Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক
ভাবোদয়
ট্রেসী ক্যাথরিনা ডি’রোজারিও
এস এফ এক্স গ্রীণহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
Head of Linguistic department, Alate
বিষণ্ণতা। একটি অতি ভুল বোঝা এবং ভুল ব্যাবহৃত শব্দ, কিন্তু আপনি জানলে
অবাক হবেন কত মানুষ এতে ভোগে। বিষণ্নতা শুধু দুঃখ নয়। বিষণ্নতা একটি
মানসিক রোগ। বিষণ্নতা হল যখন আপনার শ্বাস আটকে আসছে কিন্তু আপনার
আসে পাশের মানুষজনের শ্বাস-প্রশ্বাস একই আছে। কথায় বলে না, কারও পৌষ
সেটা
মাস, কারও সর্বনাশ। অর্থাৎ আপনার কাছে যেটা খুব একটা বড় কিছু না,
অন্যের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু তাই বলে এই না যে আপনি বা
অন্য কেউ কারো কষ্টকে ছোট করে দেখবেন। আমার নাম রুবি, এবং গত ৩
বছর যাবত আমি বিষণ্নতায় ভুগছি। শুনে হয়ত মনে হতে পারে, ৩ বছর অনেক,
কিন্তু আদতে অনেকেই আছেন যারা আরও অনেক সময় থেকে ভুগছেন।
আমার দাদু স্বর্গলোকে গমন করেন ২০১৬ সনের ১লা জানুয়ারীর ৪ দিন পর।
জীবনে হয়ত তখনই প্রথমবার আমি কোন বড় ক্ষতির সম্মুখীন হই। সে বছর উনি
আমায় কথা দিয়েছিলেন, ভালোবাসা দিবসের দিন আমাকে বাইরে নিয়ে যাবেন,
এবং আমাকে দেখাবেন আমার কী ধরনের আচরণ আশা করা উচিৎ। তিনি
সবসময় বলতেন, ‘সবচেয়ে সেরাটাই তোমার প্রাপ্য, খুশি বাদে আর কিছুই না। | আমি চাই তুমি জানো খুশিটা আসলে কেমন, যাতে তুমি যখন আরেকটু বড়।
জীবনে
হবে, তুমি তোমার যা প্রাপ্য তার থেকে কম কিছুই মেনে নেবে না।’
তখন হয়ত কথাগুলির মর্ম আমি বুঝিনি। আমার ১২ বৎসর বয়সী মস্তিষ্ক এই
| নিয়েই সন্তুষ্ট ছিল যে দাদু আমাকে বাইরে খেতে নিয়ে যাবে। বিস্ময়ে আশায়
আমার চোখ দুটো বড় হয়ে গেল, কল্পনা করতে লাগলাম ১৪ তারিখে আমার জন্য
কী ধরনের বিশেষ উপহার অপেক্ষা করছে। কিন্তু সাধে কী বলা হয়,
যেমন খারাপ সময়গুলো বেশীদিন থাকে না, ভালো সময়গুলোও থাকে না । সকল
পরিকল্পনা ব্যর্থ ঠেকল, আমার আশাগুলোও ভেঙে গেল, যখন একদিন সকালে
উনার মৃত্যুসংবাদ শুনি। আমার গড়া পৃথিবীটা দাফন হলো আমার দাদুর সাথে,
এবং তার সাথে দাফন হল আমার উদারতাও। আমি পরিণত হলাম এমন কিছুতে
যাকে আমি ঘৃণা করি, যা আমার দাদুর সকল আদর্শের বিপরীত। আমার ক্লাসের
বন্ধুদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে লাগলাম এবং নকল কৃতজ্ঞতা দেখাতে
লাগলাম, শুধুমাত্র নিজের স্বার্থ অর্জনের লক্ষ্যে। আমি ভাবতাম আমার জীবন
একটা সিনেমা, আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু ঘটলেই আমি জেদ ধরতাম, বিশেষ
করে আমার মা বাবার কাছে। দাদু যা বলতেন তাতে আমি আর বিশ্বাস করতাম
না কারণ, যদি সেরাটাই শুধু আমার প্রাপ্য হয়, উনি কেন চলে গেলেন?
এসবের ফল ভোগ করতেও বেশীদিন লাগল না। আমি আমার সব বন্ধুদের
হারালাম, এমন বন্ধু যারা আমার সাথে অনেক ছোটবেলা থেকে আছে। সত্যি
বলতে, তারা আমার পাশে ছিল না। আমরা এতটাই ছোট ছিলাম, আমরা
জানতাম না সত্যিকার বন্ধু কী। কিছু হারালে মানুষ আসলেই বদলায়, আমি তো
নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছিলাম।
আমি একা থাকার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। মনে হতো যেন সবাই আমাকে মরার
জন্য ছেড়ে রেখে যাচ্ছে। কেউ কেউ বলত তারা আমাকে ঘৃণা করে। অন্যরা
বলত আমার মানসিক অবস্থা ঠিক নেই। আমি জানতাম না এসব কেমন করে
উপেক্ষা করতে হয়। আমি জানতাম না কেমন করে নিজেকে ভালোবাসতে হয়।
আমি এটাও বুঝতাম না, আমার কাজে ভুল কোথায়। তাই আমি বিশ্বাস করতে
শুরু করলাম, সমস্যা নিশ্চয়ই আমারি। যেহেতু সবাই আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে,
তাই ই হওয়ার কথা। আর এই কথা আমাকে ভিতর থেকে খেয়ে ফেলত। কেন
কেউ আমাকে চায় না? প্রত্যেক দিন নিজেকে জিজ্ঞেস করতাম। শুরুতে,
একমাত্র পেয়েছি একাকীত্ব, আস্তে আস্তে সেটা পরিণত হল আত্মহত্যা প্রবণতার
দিকে। আমি নিজের মধ্যে একটা শূন্যতা অনুভব করতাম। ক্লাস ৭ এ আসে
প্রথমবার আমি এমন এক কক্ষে প্রবেশ করলাম যেখানে আমার অস্তিত্বের কোন
দাম নেই। শুনলাম, কিছু নতুন ছাত্র-ছাত্রী আসছে, ভাবলাম, এদেরকে একটু বন্ধু | বানানো যাক, আমি বাদে সবারই তো নিজেদের একটা বন্ধু জগৎ আছে।
দেখতেই পাচ্ছেন, ততদিন এ আমি ভেবেই নিয়েছিলাম আমার অস্তিত্বের দাম
নেই । আমার বান্ধবী বলতে একটা মেয়ে ছিল শুধু, কিন্তু আমি বুঝতাম যে সে
অন্যদের সাথে আমার পিছে আমাকে নিয়ে কথা বলে। আমাকে নিয়ে হাসাহাসি
করে। আমি বিষণ্ন ছিলাম, বোকা নয়। হয়ত সে আমার সাথে থাকত কারণ সে
আমার জন্য সহানুভূতি অনুভব করত, বা হয়ত কারণ সে আমাকে নিয়ে কথা
বানিয়ে অন্যদের বলে তাদের ভালোবাসা অর্জন করতে চাইত। আমি আসলে
জানি না। এবং আমি আজ ও বুঝতে অক্ষম তারা আমার মত একজন
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মানুষকে নিয়ে ঠাট্টা করে কী পেত, কিন্তু তাও হয়ত তারাও
একাকিত্বে ভুগতো এবং শুধুমাত্র সমাজে নিজের জায়গা করে নেয়ার জন্যে এমন
করত। হয়ত, এ ছাড়া তারাও আমার মতই একজন অকেজ বাইরের লোক হয়েই
থাকত ৷
কিন্তু আমার সেই বাল্যকালের বন্ধুদের কিছু মানুষের সঙ্গে আমার আবার বন্ধুত্ব
হয়ে যায় কালক্রমে। কেন জানতে চান? কারণ আমার মনে হয়, ভালো মনের
মানুষের এই একটা দুর্বলতা। তারা মানুষের জন্য অজুহাত তৈরি করে যখন তারা
নিজেদের কাজকর্ম কে বোঝাতে অক্ষম। “ব্যস্ত আছি” কথা তা তাদের অভিধানে
নেই। তারা সবসময় সময় করে নেয় অন্যদের জন্য। আর আপনারা ভাবেন তারা
কেন সবচেয়ে নরম স্বভাবের হয়। আপনারা প্রশ্ন করেন কেন তারা এতটা
সহানুভূতিশীল। কেন তারা কোন শর্ত ছাড়াই নিজেদেরকে বলি দিতে রাজি হয়,
কিছু ফেরত পাবার আশা ছাড়াই। এর কারণ এই যে তারা আপনাদের
ভালোবাসার জন্য খাটতে দেখতে চায় না। তারা মেনে নেয় যতটুক ভালোবাসা
তারা ভাবে তারা অর্জন করেছে, আর আপনারা চেয়ে নেন যতটুক ভালোবাসা
আপনার ধারণা আপনার পাওনা। জেনে রাখবেন, সেইদিনকে ভয় পাওয়া উচিৎ
যেদিন একটা ভালো মন আপনার উপর আস্থা হারায়। আমাদের আকাশ এত
সহজে ধূসর হয় না। আমাদের রোদ এত সহজে কোন কারণ ছাড়া আঁধারকে
ছাইতে দেয় না। কারো মন শক্ত হয় না, যদি না সেটা কিছুক্ষণের জন্য তেমন
আচরণের সম্মুখীন হয়।
ক্লাস ৮ এ থাকাকালীন ইন্ডিয়াতে APSI নামক একটা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার
জন্য আমাকে নির্বাচন করা হয়। এটা ছিল একটি বছরব্যাপি অনুষ্ঠান, তাই
আমাদের ভারতে থাকতে হয়েছিল জানুয়ারীতে ২ সপ্তাহ এবং ডিসেম্বরে ৫ দিন।
একা ভ্রমণ করার কথা ছিল আমাদের, শুধুমাত্র একজন শিক্ষককে সাথে রেখে।
আমি শেষমেশ একটু স্বাভাবিক এ ফিরে আসি। যদিও খুব একটা না, তাও
কিছুটা। আমার জন্য যথেষ্ট। আমার আত্মহত্যা প্রবণতা কমে এসেছিল। আমি নিজেকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে সুস্থ অনুভব করতে লাগি। এবং আমার
| কর্মেও তা দেখা দেয়, আমাকে ঘোষণা করা হয় সেরা বক্তৃতা দাতাদের মধ্যে
একজন। কিন্তু সব ধ্বংস হয়ে গেল যখন আমি প্রথমবার ওকে দেখলাম।
দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন ও একটা কাগজে কিছু লিখছিল, কফি শপ এ
আমার প্রিয় টেবিলটার কাছে। আমি কোনভাবে দেখলাম ও কী লিখছিল। আমি
অভিভূত হয়েছিলাম। দু’কাপ কফি কিনে আমি ওর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস বললাম,
‘এত সুন্দর যেহেতু লেখ, তোমার মাথার ভিতরটা নিশ্চয়ই বেশ খারাপ একটা
জায়গা।’ ও শুধু হাসল । আর সেখান থেকেই শুধু। জীবনে সবই মনে হচ্ছিল যেন
ঠিক জায়গায় চলে এসেছে। যাকে ইংরেজিতে বলে “perfect”। কিন্তু আমার
বোঝা উচিৎ ছিল, তেমন কিছু বাস্তবে নেই। ওকে আমি আমার হাত ধরতে
বললাম, আর তারপর সব বললাম। আমি অনেক কষ্টে হলেও ওকে বললাম
আমার ব্যাপারে এবং আমার ভাবনাগুলোর ব্যাপারে। সব স্মৃতিগুলো যেন আমার
হাত থেকে ওর আঙুলের মাঝে চলে গেল। সব বললাম, যতবার মানুষ আমাকে
কত নামে ডেকেছে। ‘মিথ্যুক’ ‘পাগল’ আরও কত কী। সে আমায় দেখল, আমার
কথা শুনল, বুঝলো । আর এখন সে নেই।
আমাদের সম্পর্কটা আসলে স্বাস্থ্যসম্পন্ন ছিল না। ও সেটাই করল যেটা কে আমি
ভয় করতাম। ও আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলল, ভাঙতে থাকল যতক্ষণ না
পর্যন্ত আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলি। আমার মনে হত আমি কারো জন্যই যথেষ্ট
নই, কোনদিন হব ও না। কারোরই এমন ভাবনা প্রাপ্য নয়, কোন মানুষেরই না।
আমি বিস্মিত হতাম, কেমন করে এমন নিষ্ঠুর কথা এমন নরম মুখ থেকে আসে।
এটা ছিল একটা কাঁটা আর সুই দিয়ে তৈরি ফুলকে চুমু খাওয়ার মত। ও আমার
দুর্বলতাগুলোই আমার বিরুদ্ধে ব্যাবহার করত, যা আমি কোনদিন ওর কাছ থেকে
আশা করিনি। আমার আত্মহত্যা প্রবণতা আবার বেড়ে যায়। আমার মনে হত,
আমার পাওনা আসলে এর থেকেও খারাপ কিছু। আর যদি আমার ভাবনা চিন্তা
অনেকটাই হাতের বাইরে যাওয়া শুরু করত, ও আমার গায়ে হাত তুলতো। আর
আমি ওকে ছাড়িনি কারণ আমি ভাবতাম পৃথিবীতে হয়ত এর থেকে বেশি কেউই
কোন ব্যাপার নিয়ে আমার মতামত চিতে চাইতাম, তখন ও আমাকে ছোট
করত, নিজের বড়ত্ব দেখানোর চেষ্টা করত। বলত, সব আমার দোষ এবং আমার
জন্যই এই সম্পর্ক টিকবে না। আমার উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার
চলত। আমি নিজেকে দোষারোপ করতে শুরু করলাম। আমি নিজেকে
দোষারোপ করতাম যখনি আমি ওকে কিছু বলতে চাইতাম আর ও আমাকে দূর করে দিত। আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমি এখানে নিজেকে দোষহীন সাধু
হিসেবে দেখাতে চাই না, কিন্তু অন্তত এই ক্ষেত্রে আমার আসলেই কোন দোষ
ছিল না। আমি দেখতাম ওকে অন্য মেয়েদের সাথে সুন্দরভাবে ভালোবেসে কথা
বলতে। আর যতবার দেখতাম, আমার মনে হত আমার হৃদয়ে আরও একটা
করে আঘাত লাগত। মনে হত, ওকে খুশি করতে পারি না দেখে আমার মরে
যাওয়া উচিৎ। মনে হত, আমারই দোষ, আমারই দোষ যে ও আমাকে চায় না।
আমাদের ঝগড়া হলেই ও আমাকে ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিত। আর ওকে ছাড়া
একটা পৃথিবী কল্পনা করাও আমার পক্ষে অসম্ভব ছিল। কিন্তু শেষে ও আমাকে
ছেড়ে চলে গেল, বাকি সবার মতই। কিন্তু আমি ভাবতাম এটাই আমার খুশি
থাকার শেষ সুযোগ। কী বোকাই ছিলাম আমি।
আমি আসলে জানি না ও কী জানত ও আমাকে কতটা আঘাত দিয়েছে। এই
সম্পর্কে থাকাকালীন, এই ব্যথা, এই অনুভূতি গুলো আমাকে উদ্বুদ্ধ করত
নিজেকে আঘাত দিতে। মনে হত, হয়ত শরীরে কাঁটা দাগ পরলে এই একই
ভুলগুলো আরেকবার করব না, হয়ত ও আমার সাথে খুশি থাকবে। কোন সময়
ঝগড়া হবার পর ও আমার দিকে তাকাতও না, ঝগড়ার সুরাহা করা তো দূরের
কথা। আমি অনেকদিন কাটিয়েছি নিজেকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে। কারণ
আমাকে জড়িয়ে ধরার মত মানুষ ছিল না। গান ছেড়ে, অন্তরীক্ষে তাকিয়ে, শুয়ে
থাকতাম মাটিতে। চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ত। সব করতাম যাতে আমি
আমার মাথার মধ্যে থাকা আত্মহত্যা প্রবণতা, সেই খারাপ কথা গুলো শুনতে না
পাই। মাঝে মাঝে আমি কল্পনা করি আমি ওর সাথে কথা বলছি, আর জিজ্ঞেস
করি, ‘সময় থাকতে ছেড়ে যাওনি কেন? আমাকে কষ্টে দেখতে কি আসলেও
ভালো লাগত? আমাকে আঘাত করার জন্যে নিজের মত সময় নিচ্ছিলে?’ কিন্তু
আমি নিশ্চিত, ভালোবাসা আমাকে মারেনি, অস্ত্র তো কাউকে মারে না, আহত
করে অস্ত্রধারণকারী। তাই ভালোবাসার মানুষটাই দোষী, ভালোবাসা নয়।
এর মাঝে আমার বাবা মা আলাদা হয়ে যান। এবং আমাকে যেয়ে উঠতে হয়
আমার বাবার সাথে, এবং আমার মা চলে যান তার বোনের বাড়ি। আমার ছোট
বোনের ওর নিজের সমস্যা ছিল, এবং আমার ধারণা, আমার মা বাবার ঝগড়ার
মাঝখানে আমাকে কাঁদতে শোনাটা ওর উপর অনেক প্রভাব ফেলেছিল, যতটা
আমি কল্পনা করতে পারিনি। আমিও নিজেকে নিয়ে এতটা ব্যস্ত ছিলাম যে আমার
ছোটবোনের দেখ-ভাল করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। ও স্কুল থেকে খুব রুক্ষ্ম
অবস্থায় বাড়ি ফিরতে শুরু করল। আর এটা নিয়ে আমি কিছু করতে পারলাম না,
কারণ ও থাকত মা’র কাছে আর আমি থাকতাম বাবার কাছে।
.
.
.
.
.
.চলবে
এই গল্প টি একটু বড় । তাই এক পোষ্টে দিতে পারলাম না । তবে পরের পোস্টে অবশ্যই দিব । আর হ্যা , একটা কথা , টাইপ করতে অনেক কষ্ট হয় । প্লিজ একটু উৎসাহ দিয়েন ।
তো আজকে এই পর্যন্তই । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমি
3 টি মন্তব্য