Symphony W68, ২০১৩ সালের মধ্যভাগে আসা এই স্মার্টফোনটি বাংলাদেশের স্মার্টফোন ইতিহাসের শুরুতে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি স্মার্টফোন, যা রিলিজ হয়েছিলো Android 4.2.2 (Jelly Bean) এর সাথে এবং পরবর্তীতে আনা হয় Symphony W68Q, যেখানে দেয়া হয়েছিলো Android 4.4.2 (Kitkat), আর প্রচুর মানুষের হাতে দেখা মিলতো এই স্মার্টফোনদুটো।

Android 4.2.2

আরো অনেকের মত আমাদের পরিবারেও প্রথম স্মার্টফোন হিসেবে এসেছিলো Symphony W68, যা কিনা আমার মায়ের স্মার্টফোন হিসেবে কেনা হয়েছিলো। সেসময়ে এটা ছয় থেকে সাড়ে ছয় হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে একটি চমৎকার স্মার্টফোন ছিলো। এখন, প্রায় ৭ বছর পার হয়ে গেছে এই স্মার্টফোনটির, আর এখনো এটা সম্পূর্ণ সচল ও নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে।

হোম

৭ বছরের মধ্যে স্মার্টফোনটি তিনবারের মত একে সার্ভিসিং করা হয়েছে। কেনার প্রথমদিকে, আমার ঠিক মনে নেই, হয়ত নেটওয়ার্ক বা এরকম কোন সমস্যা ছিলো। আরেকবার হয়ত বছরদুয়েক পর, ব্যাক ক্যামেরার লেন্সে ময়লা ঢুকেছিলো। এবং শেষবার, কয়েক মাস আগে, চার্জিং পোর্টে সমস্যা হয়েছিলো, সাথে ডিসপ্লেটাও আমার হাত থেকে পড়ে কিছুটা ফাটল ধরেছিলো। এর বাইরে ব্যাটারী একবার পরিবর্তন করা হয়েছে।

বর্তমান অবস্থা যদি বলি, ডিসপ্লেতে দুটো সাদা দাগ আছে, যার একটা সাধারণভাবে বোঝা যায় না। ভলিউম বাটন ও পাওয়ার বাটন দেবে গেছে, আর ব্যাকপার্টেও হালকা ফাটল আছে এক জায়গায়। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এগুলো নিয়ে সমস্যা প্রায় হয় না, ৭ বছর পরেও ভালোভাবেই ব্যবহারযোগ্য আছে।

এতদিন এটা আমার মায়ের সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে ছিলো, অবশ্য ব্যবহার বেশি আমিই করতাম, মানে টুকটাক ফেসবুক, ইউটিউব, যেহেতু আমার ফোন নিজের ফোন বাটন ফোন (Itel IT5081), সেটার অবস্থাও সুবিধার না… তবে কিছুদিন আগে আমার বাবার Symhpony i110 পকেটমার হয়ে যায়, যেকারণে এখন সাময়িকভাবে এটা আমার বাবার ফোন হিসেবে রয়েছে।

কন্ট্রোল সেন্টার

প্রথমদিকে এই ফোনে প্রচুর হেভি ইউজ করা হয়েছে। সে সময়ের জনপ্রিয় গেমগুলো, বিশেষ করে টেম্পল রান টু প্রচুর পরিমাণে খেলা হত। সাথে হাইওয়ে রাইডার, এংরি বার্ডস, ফ্রুট নিনজা, মাই টকিং টমের মত গেমগুলোও। এমনকি Mini Militia মাল্টিপ্লেয়ারে খেলতাম এই ডিভাইসে। এগুলো ভালোভাবেই সামলাতে পারতো। তবে পরবর্তীতে অ্যাপগুলো ভারি হতে থাকে এবং তখন দেখা যায় অ্যাপগুলো আগের মত তত স্মূথ চলছে না, বরং বেশি অ্যাপ থাকলে ফোন বেশ স্লাগিশ হয়ে যাচ্ছে।

তো তখন যেটা করি, ফোন হার্ড রিসেট দিই, অপ্রয়োজনীয় সব আনইন্সটলযোগ্য ডিফল্ট অ্যাপ, অর্থাৎ, ব্লটওয়্যারগুলো রিমুভ করি, যেমন ফ্রিং, সুপারবিম স্ক্যানার, বাবল ব্যাশ, স্মার্ট কীবোর্ড, এমএক্স প্লেয়ারসহ ভালো পরিমাণেই ব্লটওয়্যার ছিলো এখানে, তাছাড়া ফেসবুক অ্যাপও ডিজেবল করে রাখি। এতে ফোনটা আবার স্মূথনেস ফিরে পায়।

তো, গত বছরদুয়েক মোটামুটি এরকমই চলছিলো, জাস্ট ফোনে কথা বলা, আর ডিফল্ট ব্রাউজারে টুকটাক ব্রাউজিংয়ে সীমাবদ্ধ। অবশ্য ব্রাউজারটি ব্যাকডেটেড হয়ে যাওয়ায় এখন কিছু সমস্যা হয়, যেমন নিয়নবাতিসহ অনেক সাইট সিকিউরিটি সার্টিফিকেটের কারণে একসেস করা যায় না, ইউটিউবে কন্ট্রোলগুলো ডানে সরে যায়, যাতে একটু সমস্যা হলেও ভিডিও অবশ্য ঠিকঠাক দেখা যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে আবার এখানে বেশ কিছু অ্যাপ ইন্সটল করি, এই রিভিউ লেখার জন্য আর যেহেতু বর্তমানে বাবার একমাত্র ফোন এটা এজন্য। এর মধ্যে আছে ইউটিউব গো, ফেসবুক লাইট, মেসেঞ্জার লাইট CPU-Z এরকম কিছু অ্যাপ। তো, এই অ্যাপগুলো কিন্তু বেশ ভালোভাবে চলে। ব্রাউজারে ইউটিউব চালানোর ক্ষেত্রে কন্ট্রোলের যে সমস্যা ছিলো, অ্যাপে তা নেই। মেসেঞ্জার লাইটে ভিডিও কল করতেও অসুবিধে হয়নি।

অ্যাপ মেনু

হ্যা, ভালোভাবে মানে বাটার স্মূথ, ফ্ল্যাগশিপ লেভেল পারফর্মেন্স বোঝাচ্ছি না। একটু ধৈর্য্য দরকার হয় চালাতে, কিছু ল্যাগ আছে, তবে কাজ চালানোর মত অবশ্যই। তবে ৭ বছরের পুরনো একটা ফোন এখনো চলছে, এরকম লেটেস্ট অ্যাপগুলো, লাইট ভার্সন হলেও যে চালাতে পারছে, ফাংশনগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে, এটা আমাকে বেশ অবাক করেছে। সত্যি বলতে, আমার এক্সপেক্টেশন আরেকটু কম ছিলো।

পারফর্মেন্সের প্রসঙ্গে এসে হার্ডওয়্যার নিয়ে জানিয়ে রাখা ভালো। এখন নাকি ২-৩ জিবি র‌্যামও কম, অথচ মাত্র ৫১২ এম্বি র‌্যাম দিয়ে চলছে Symphony W68, ৪ জিবি রমের ৯১৯.৬৩ এম্বি ব্যবহারযোগ্য। CPU-Z বলছে W68-র চিপসেট হলো মিডিয়াটেকের MT6572, আর প্রসেসর হলো 1.2GHz ক্লকস্পিডের একটি ডুয়াল কোর প্রসেসর, কোরদুটো হলো ARM Cortex A7। হ্যা, এই জিনিস দিয়েই এখনো চলছে W68।

সেটিংস

সময়ের সাথে হার্ডওয়্যার তার ক্ষমতা হারাবে, এটা স্বাভাবিক। তাছাড়া মিডিয়াটেক চিপসেট মাসছয়ের পর পারফর্মেন্স ড্রপ করে বলে মনে হয়। এই ফোনের চিপসেট এমনিতেই অনেক দুর্বল, তবে ৭ বছরে কি আসলেই এটা তার ক্ষমতা যা ছিলো তার বেশিরভাগ হারিয়েছে, নাকি অ্যাপগুলোই ভারি হয়ে গেছে, এটা যাচাইয়ের জন্য কিছু গেমের পুরনো ভার্সন ইন্সটল করেছিলাম এবং লেটেস্ট ভার্সনগুলো না চললেও পুরনো ভার্সনগুলো কিন্তু খুব সুন্দরভাবে চলেছে।

যেমন Highway Rider 1.8.1 আমি ইন্সটল করি এবং এটা চমৎকার চলেছে, Angry Birds Stella-ও এরকমই চলেছে, কোন সমস্যা নেই। বলে রাখি, ভিডিও W68 ছিলো বাম হাতে, ডান হাতে Helio S60 ধরে রেখে ভিডিও করা, তাই অবস্থা খুব একটা সুবিধের হয়নি।

৭ বছরের মধ্যে কোন সফটওয়্যার আপডেট এই ফোনে অবশ্যি পাইনি, সিম্ফনি যেমনটা করে থাকে আরকি, তবে কোন অভিযোগ করছি না, যেহেতু সব ঠিকঠাকমতই চলছে, অল্প দামের একটি ফোন হিসেবে এখানে আপডেটের তেমন কোন প্রয়োজন ছিলো বলে মনে করি না, শুধু জানিয়ে রাখলাম।

এক্সটেরিয়রের কথা বলি, ফোনের থিকনেস স্কেল দিয়ে মেপে দেখলাম 10mm বা 1cm এর মত। তবে যেহেতু ফোনটা একদমই ছোটখাট, হাতে ধরতে খুবই কমফোর্টেবল বোধ হয়। আর ওজন কত তা তো জানি না, তবে পকেটে রাখলে মনে হয় না সেখানে কোন ফোন রেখেছি। ছোট ডিসপ্লের এই কমফোর্টেবিলিটির ব্যবাপারগুলো কিন্তু এখনকার নতুন ফোনগুলো হারাচ্ছে।

এর ডিসপ্লে 4.0″, যা এখন খুব ছোট্ট মনে হলেও তখনকার জন্য এই ডিসপ্লেটা ছিলো বাটন ফোনের ছোট্ট জগৎ ছেড়ে বিশাল এক দুনিয়ার প্রবেশদ্বার। অবশ্যই কোন নচ বা পাঞ্চহোল ধরণের কিছু ডিসপ্লের মাঝে নেই, যদিও একাধিক স্তরের বেজেল বিদ্যমান।🙄 আর এর রেজ্যুলেশন সম্ভবত WVGA (480*800)।

ডিসপ্লেতে কালার খুব ব্রাইট বা ভিভিড দেখায় না, কিছুটা ফ্যাকাশে। যেমন, আমি একটা ফোনের রিভিউ দেখছিলাম, আর আমার মনে হচ্ছিলো ফোনটা নীল রংয়ের, পরে শুনি সবুজ। আর ব্রাইটনেস যাই হোক, উজ্জ্বল দিবালোকে ডিসপ্লে চালু না বন্ধ আছে তা বোঝাও কখনো কঠিন হয়ে যায়, ছায়ায় আসলে মোটামুটি দেখা যায়। ইনডোরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

এটার ডিজাইন এখনকার ফোনগুলোর সাথে মিলবে না। তবে একটা কথা মনে করি, এখনকার অনেক ক্যামেরা মডিউল থেকে এর সিম্পল সিঙ্গেল ক্যামেরা মডিউলটি অনেক সুন্দর। আর স্পিকার রেয়ার সাইডে দেয়া হয়েছে, যেটা নিয়ে রাজনীতির কিছু নেই, এখনো এই বাজেটের ফোনে এমনটা দেখা যায়।

আরেকটা ব্যাপার, এই ফোনে একটা 3.5mm ইয়ারফোন জ্যাক আছে, যা একে Samsung Galaxy S21 Ultra বা IPhone 12 Pro Max থেকে একটা এডভান্টেজ দেয় 🙄 ও হ্যা, এর বক্সে চার্জার আর ইয়ারফোনও উপস্থিত ছিলো, অবশ্য সেগুলো বহুকাল আগেই নষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, তাছাড়া বক্সটাও এখন সংরক্ষিত নেই।

চার্জারের কথা যখন আসলো, বর্তমানে অবশ্য একে 5W 2.1A চার্জার দিয়ে চার্জ করা হয়, তবে ফাস্ট চার্জিং সমর্থন না থাকায় এর 1500 mAh ব্যাটারী আগের মতই দীর্ঘ সময় নেয় চার্জ হতে, ঘড়ি ধরে হিসেব করিনি, সাড়ে তিন ঘন্টার মত হবে হয়ত পূর্ণ চার্জ করার সময়। আর ব্যাকআপ খারাপ না, মানে ব্যাটারীর অ্যামাউন্ট অনুযায়ী ঠিক আছে আরকি।

ক্যামেরা তো আজকাল 48MP, 64MP, 108MP না হলে চলেই না, সামনে 200MP আসছে শুনলাম। তবে W68-এর রেয়ার ক্যামেরা 5MP আর সামনে 0.3MP VGA। সামনের এই ক্যামেরাতে খুব স্পেসিফিক লাইটিং কন্ডিশনে চলার মত ছবি পাওয়া যায়।

আলো ভালো না পেলে অবস্থা হয় এরকম:

আর বেশি আলোতে এরকম:

প্রাইমারি ক্যামেরাতেও আলোর ব্যাপারটা প্রযোজ্য, তবে সেলফি ক্যামেরা থেকে কিছুটা ভালো আরকি। দিনে ভালো আলোতে তোলা কিছু স্যাম্পল দিচ্ছি, বেশি মন্তব্য করতে চাই না, তবে এখনকার হিসেবে যেমনই হোক, তখন বাটন ফোনের ক্যামেরা থেকে স্মার্টফোন ক্যামেরার সাথে পরিচয় হওয়া তখন সদস্য শুরু হয়েছে, সে হিসেবে যথেষ্ট।

কিন্তু যখন ছাদ থেকে রাতের শহরটার ছবি তোলার চিন্তা করলাম, তার ফল হলো এরকম:

অবশ্য খারাপ বলা যায় না, কালোর একটা অন্যরকম সৌন্দর্য্য আছে, নয় কি?

বাই দা ওয়ে, এখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আনলক কিছু নেই, প্যাটার্ন লক আছে। ফোরজি নেই, তবে থ্রিজি আছে। থ্রিজি ভিডিও কল ফিচারটা তখন খুব আলোচনায় ছিলো, এখন বিভিন্ন থার্ড পার্টি সার্ভিস, যেমন, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো প্রভৃতি ভিডিও কলের জন্য জনপ্রিয়, তাই সরাসরি সিম থেকে ভিডিও কলের ফিচার আর নতুন ফোনগুলোতে থাকে না, যেটা W68-এ ছিলো। কিন্তু এখন ফিচারটি অবশ্য কাজে আসে না। অডিওর কথা বললে ঠিক আছে, এখনও এন্ট্রি লেভেল ফোনগুলোতে এর থেকে স্পিকারের খুব একটা উন্নতি তেমন হয়নি।

সবশেষে, Symphony W68 সময় ও দামের হিসেবে চমৎকার ফোন বলতেই হবে। আরো অনেকের কাছেই এই ফোন এবং W সিরিজের বিভিন্ন ফোন সচল অবস্থায় আছে বলে আমার বিশ্বাস, কেননা এই ফোনগুলো খুব টেকসই হিসেবে সুনাম পেয়েছিলো।

সময়ের সাথে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের সাথে আরো জড়িয়ে গেছে, এবং স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে অনেকেরই এখন বেশ ভালো বাজেট থাকে, যাদের কাছে সিম্ফনি ব্র্যান্ডটি এখন গুরুত্ব হারিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের অনেকেই এখনো কিন্তু তত দামে ফোন কিনতে পারেন না, আর এখানে সিম্ফনি এখনো ৪, ৫ বা ৬ হাজার টাকায় তুলনামূলক ভালো ফোন এনে চলেছে, যা আমার মতে প্রশংসনীয়।

বর্তমানে আপনি নতুন Symphony W68 তো বাজারে পাবেন না, তবে এরকম একটি ফোন চাইলে Symphony G10 ৪৩০০ টাকায় এখন আপনার জন্য একটি অপশন হতে পারে। এর ডিজাইন, ক্যামেরা, ডিসপ্লেসহ বিভিন্ন দিক কিছুটা হলেও W68-র মত ক্লাসিক ফোনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। তাছাড়া সাথে ১ জিবি র‌্যাম, ফোরজির মত ফিচার আছে এখানে।

একটি নিয়নবাতি পরিবেশনা

12 thoughts on "৭ বছর পরও এই ফোন চলছেই, Symphony W68 এক্সটেন্ডেড রিভিউ! (ব্রাউজিং, ক্যামেরা, গেমিং সবকিছু)"

  1. Alan Walker Alan Walker Contributor says:
    old is gold


  2. Arif Contributor says:
    W69Q use korsi ami.
    Purai makhon cilo
  3. Rayin Rayin Contributor says:
    জীবনের প্রথম এনড্রয়েড ছিলো SYMPHONY W66 পুরা মাখন ছিলো একটা ৩ বছর চালানোর পরও অস্থির ছিলো কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার দুইমাস আগে আব্বা রাগ করে ফোনটা ভাঙ্গছিলো । এত খারাপ লাগছিলো ভাই বলার মতো না । পুরোনো স্মৃতি মনে পরে গেলো <3
  4. Fahim Fahim Author says:
    ঙ্ক্রাশ <3
  5. HOSSAIN MAHMUD HOSSAIN MAHMUD Contributor says:
    ভাই কি মনে করিয়ে দিলেন, জিবনে প্রথম মোবাইল হলো W20 যেটা চোরে নিয়া যায়, তার পর ২ টা মোবাইল কিনি, w68 ও w68q এখনো আছে,, একটার বোর্ড প্রবলেম, আর আরেকটাতে টাচ কাজ করে না, কিন্তু একটার বোর্ড আরেকটায় লাগালে চালু ও হয় না,
  6. sagor100 sagor100 Contributor says:
    Ami symphone H300 user.hot celo ii❤️❣️🔥🔥
  7. sonnasi Subscriber says:
    Ami o ei phn er user silam. 🙂
  8. Md Sakib Mia Md Sakib Mia Contributor says:
    W68q best cilo
  9. Nashurollah Contributor says:
    এই মোবাইলটা সত্যিই ভালো ছিলো,আর সিম্ফনী মোবাইল গুলো ভালোই আমি symphony v65 4-5 বছর ইউজ করেছি,শেষ পর্যন্ত কিছুদিন আগে চোর নিয়া গেছে,একদম সচল ছিলো


  10. Abdullah Contributor says:
    symphony i10 4 yr hobe still joss cole

Leave a Reply