গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়?

বর্তমান অনলাইনের জগতে আমরা প্রায়ই অনেকেই গুগল এডসেন্স নামটি শুনে থাকি। বিশেষ করে যারা মূলত অনলাইনে ইউটিউবিং কিংবা ব্লগিং করি তাদের জন্য অবশ্যই গুগল এডসেন্স নামটি সোনা আবশ্যকীয় প্রয়োজন। কেননা গুগোল থেকে যে টাকা ইনকাম করতে হয় সেটা মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।

আর এই বিজ্ঞাপন আপনি গুগল এডসেন্স থেকেই আপনার প্লাটফর্মে মাধ্যমে প্রচার করে থাকেন। মূলত সেখান থেকে আপনার টাকা ইনকাম হয়ে থাকে এবং গুগল নিজেই সেখান থেকে আপনার ব্যাংকে টাকা গুলো টান্সফার করে দেয়। অনেক সময় আমরা গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ পাইনা। হতে পারে সেটা নিজের ভুল অথবা গুগল এডসেন্স এর প্রাইভেসি পলিসি সমস্যা।

তাই আজকের এই আর্টিকেলের আমরা মূলত গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার উপায় সম্পর্কে নিয়ে আলোচনা করব। অনেকেই ব্লগিং জগতে কিংবা ইউটিউব এর জগতে আসতে চাই কিন্তু অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ না হয় নিজেকে ব্যর্থ মনে করে। চলুন বন্ধুরা বিশেষ করে আমাদের ভুল ত্রুটি এবং না পাওয়ার কয়েকটি বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

এবং সেগুলো ভালোভাবে বুঝে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে কাজকর্মগুলো আপনার প্লাটফর্মে করে গুগল এডসেন্স সহজে অ্যাপ্রুভ পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে আমি আপনাদেরকে দশটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করব, আর আজকের এই আর্টিকেলের সাধারণত পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে কথা বলবো। এবং বাকিগুলো আশা করি আগামীতে পরবর্তী আর্টিকেল পাবলিশ করব।

একটু ধৈর্য এবং মন দিয়ে এই পাঁচটি পয়েন্ট অন্তত আজকে শিখে সঠিক কাজটি আপনার প্লাটফর্মে করাতে পারলে অবশ্যই অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ হবে। যদিও আর্টিকেলে শুরুতে হয়তো অনেকে বিরক্ত হয়ে যেতে পারেন একটু বেশি কথা বলে ফেললাম তাইনা! চলুন এবার কথা না বাড়িয়ে মূল পয়েন্টে ফিরে আসা যাক।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য সাধারণত?

আমি মনে করি গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য কমপক্ষে দশটি বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরী। এবং এই দশটি পয়েন্ট আমরা বিস্তারিত না হলেও সংক্ষিপ্ত আকারে জানার চেষ্টা করব। তবে আজকে এখানে আমরা মাত্র পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে কথা বললেও সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এবং বাকি পাঁচটি পয়েন্ট অবশ্যই পরবর্তীতে পাবলিশ করা হবে কিন্তু আজকের এই পাঁচটি পয়েন্ট অবশ্যই মন দিয়ে পড়বেন। যেহেতু গুগল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম এবং এর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। দিন যত যাচ্ছে ততই গুগলের প্লাটফর্ম গুলো কঠোর হচ্ছে তাই অবশ্যই আপনাকেও ভেবেচিন্তে ধাপে ধাপে কাজ গুলো করতে হবে।

আগের নীতিমালা প্রাইভেসি পলিসি গুলো এখন এগুলো কাজে খুব একটা বেশি লাগবে না। আগের নিয়ম-নীতিগুলো আরো বর্তমান সময়ে কঠোর হওয়ায় গুগোল আরো বেশি সতর্ক হয়ে গিয়েছে, সুতরাং গুগলের সাথে পার্টনারশিপ করতে হলে যে কেউ পারবেনা। ধৈর্য পরিশ্রম এবং সততা নিয়ে আপনাকে এ জগতে আসতে হবে। তা না হলে আপনি এ সফলতা অর্জন করতে ব্যর্থ হবেন। চলুন পাঁচটি পয়েন্ট এবার আমরা জেনে আসি।

০১। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য, কাষ্টম ডোমেইন!

এডসেন্স পাওয়ার জন্য ডোমেইন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অধিকাংশ নতুন ব্লগার তাদের ব্লগে সাব-ডোমেইন (Blogspot.com) ব্যবহার করে গুগল এডসেন্স পাওয়অর জন্য আবেদন করেন। যার ফলে দেখা গুগল তাদের আবেদন সরাসরি নাকুচ করে দেয়। এক সময় ছিল যখন Sub-Domain দিয়েও খুব সহজে AdSense অনুমোদন করা যেত, কিন্তু সম্প্রতি এ বিষয়টি খুব বেশী কঠিন হয়ে গেছে।

কাজেই বিষয়টি সহজ করার জন্য প্রথমে একটি Custom Domain কিনে নিতে হবে। আর ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কাজ করলে আপনার তো অবশ্যই হোস্টিং এবং ডোমেইন কিনে কাজ শুরু করতে হবে। দেখুন আপনি ওয়েবসাইটে যত সুন্দরভাবে কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন ততই আপনার অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তাই এমনভাবে আপনার একটি ডোমেইন নাম পছন্দ করবেন যেন সহজেই কেউ একবার দেখার সঙ্গে সঙ্গে আরেকবার ভাবনা হয় আসার জন্য। তাই ভালো একটি কাস্টম জমিন কিনে নিতে হবে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য। যত প্রফেশনাল এটি আপনার ওয়েবসাইটের নাম থাকবে এবং দেখতে সুন্দর ততই আপনার এডসেন্স একাউন্ট অ্যাপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

০২। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য ব্লগের বয়স!

এডসেন্স পাওয়ার জন্য ব্লগের বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এডসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করার আগে আপনার ডোমেইনের বয়স কমপক্ষে ২/৩ মাস হতে হবে। তবে ডোমেইনের বয়স ৬ মাস হওয়ার পর AdSense এর আবেদন করাটা সবচেয়ে ভাল। তাছাড়া এশিয়ার বেশ কিছু দেশ রয়েছে যাদের ক্ষেত্রে ব্লগের বয়স ৬ মাস না হওয়া পর্যন্ত এডসেন্স পাওয়ার আবেদন করার সুযোগই পাওয়া যায় না।

তাছাড়া অন্যান্য দেশে একেক রকম নিয়ম-নীতি বিদ্যমান করা রয়েছে গুগলে। সুতরাং আমাদের গুগল এডসেন্স আবেদন করার পূর্বে ডোমেইনের বয়সটা যত বেশি হবে ততই ভালো। কিন্তু বর্তমান সময়ের দেখা যাচ্ছে যে একমাস না হতেই অনেকের অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল হয়ে যায়। আপনি চাইলেই এক মাসের ভিতরে অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভে নিতে পারেন তবে সেটা কঠোরতা এবং কষ্ট আপনার পোহাতে হবে।

তার কারণ এক মাসের ভিতরে আপনার ওয়েব সাইটের সকল কাজকর্ম নির্ভুলভাবে কমপ্লিট করা এবং পোস্ট নিজের ইউনিক ভাবে কন্টেন পাবলিশ করা। একটু সময় সাপেক্ষে হলে গুগোল এটাকে প্রাধান্য দিবে। অন্যদিকে গুগোল যে কারো কাছেই এডসেন্স দিয়ে দিবে তবে শর্ত হলো সে যেন তাদের বিজ্ঞাপন গুলো সঠিক লোকের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। তাই যতক্ষণ পেরসনালিটি আপনার ওয়েবসাইটে পাবে ততোই সম্ভাবনা থাকবে এডসেন্স পাওয়ার।

০৩। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য ব্লগ ডিজাইন!

ব্লগের থিম অবশ্যই User Friendly এবং দেখতে আকর্ষণীয় হতে হবে। পাঠকরা যাতে সহজে যে কোন ধরনের বা সাইজের ডিভাইস থেকে ব্লগের আর্টিকেল সহজে পড়তে পারে। তাছাড়া আপনার ব্লগটির Loading Speed অবশ্যই ভাল হতে হবে। তা না হলে Slow গতীর ব্লগে কোনভাবেই আশানুরূপ ভিজিটর পাবেন না। এটা আপনার এডসেন্স পেতে বাধা তৈরি করবে।

হ্যাঁ বন্ধুরা বিষয়টি অনেকে আমরা গুরুত্ব দিই না কিন্তু অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল জন্য ডিজাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যত সুন্দর নির্ভুল প্রফেশনাল এটি আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন থাকবে ততই গুগোল সেটাকে প্রাধান্য বেশি দিবেন। অন্যদিকে আপনার যারা ভিজিটর তাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করতে কোন সমস্যা হবে না তারা বেশী বেশী কিছু করবে।

তাই আর চেঞ্জ পাওয়ার জন্য এই বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করবেন। অন্যান্য বিষয়ে গুরুত্ব দিবেন তবে এদিকে যত বেশি দিবেন অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের ডিজাইন কাস্টমাইজেশন তবে অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

কিছু নতুনত্ব অন্যরকম মানুষের প্রয়োজনীয় এবং আপনি একজন এমন প্ল্যাটফর্মার যা দেখে যে কেউ যেন বুঝতে পারে। যে আপনি আপনার ব্লগ সাইটটি মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য তৈরি করেছেন। বন্ধুরা বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না কারণ অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আপনার অবশ্য ব্লগ সাইট কিংবা প্ল্যাটফর্মের ডিজাইন সুন্দর নির্ভুলভাবে ডিজাইন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক টি পয়েন্ট

০৪। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ব্লগ!

ব্লকের প্রতিটি কাঠামো দেখতে সুন্দর এবং গুগল সার্চ ইঞ্জিনে এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগ যত বেশি দেখতে ভাল। ততোই কিন্তু গুগোল সেটাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে, কারণ আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন গুলো কাজে লাগাতে যাচ্ছেন প্রচার করতে চাচ্ছেন। যেন এটি মানুষের প্রয়োজন ও উপযোগী মনে হয় এরকম সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ব্লগ তৈরি করার যথাসম্ভব দিয়ে চেষ্টা করবেন।

আপনার ব্লগের থিম ও প্রত্যেকটি পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিন Friendly হতে হবে। এটি যে কোন ব্লগকে দ্রুত এডসেন্স অনুমোদন পেতে সাহায্য করবে। তাছাড়া হগুগল এডসেন্স এর Robot রয়েছে, যেটি আপনার ব্লগকে স্ক্যান করে নেবে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের প্রত্যেকটি পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিন Friendly না হলে AdSense অনুমোদন করবে না। তাহলে অবশ্যই অন পেজ এসইও এর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

অনপেজ এসইও এর দিক যত গুরুত্ব দিবেন ততই আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার দোয়াকে সাইট কিংবা প্লাটফর্ম কি কতটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ফ্যাক্টর। নিজের পরিশ্রম ধৈর্য অসততা দিয়ে আপনার ব্লগ সাইটটি গুগলের কাছে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য এ বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও চলবে না। যদি আপনি সত্যি গুগল এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

০৫। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত আর্টিকেল!

অনেক সময় আমরা দ্রুত টাকা ইনকাম করার জন্য কিছু আর্টিকেল পাবলিশ করে এই গুগলের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু মোটেও এই বিষয়টি কিন্তু একেবারেই সহজ নয় আপনার নিয়ম নীতি এবং পর্যাপ্ত আর্টিকেল যদি ব্লগ সাইটে না থাকে কিংবা আপনার প্লাটফর্মে না থাকে তাহলে। আপনার কিন্তু মোটেও তেমন একটি লাভ হবে বলে আমি মনে করি না।

একটা কথা মনে রাখবেন সবকিছুর মূলেই হচ্ছে ব্লগের আর্টিকেল। আপনার ব্লগে যত ভালমানের Content থাকবে তত বেশি ভিজিটর পাবেন। কাজেই নিয়মিত ভালমানের কনটেন্ট শেয়ার করতে হবে। গুগল এডসেন্স পাওয়ার আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ২০/২৫ টি ভালমানের ইউনিক পোষ্ট থাকতে হবে। ব্লগের প্রত্যেকটি Categories এ কমপক্ষে ৫ টি করে পোষ্ট হতে হবে।

বিষয়টি আপনারা যদি একটু ধৈর্য সহকারে বুঝে থাকেন তাহলে এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। আপনার আর্টিকেল ব্লগ সাইটে কমপক্ষে কতটি করে রাখা জরুরি। কমপক্ষে আপনি যদি ত্রিশটা আর্টিকেল প্রতিটা আর্টিকেলে 1000 শব্দ করে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে গুগোল সেটাকে এপ্রুভ করার উপযোগী মনে করবে।

যত বেশি শব্দ একই আর্টিকেলে আপনি বা কনটেন্টে পাবলিশ করার চেষ্টায় চেষ্টিত থাকবেন, ততই অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। অন্যদিকে সম্পূর্ণ ইউনিক নিজের তৈরি আর্টিকেল তৈরি করার যথাসম্ভব হতে চেষ্টা করবেন। একটু এর জন্য আপনার এডসেন্স পাওয়া অসম্ভব তাই বিষয়টি এড়িয়ে চললে আপনার ক্ষতি হবে।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য করণীয় শেষ কথা?

প্রিয় বন্ধুরা, আপনার ইচ্ছা যদি থাকে গুগল এডসেন্স কাজ করা তাহলে অবশ্যই উপরোক্ত বিষয়গুলো মন দিয়ে। ধৈর্যসহকারে আপনার প্লাটফর্মে যত সম্ভব হতো কাজ করার চেষ্টা করুন। এবং পরিশ্রমী হয়ে যায় কারণ পরিশ্রম সততা এবং ধৈর্য ব্যতীত সফলতা অর্জন করা একেবারেই বোকামি।

এই আর্টিকেলটি সর্বপ্রথম এই ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা হয় ShopTips24.Com

খুব শীঘ্রই গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য করণীয় আরো পাঁচটি বিষয় যেগুলো খুবই প্রয়োজন। সেগুলো আপনাদের কাছে খুব শীঘ্রই পাবলিশ করা হবে। তবে শর্ট করে আপনাদের প্রথমত এই বিষয়ে পাঁচটি ধৈর্য্যসহকারে কাজ করে এগিয়ে যান। নিচের ধৈর্য পরিশ্রম ব্যতীত কোন কাজই সম্ভব হবে না। আশা করি আপনারা উপরোক্ত পয়েন্টগুলো ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম হয়েছেন।

সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার উপায় আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবেন। আজকের এই প্রথম আর্টিকেলটি এ পর্যন্তই আশা করি আবার পরবর্তীতে আর্টিকেল এর মূল পাঁচটি শেষ অংশ খুব শীঘ্রই পাবলিশ করা হবে। আজকের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

3 thoughts on "গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়?"

  1. Levi Author says:
    ১মাস হয়নি তবু অ্যাডসেন্স পেয়েছি।আর আমার সাইটের কোনো আর্টিকেল ই ১০০০ শব্দের না।🥴🥴
  2. Shaon Author says:
    ভুল তথ্য ছড়ানো বাদ দেন। আর আপনি একটা ডোমেইন থেকে এতো ব্যাকলিঙ্ক না নিয়া অন্যান্য ডোমেইন থেকেও নেন, কাজে দিবে।
    1. Md Mahamudul Hasan Contributor Post Creator says:
      No need my any blacklink

Leave a Reply