প্রতিটি ডিভাইসের জন্য Ram এবং Rom অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। Ram এবং Rom না থাকলে একটি ডিভাইস সঠিকভাবে কাজ করবে না এবং সেই ডিভাইসের তথ্য ও সংরক্ষণ করবে না। সেই ডিভাইসটিকে ম্যানুয়ালি কাজ করাতে হবে। এতে করে অনেক সময় নষ্ট হবে।

বর্তমানের প্রায় সব আধুনিক ডিভাইসগুলোতে Ram এবং Rom মেমোরি রয়েছেন। যেগুলো একটি ডিভাইস কে আরো অ্যাডভান্স ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

আমি গত পোস্ট গুলোতে Ram এবং Rom কি, সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি। তাই আজকে এই বিষয়ে আর কথা না বাড়িয়ে আমরা মূল পোস্টে চলে যাই…

• Ram এবং Rom এর মধ্যে পার্থক্য কি??
১. Ram এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory, এবং Rom এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory।

২. Ram কে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়, এবং Rom কে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়। মানে, ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেলে Ram এ সংরক্ষন করা ডাটা গুলো মুছে যায়, কিন্তু Rom এর সংরক্ষন করা ডাটাগুলো আগের অবস্থায়ই থাকে।

৩. Ram কম্পিউটারের প্রাইমারী স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে, অন্যদিকে Rom কম্পিউটারের সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে।

৪. Ram এর তথ্য কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি অ্যাক্সেস করতে পারে, কিন্তু Rom এর তথ্য কম্পিউটার প্রসেসর সরাসরি অ্যাক্সেস করতে পারে না। এর জন্য প্রথমে Rom থেকে তথ্যগুলো Ram এ পাঠাতে হয়, তারপরে সেগুলো প্রসেসর এর মাধ্যমে এক্সিকিউট করে।

৫. Ram এ সংরক্ষনকৃত ডাটা রিড (Read) এবং রাইট (Write) দুটোই করা যায়, কিন্তু Rom এ সংরক্ষনকৃত ডাটা শুধুমাত্র রিড (Read) করা যায়।

৬. Ram কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে, কিন্তু Rom কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।

আশা করি আজকের পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা Ram এবং Rom এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পেরেছেন। আজকের পোস্টটা অনেক ছোট হয়েছে।

Ram এবং Rom এর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আমার আগের পোস্ট গুলো দেখে আসতে পারেন। আজকের পোষ্টে শুধুমাত্র আমি Ram এবং Rom এর মধ্যকার পার্থক্য গুলো উপস্থাপন করেছি।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

 

পেওনিয়ার একাউন্ট খোলার নিয়ম 2022

আমার ফেসবুক প্রোফাইল

Leave a Reply