বর্তমানে আধুনিক যুগের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অনেক প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া বর্তমান আধুনিক যুগে চলা প্রায় অসম্ভব।

গত পোস্টে, আমি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি? এটা নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের পোষ্টে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করি…

• কম্পিউটার নেটওয়ার্ক মূলত ৪ ভাগে বিভক্ত:
১. PAN (Personal Area Network)
২. LAN (Local Area Network)
৩. MAN (Metropolitan Area Network)
৪. WAN (Wide Area Network)

PAN (Personal Area Network):
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network। ব্যক্তিগত কাজ করার জন্য যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে PAN (Personal Area Network) বলে।

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কে মূলত দুটি কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ বা পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। তার বা ব্লুটুথের মাধ্যমেও এই যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।

LAN (Local Area Network):
LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network। একই বিল্ডিং এর মধ্যে কয়েকটি কম্পিউটার নিয়ে যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN (Local Area Network) বলে।

এই ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা অনেক সহজ এবং খরচও কম। মূলত স্কুল-কলেজ মাঝারি বা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। LAN নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ডিভাইস সমুহ হলো হাব, সুইচ , রিপিটার। এই নেটওয়ার্কের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার গুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও রিসোর্স শেয়ার করা।

MAN (Metropolitan Area Network):
MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network। একটি শহর বা এরিয়ার মধ্যে অবস্থিত কয়েকটি ল্যান নিয়ে গঠিত হয় MAN (Metropolitan Area Network)।

এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ৫০ থেকে ৭০ মাইল পর্যন্ত হতে পারে। এই নেটওয়ার্কের স্পিড গিগাবাইট পার সেকেন্ডে (gb/s) হতে পারে। এই ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হলে রাউটার, সুইজ, মাইক্রোওয়েভ এন্টেনা ইত্যাদি ডিভাইস এর প্রয়োজন হয়।

WAN (Wide Area Network):
WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network। অনেকগুলো দূরবর্তী ল্যান নেটওয়ার্ক নিয়ে যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তাকে WAN (Wide Area Network) বলে।

সাধারণত কোন একটি দেশ বা পুরো পৃথিবী জুড়ে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। এই নেটওয়ার্ক তৈরি মাধ্যমে আপনি যদি পুরো পৃথিবী সাথে কানেক্টেড থাকেন, তাহলে আপনি নিজের জায়গায় বসে এই পুরো পৃথিবীর সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন।

আশা করি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ধাপগুলো সম্পর্কে আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

 

ভিপিএন (VPN) কি? ভিপিএন কিভাবে কাজ করে

ই-সিম (Embedded Sim) কি? ই-সিম এর সুবিধা এবং অসুবিধা What is esim in Bengla

Leave a Reply