আসসালামু আলাইকুম ও আদাব

    আপনারা সকলে কেমন আছেন?

আশা করি ভালোই আছেন।কেউ ভালো না থাকলে আমাদের সাইট কেউ ভিজিট করে না।
আপনাদের দোয়ায় আমিও
ভাল আছি।

আমি আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটা পোষ্ট নিয়ে।যার মাধ্যমে আমরা নতুন কিছু শিখবো।

    একটা কথাঃ

আমি একজন মানুষ আর
মানুষ মাত্রই ভুল আমার যদি
ভুল হয় তাহলে কেউ খারাপ
কমেন্ট করবেন না।আর যদি
পারেন তাহলে কমেন্টে ভুলটা
দেখিয়ে দিবেন।তাহলে আমি
ভুলটা সংশধনের চেষ্টা করব।
আর যদি পোষ্টটা পড়ে যদি
একটুও উপকৃত হন তাহলে
একটা কমেন্ট ও একটা লাইক
দিয়ে যাবেন।
আচ্ছা, যাই হোক টাইটেল
দেখেত নিশ্চয়ই বুঝে
গেছেন যে,আজ কি বিষয়
নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি?
চলুন শুরু করা যাক।

    আজকের পোষ্টঃ

আজ আমি আপনাদের বিজ্ঞানের
এক যুগান্তকারি আবিষ্কার সম্পর্কে
যানাবো।যা শুনলে আপনি হয়তো
একটু অবাক হবেন।আজ আমরা
যানবো “সাইবর্গ” সম্পর্ক যানবো।
কি বুজলেন না তো? আপনি
সাইবর্গ আবার কি? তো বলি
সাইবর্গ হলো আধা মানুষ-আধা
যন্ত্র মানে রোবো মানব।
তো জানা যাক এর ইতিহাস
সম্পর্কে!

সাইবর্গ এর ইতিহাসঃ

“Cybernatic Organism”শব্দদ্বয়ের
সম্মিলনে হয়েছে “Cyborg” শব্দটি।
সাইবর্গ বলতে বোঝায় এমন এক
সত্তা যার মধ্যে নিজের প্রাকৃতিক
শক্তি ছাড়াও রয়েছে রোবোটিক
শক্তি।এতে তার নিজের ক্ষমতা
প্রযুক্তি ছোয়ায় অনেক বেশি।

এর মানে সাইবর্গ মানে
মানব শক্তির সাথে প্রযুক্তির
মেলবন্ধন।এই প্রযুক্তি আজকের
দিনে হয়েছে অনেক জনপ্রিয়।
বিষজ্ঞদের মতে এটি মানবজাতির
বিবর্তমানে বিশেষ ভুমিকা রাখবে।
সেই সাথে প্রযুক্তির মাধ্যমে শুধু
যন্ত্র নয়,প্রায় সবকিছুই নিয়ন্ত্রন
করা যাবে।
তো এটাই ছিল ইতিহাস।
আমরা হয়তো সিনেমাতে এসব
দেখে থাকি যে অর্ধেক-মানব।
কিন্তূ তা এখন কাহিনি নয় সত্তি।
অনেকই এই চরিত্রে অভিনয়
করে পেয়েছেন জনপ্রিয়তা।
ম্যানফ্রেড ক্লাইনেস ও
নাথান ক্লেইন ১৯৬০সালে
প্রথম এই বিষয়ের ধারনা দেন।
কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায়
তা এখন ধারনাতেই নেই।বাস্তবতায়
রূপ নিয়েছে।

কেভিন ওয়ারউইক

আজ যার সম্পর্কে বলব সে
নিজেই নিজের সাইবর্গ কারিগর
নিজেই নিজেকে সাইবর্গ বানিয়েছেন
এই সাইবর্গ ক্যাপ্টেন।তাকে সাইবর্গ
ক্যাপ্টেন বলা হয়।তিনি সকল
সাইবর্গ থেকে সেরা।তার নাম
“কেভিন ওয়ারউইক”।তিনি
ইউনিভার্সি অব রিডিং এর একজন
সফল প্রফেসর।তিনি ছাড়া অন্য
সাইবর্গরা নিজেদের সম্পুর্ন করতে
ও অসুবিধা দূর করতে এই খাতায়
নাম লিখিয়েছেন কিন্তু ইনি তার
ব্যাতিক্রম।তিনি নিজেই তৈরি
করেছেন অনেক শরীরে স্থাপন
যোগ্য মাইক্রচিপ যা শরীরের
অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারে।
আবার তিনি সেই মাইক্রচিপগুলো
নিজের উপরেই পরিক্ষা করেছেন।
প্রথম ১৯৯৮ থেকে দীর্ঘ সময়
তিনি এ পরিক্ষা চালান।তিনি
সফলও হন এ পরিক্ষায়।তিনি
তার বাহুতে এমন এক চিপ
লাগিয়েছেন যা দিয়ে তিনি
তার ঘরের লাইট,ফ্যান,টিভি
সহ অনান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি
নিয়ন্ত্রন করতে পারেন।এভাবেই
তিনি হয়ে ওঠেন “সাইবর্গ ক্যাপ্টেন”।

নিল হারবিসন

আজ যার সম্পর্কে বলব সে
এমন একজন সাইবর্গ যিনি বিশ্বে
প্রথম স্বীকৃত সাইবর্গ।হ্যাঁ “নিল
হারবিসন”বিশ্বের প্রথম আইন

স্বীকৃত সাইবর্গ।তবে তিনি একটু
আলাদা।তিনি কোনো যান্ত্রিক রোবট
নন।৩২ বছরের এই সাইবর্গ তার
জন্ম থেকেই বর্ণান্ধ।বর্ণান্ধ মানে
বুজলেন না।আসুন বুঝিয়ে বলি,
বর্ণান্ধ তারা যারা বুজতে পারেন
কোন জিনিসের কি রং।বুজলেন
মানে লাল,নীল,সাদা এসব
কিছুই বুজতে পারেন না।
এই সাইবর্গ প্রযুক্তিই তাকে
এই শারিরীক সীমাবদ্ধতা
থেকে মুক্তি দিয়েছে।তার মাথার
খুলিতে অপারেশনের মাধ্যমে
বসানো হয়েছে একটি অন্টেনা
যেটির মাধ্যমে তার কানে
পৌছে যায় কোন পদার্থের
কোন রং।২০০৪ সালে তার
মাথায় এ অ্যান্টেনা বসানো
হয়।মন্টানডন পাঁচ কিলো
ওজনের এই কম্পিউটার যুক্ত
অ্যান্টেনা বানিয়ে দেন।ঐ
অ্যান্টেনা ৩৬০টি ভিন্ন শব্দ-
তরঙ্গের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন
রংয়ের অনুবাদ করে। আর
এর মাধ্যমেই তিনি হেডফোন
দিয়ে ঐ তরঙ্গ শুনে তিনি
বোঝার চেষ্টা করেন কোনটার
কি রং!
……..

তাহলে আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা হবে অন্য কোনো ট্রিকে।

Contact Me On Facebook

.
জাভা,এনড্রইড ও ওয়াপকিজ এর সকল টিপস পেতে আমাদের পেজে লাইক দিন।
ভিজিট করতে নিচে ক্লিক করুন।
Java-Android Tips And Wapkiz Help
নতুন নতুন জাভা গেম ও ওয়াপকিজ কোড পেতে পেতে চাইলে আমার সাইট ভিজিট
করতে পারেনঃ NkBD.Tk
আবারও বলছি কোনো ভুল হলে কমেন্টে যানাবেন
আর হ্যাঁ আপনার সময় থাকলে পোষ্টে একটা কম্মেন্ট ও লাইক করে যাবেন।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আমাদের সাথেই থাকুন।

    খোদা হাফেজ

8 thoughts on "বিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। আমাদের সবার জানা উচিত!!!"

  1. MD Shakib Hasan MD Shakib Hasan Author says:
    Good Post


    1. Md Nabid Islam Nabid Islam Author Post Creator says:
      Thanks,,, ami aj author holam,,,bro
  2. MD Shakib Hasan MD Shakib Hasan Author says:
    Author হলেন সমস্যা কি
    1. Md Nabid Islam Nabid Islam Author Post Creator says:
      amni bollam,,apake akber bolchelam,,apni bolchilen je post kro,,post kre aply krlam to author dilo na,,finaly aber holam
    1. Md Nabid Islam Nabid Islam Author Post Creator says:
      Tnx
    1. Md Nabid Islam Nabid Islam Author Post Creator says:
      Tnx

Leave a Reply