী অবস্থান না করে। কারণ, যখনই কোন পুরুষ কোন মহিলার সাথে নির্জনে একত্রিত হয়, তখনই শয়তান হয় তাদের তৃতীয়জন এবং তাদের পিছূ নেয়। (আল হাদিস)

?পরিচছন্নতা ঈমানের অর্ধেক। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি তার অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী কর্ম করে আল্লাহ তখন তাকে সে সব জ্ঞানও শিখিয়ে দেন যা সে শেখেনি। (আল হাদিস)

?যে ব্যক্তি জোহরের ফরজ নামাযের পূর্বে চার রাকাত নামায আদায় করবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যায়। -(আবু দাউদ)

??আজ এখানেই শেষ করছি,সবাই ভালো থাকুন সুস্হ থাকুন আর নিত্য নতুন নতুন ট্রিক্স ও টিপস এবং ইসলামিক পোস্ট পেতে ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।

♥আল্লাহ হাফেজ

Report

About Post: 65

MD Mizan

গরীব হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা দোষের নয়। বরং গরীব হয়ে মৃত্যুবরণ করাটাই দোষের।কারণ সৃষ্টিকর্তা জন্মসূত্রই তোমাকে বিজয়ী করে পাঠিয়েছেন। ব্যর্থ হওয়ার জন্য নয়।

24 responses to “হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মহামূল্যবান বাণী[পার্ট ৬]”

  1. Technical AZ Technical AZ (Contributor) says:

    Thanks…vai apnake.

    onek dhonnobad…asa kori erokom aro video diben….

  2. rafibd3155 (Contributor) says:

    Onek Kisu Janlam.Thank For Share.

  3. Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

    ইসলামিক পোষ্ট করলে পেমেন্ট দেয়া নাও হতে পারে।
    এদিকটা একটু খেয়াল রাখবেন।
    তবে অন্যদের জানানোর জন্য মাঝেমাঝে করতে পারবেন।

    • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

      ভাই তাহলে কি ইসলামিক পোস্ট করব না।তাহলে ইসলামিক ক্যাটাগরি টা বন্ধ করে দেন।
      আর তা না হলে ইসলামিক পোস্টের জন্য অ্যামাউন্ট টা যোগ না করিয়েন।মানে টাকা দিয়েন না ইসলামিক পোস্টের জন্য।

      • Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

        সবার ইসলামিক পোষ্ট করার দরকার নেই।
        কপি পেস্ট সব।
        আপাতত রুবেল করছে এ বিষয়ে।
        আর সব রুল তার জানা আছে।
        সবাই ইসলামিক পোষ্ট করতে শুরু করলে ট্রিকবিডি ইসলামিক বিডি হয়ে যাবে।
        আর ইসলামিক পোষ্টে পেমেন্ট দিলে সবাই কপি করে এগুলোই করবে শুধু।
        ফলে যারা আসলেই কষ্ট করছে,তারা তাদের প্রাপ্য পাবেনা।
        সবদিক বিবেচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          প্লিজ ভাই কিছু মনে করিয়েন।রুবেল ভাইয়ার কি রুল জানা আছে।একটু বললে ভালো হবে জানতাম আমিও,ভাই একটা কথা বলি মনে কিছু নিয়েন না।আমি যে ইসলামিক পোস্ট গুলো করব সেটার অ্যামাউন্ট দেয়ার দরকার নাই ভাই।আমি ইসলামিক পোস্ট এমনিতেই করব।রুল গুলা একটু বলেন প্লিজ আর প্রতিদিন তো আর ৩-৪ টা ইসলামিক পোস্ট করতেছি না ভাই।দিনে ১ টা করি কয়েকদিন পর হয়ত নাও করতে পারি।ভাই প্লিজ রুল গুলো বলেন,আর আমি যেগুলা পোস্ট করি এগুলা কারও কপি করি না।আর ভাই না হলে ব্যান করে দেন আমাকে।

          • Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

            যেমনঃ
            রেফারেন্সসহ প্রতিটি হাদিস/আয়াত দিতে হবে।
            তথ্যসূত্র উল্লেখ করে দিতে হবে।
            এইসব আর কি।
            আপনি নিজেই একটু ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন সব।
            রুবেল আগে থেকেই ইসলামিক পোষ্ট করতো।
            নোটিশ পেয়ে পেয়ে অভিজ্ঞ হয়ে গেছে।

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          ওকে ভাই চেষ্টা করব দেয়ার জন্য কিন্তু ভাই আপনার একটা কথায় খুব মন খারাপ করছি।

          • Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

            নিয়মানুযায়ী এসব কপি পোষ্টের জন্য আপনাকে দেয়া পেমেন্ট বাতিল করা হলো।

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          সার্চ দেয়ার পর পোস্ট গুলো করছিলাম।তাও এরকম কথা ভাই ট্রেইনারের পোস্ট করার মন মানসিকতা এই ভাবে নষ্ট করে দিলেন।ডাইরেক্ট বললেই পারতেন আপনি আর ইসলামিক পোস্ট করিয়েন না।ভাই আমার টাকার দরকার নেই।এত কষ্ট করে ৩-৪ ঘন্টা কষ্ট করে লেখে আপনারা দেন মাএ ৩-১৫ টাকা ইসলামিক পোস্ট এর জন্য দিছেন ৩-৫ টাকা।ভাই এর চেয়ে কামলা দিলেও ৪ ঘন্টায় ১০০-১৫০ পাওয়া যাবে।আগে যখন টাকা দেন নাই তখন পোস্ট করি নাই।এভাবে ভালো ভালো ট্রেইনারদের হারাচ্ছে ট্রিকবিডি।আমি ভালো ট্রেইনার না কিন্তু অনেক ভালো ভালো ট্রেইনার হারাচ্ছেন।ভাই অনেক কিছু যদি খারাফ লাগে আমার কথা গুলো তাহলে পারলে মাফ করে দিয়েন।কারণ ট্রিকবিডিতে ঢুকেই মনটা খারাফ হয়ে গেলো।আর যদি চান তাহলে ব্যান করে দেন।কি বলব আর ভাই বলেন বলার মত কিছুই নেই।??????

    • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

      ভাই কিছু মনে করিয়েন না।কার পোস্ট কপি করছি বলেন হুরকা কপি বললেন।আমি সার্চ দেয়ার পর পোস্ট গুলো করছি আর আপনি বলতেছেন কপি করছি।ভাই দরকার নাই ভাই পেমেন্টের যে কয় টাকা দেন ভাই। ট্রিকবিডির টাকা দিয়ে বড়লোক হতে পারব না।ট্রিকবিডি ভালো লাগে তাই আসি পোস্ট করি।ভালো ভালো মানসম্মত পোস্ট পেলে করি।আর ইসলামিক পোস্ট করি।ইসলামিক পোস্ট করাটাই আমার সব চেয়ে ভূল হয়েছে মনে হয়।আমি তো বলেই দিছি ভাই যে আজকে থেকে কম পোস্ট করব।আর ইসলামিক পোস্টের জন্য টাকা দেয়ার দরকার নাই।

      • Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

        ইসলামিক পোষ্টগুলো কি নিজেই লিখেছেন?
        আমি ওগুলোর কথা উল্লেখ করেছি।
        নোটিফিকেশন চেক করে দেখুন।
        ভুলে যদি নিজের লেখা কোনো পোষ্টের পেমেন্ট বাতিল করা হয়,তাহলে একটু কষ্ট করে আমাদের মেইলে জানান।

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          লাগবে না ভাই মেইল করা।আপনার যদি মনে হয়ে কারও কপি করেছি কপি পোস্ট তাহলে মনে করেন কপি।লাগবে না ভাই টাকার ভাই পারলে আমার আইডি থেকে টাকার আইকন টা সরাই দেন।মানে টাকা লাগবে না ভাই।আজকে থেকে আগের মত ফ্রি পোস্ট করব।

          • Trickbd Support Trickbd Support (Moderator) says:

            ওকে।
            থ্যাংকস ফর ইউর হেল্পফুল মাইন্ড।
            আপনাকে এখন থেকে কোনো এক্সট্রা পেমেন্ট দেয়া হবেনা।
            অটোমেটিক পেমেন্ট সিস্টেমের কারণে হয়তো অটোমেটিকভাবে যাবে।
            কিন্তু ম্যানুয়ালি দেয়া হবেনা।

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          সেটাও বন্ধ করে দেন ভাই।নাহলে পেমেন্ট দেয়া লাগবে।?বন্ধ করে দিলে ফ্রি পোস্ট করব আইকন টা।আর নাহলে দেয়া লাগবে??

        • MD Mizan MD Mizan (Author) says:

          এখন কি মাঝে মাঝে ইসলামিক পোস্ট করতে পারব ভাই।রেফার দিয়ে পোস্ট করব রেফার ছাড়া পোস্ট করব না।আর সব অন্যান্য বিষয় এ পোস্ট বেশি করার চেষ্টা করব।আর আপনাকে মেইল করলে সাথে সাথে রেপ্লে দিবেন ভাই।কারণ যেটা বিষয় পোস্ট করব আপনাকে জানাই পোস্ট করব।যদি আপনি করতে বলেন তাহলে করব না হলে করব না।আর তা সম্ভব না হলে ভাই পরে কপি কপি বলে চিল্লাবেন না।

  4. Abdus salam Abdus salam (Contributor) says:

    আলহামদুলিল্লাহ্ । ভালো পোস্ট

  5. AR Robin (Contributor) says:

    support team er kothar valo e reply dilen…
    Anyway nice post

Leave a Reply