আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাদেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের প্রধান সদর দপ্তরে ফ্ল্যাগশিপ আইফোনের নতুন মডেল ‘আইফোন ১১’ উন্মুক্ত করা হবে। সেই সঙ্গে অবসান হবে প্রযুক্তি বাজারে ডালপালা মেলা সব ধরনের গুঞ্জনের।

আইফোনপ্রেমীরা এরইমধ্যে নতুন মডেলের অনেক তথ্য জেনেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এবারের মডেলে অ্যাপল তিন ক্যামেরার সন্নিবেশ ঘটিয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে ‘ফাঁস’ হওয়া তথ্যটিও এর ব্যবহারকারীদের কাছে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ প্রযুক্তি বাজারে যত নতুনত্বই আসুক না কেন, তা নিজের করে নিতে প্রয়োজন ‘অর্থ’। আর ফাঁস হওয়া তথ্যটি সেটিরই জানান দিচ্ছে।

এদিকে প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এবারও গত বছরের ধারাবাহিকতায় আইফোনের তিনটি মডেল আসবে। মডেলগুলো হলো- আইফোন ১১, আইফোন ১১ প্রো ও আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্স। ফাঁস হওয়া এ সংক্রান্ত একটি ছবিও এর সত্যতার জানান দিচ্ছে।

জানা যায়, এলসিডি ডিসপ্লের আইফোন ১১’র মূল্য হতে পারে ৭৪৯ ডলার থেকে ৮৯৯ ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ৬৪ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য ৭৪৯ ডলার, ১২৮ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য ৭৯৯ ডলার, আর ২৫৬ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য ৮৯৯ ডলার (১ ডলার সমান ৮৪ টাকা)। তবে কবে নাগাদ ফোনটি বাজারে পাওয়া যাবে সে তথ্য পাওয়া যায়নি।


ছড়িয়ে পড়া মূল্য তালিকা৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি পর্দার ওএলইডি ডিসপ্লের ‘আইফোন ১১ প্রো’র মূল্য নির্ধারণ করা হতে পারে ৯৯৯ ডলার থেকে ১১৯৯ ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ১২৮ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য ৯৯৯ ডলার, ২৫৬ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য এক হাজার ৯৯ ডলার, আর ৫১২ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য এক হাজার ১৯৯ ডলার। যা বাজারে আসার সম্ভাব্য তারিখ রয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)।
আর ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় ওএলইডি ডিসপ্লের ‘আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্স’র মূল্য হতে পারে এক হাজার ৯৯ ডলার থেকে এক হাজার দুইশ ৯৯ ডলার পর্যন্ত। এর মধ্যে ১২৮ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য এক হাজার ৯৯ ডলার, ২৫৬ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য এক হাজার একশ ৯৯ ডলার, আর ৫১২ গিগাবাইটের ফোনের মূল্য এক হাজার দুইশ ৯৯ ডলার। এই ফোনটিও বাজারে আসার সম্ভাব্য তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর।

মঙ্গলবারের (১০ সেপ্টেম্বর) ইভেন্টে অ্যাপল তার আরো কিছু প্রযুক্তিপণ্য উন্মুক্ত করবে। যার মধ্যে রয়েছে অ্যাপল ওয়াচ এস৫, এয়ার পড, এয়ার পাওয়ার। এখন শুধু গুঞ্জন অবসানের অপেক্ষা।

One thought on "আইফোন ১১’র মূল্য হবে কতো?"

Leave a Reply