Offerwall সম্পর্কে আশা করি আমাদের একটা ভালো ধারনা হয়ে গিয়েছে আজকে ট্রাই করবো একটু এডভান্সড লেভেল এর দিকে যাওয়ার।

 

Offerwall সম্পর্কে যদি ডিটেইলস জানতে হয় সবার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে অফারওয়াল গুলোর নাম সম্পর্কে। এগুলো কিভাবে কাজ করে এবং কেনই বা অফারওয়াল গুলো কে আমরা প্রায় সকল সাইটেই দেখতে পাই।
 

 

অনেকেই দেখবেন নিজেদের ওয়েবসাইট বানিয়ে বা এপ বানিয়ে বিজ্ঞাপন শো করানোর মাধ্যমে আয় করে থাকে। 
যেমন বিজ্ঞাপন কোম্পানী গুলোর মধ্যে Mediavine , Monumetric ,Google AdSense, PropellerAds , Infolinks ,Ezoic , Media.net , AdThrive ইত্যাদি জনপ্রিয়।
 
যাই হোক আমরা শর্টকাটে এটা বুঝতে পারলাম যে ওয়েবসাইট গুলো আয়ের জন্য বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে থাকে আবার কেউ কেউ সাবস্ক্রিপশন , প্রোডাক্ট  , সার্ভিস সেল করেও নিজের ইনকাম জেনারেট করে থাকে।
 
তাহলে এটা তো ক্লিয়ার যে তারা মূলত আয় করার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী থেকে এপ্রুভ নেওয়ার চেষ্টা করে এবং এপ্রুভ হয়ে গেলে এরপর সেই কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারে। 
 
এই বিজ্ঞাপন ছাড়াও আরেকটা আয় করার মাধ্যম হলো এই অফারওয়াল কোম্পানী গুলো মনিটাইজেশন বা এপ্রুভাল নিয়ে সেগুলোর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় জেনারেট করা।
 

 

Offerwall Details:

তাহলে তো আমরা জানি যে অফারওয়াল কোম্পানীর ব্যবহার করা হয় আর্নিং জেনারেট করার জন্য। ওয়েবসাইটের মালিক যা করে তা হলো সেই অফারওয়াল কোম্পানী গুলোর সাথে পার্টনারশীপে চলে যায়।
পার্টনারশীপে যাওয়ার পর সাইট মালিক সেই অফারওয়াল কোম্পানীগুলোর বিজ্ঞাপন গুলো নিজের সাইটে বা এপ এ যুক্ত করে দেয় – Web Offerwall , SDK Offerwall , Api Offerwall 
 

 

এখন এই জিনিস টা কিভাবে কাজ কর?

ধরে নিন আপনি একটা এপ বানালেন এবং সেটা পাবলিশ ও করে দিলেন সেক্ষেত্রে যে পরিমান ইউজার ডাউনলোড করেছেন তাতে আপনি খুশী নন। তখন অবশ্যই আপনি পেইড মার্কেটিং করে এপ টা র‍্যাংক করানোর এবং সবার কাছে পৌছে দেওয়া ট্রাই করবেন। সেটা ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য
 
সেক্ষত্রে কেউ মার্কেটিং করে Google Ads , Facebook Ads, Bing Ads ইত্যাদি গুলোর ব্যবহার করে। 
কিন্তু যারা একটু চালাক তারা সরাসরি এই অফারওয়াল কোম্পানীগুলোর সাথে যোগাযোগ করে এবং সেই অফারওয়াল কোম্পানী গুলোর মাধ্যমে তাদের এপ বা সাইটে প্রকাশনা করে থাকে।
 
অফারওয়াল কোম্পানীতে নিজের সাইট বা এপ এর বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ১০০০ ডলার খরচ করে থাকে।
এবার এই অফারওয়াল কোম্পানী গুলো সেই এপ বা সাইটের বিজ্ঞাপন তাদের সাথে চুক্তি বদ্ধ সকল পার্টনার এর সাইট বা এপ থেকে প্রকাশ করার ব্যবস্থা করে দেয়। 
 
ব্যস এবার যারা সার্ভে অফারওয়াল নিয়ে কাজ করছে তাদের চোখে পড়ে যায় এবং তারা পয়েন্ট এর উপর বিবেচনা করে তা ডাউনলোড , রেজিস্ট্রেশন , ট্রায়াল , ডিপোজিট করার মাধ্যমে সেই অফার গুলো পূরন করে আর্ন করে থাকে।
এখানে মোট ৩ টা ভাবে ভাগ হয়ে থাকে অর্থ যদি কোন এপ বা সাইটের মালিক তার বিজ্ঞাপন চালিয়ে থাকে।
৫০% অফারওয়াল কোম্পানী গুলো নিয়ে নিবে এবং যারা পার্টনারশীপে থাকবে তাদের কে বাকী ৫০% তারা প্রদান করবে।
 
এবার ধরে নিন আপনি সেই পার্টনারশীপে থাকা একজন যে কিনা অফারওয়াল যুক্ত করেছেন নিজের সাইটে কিংবা এপ টাতে। আপনি কি লাভ ছাড়া কাজ করবেন অবশ্যই না তাই না?
 
তখন আপনি আবার কি করবেন আপনার এপ এবং সাইটে অফারওয়াল থেকে অর্থ যেটা আসবে সেটাকে ২ ভাগ করে দিবেন একভাগ নিজের প্রফিট অন্য ভাগ যারা আপনার সাইট কিংবা এপ এর ইউজার দের জন্য রেখে দিবেন যাতে তারা অফার পূরন করে উইথড্রো দিলে দিতে পারেন।
 
আর এই সিস্টেম টা ব্যবহার করে কোন কোন সাইট তাদের ইউজার দের ৫০% প্রফিট শেয়ার করে আর ৫০% নিজের জন্য রেখে দেয় । তবে এমন কিছু সাইট আছে যেখানে ৭৫-৯০% ইউজার দের দিয়ে থাকে নিজেরা ১০% প্রফিট করে।
 
যখন কোন ইউজার অফারপূরন করবে তখন অফারওয়াল কোম্পানী থেকে পয়েন্ট এসে ইউজার এর একাউন্টে জমা হবে। আর সাইট কিংবা এপ এর মালিক এর সাথে অফারওয়াল এর পয়েন্ট সিস্টেম টা কাজ করে সেটাকে বলা হয় Postback সিস্টেম। 
 
আরো রয়েছে ChargeBack এটা হচ্ছে কেউ যদি ইলিগ্যাল ভাবে অফারপূরন করার ট্রাই করে তবে অফারওয়াল কোম্পানী যে পয়েন্ট দিয়েছিলো সেটা অটো আপনার একাউন্ট থেকে কেটে নিবে।
 
Postback সেটিং আবার অনেক সিকিউরিটি মেনে চলে যেমন ক্রিপ্ট গ্রাফিক মেথড , Hash মেথড , Security Key মেথড যার মধ্যে সব টাইপের জিনিস হ্যাক করা সম্ভব না।
এখন কথা হচ্ছে Postback সিস্টেম টা সম্পর্কে যদি আপনি এক্সপার্ট হতে পারেন তবে আপনি যে কোন অফারওয়াল কিংবা সার্ভে হ্যাক করার ক্ষমতা রাখেন যা নিয়ে আগামী পর্বে আমরা আলোচনা করবো।
 
 
আশা করি আমরা অফারওয়াল সম্পর্কে এবং এটা কিভাবে কাজ করে তার সম্পর্কে ধারনা পেয়ে গিয়েছি।
 

অনেক কিছু জেনে নিয়েছেন এবার এগুলো কেন বলছি এটার সাথে আমাদের কাজের সম্পর্ক কি?

আমি আপনাদের কে আগের পর্ব গুলোতে না করেছিলাম যেন Pollfish কিংবা এপ গেমস অফার গুলো পূরন না করেন।
আর কেন বলেছি আমি এক্সপ্লেইন করছি
 
আপনারা যদি কোন সাইট কিংবা এপ থেকে অফারওয়াল কোম্পানীর অফার পূরন করেন তবে ঐ যে বলেছি যে আপনি অফার পূরন করলে সাইট কিংবা এপ এর মালিকের লাভ।
আর যদি অফার পূরন করার পর ব্যান করে দেয় তাহলে তো আপনার পুরাই লস তাই না।
 
তাই আমি চিন্তা করলাম আমরা সরাসরি অফারওয়াল কোম্পানী গুলো থেকে অফার নিবো এবং প্রতি অফার পুরন করার জন্য ১০০% এমাউন্ট গ্রহন করবো যেখানে কোন কোম্পানীর মালিক এর লাভ থাকবেনা লাভ টা শুধু আমাদের থাকবে। 
 

কিন্তু এখানে সমস্যাও আছে সুবিধার পাশাপাশি নিচে তা তুলে ধরছিঃ-

একেক অফারওয়াল কোম্পানী একেক ধরনের উইথড্রো সিস্টেম রেখেছে যেমন কোন অফার ওয়াল কোম্পানী মিনিমাম ৩০ ডলার হলেই উইথড্রো দিতে পার্মিশন দিয়ে থাকে যেমনঃ Pollfish
 
আবার কিছু অফার ওয়াল কোম্পানী তাদের উইথড্র মিনিমাম এমাউন্ট ১০০/২৫০/৫০০ ডলার ফিক্সড 
যার মানে হলো ১০০% আর্নিং তো পাবেন কিন্তু সেখান থেকে উইথড্রো দিতে হলে আপনাকে মিনিমাম এমাউন্ট এর চ্যালেঞ্জ পূরন করতে হবে।
 
আর অফারওয়াল কোম্পানী গুলোর পলিসি অনুযায়ী আপনি যদি ৩০ দিনের মধ্যে মিনিমাম টার্গেট পূরন করতে পারেন তবে কোম্পানী ভেদে আপনার পেমেন্ট প্রসেসিং হবে ৩০/৪৫/৯০ দিনে 
 
যার মানে টার্গেট ফিলআপ করার পর আমাদের পেমেন্ট আসতে উপরে উল্লেখিত সময় দরকার হবে।
 
তাই যারা লং টাইম প্রসেস আর বেশী আর্নিং সিস্টেম ঝামেলা মনে করবেন তারা আমাদের সাজেস্ট করা সাইট গুলোতে কাজ করে যাবেন। আর যারা একটু ভিন্ন ভাবে কাজ করে মাসে ১০০-২৫০ ডলার মিনিমাম আয় করতে চান তারা এই মেথড টাকে কাজে লাগাবেন।
 
 
এখন আমরা দুইভাবে মেথড টা কাজে লাগাতে পারি প্রথমত এটার একটা ওয়েবভার্সন বানিয়ে আর নয়তো এপ বানিয়ে যেহেতু এপ হলে এপ গেমস সার্ভে পূরন করতে সুবিধা হবে তাই আমরা এপ ভার্সন কিভাবে বানানো যাবে আজকের পর্বে আলোচনা করবো। এবং কিভাবে কোম্পানীকে ইন্টারগেট করবেন তা নিয়ে আলোচনা করবো।
 
প্রথমত আজকে আমরা পোলফিশ কোম্পানী নিয়ে আলচনা করবো তার প্রথম কারন হচ্ছে সহজেই এপ্রুভাল পাওয়া যাবে এবং মিনিমাম উইথড্রো ৩০ ডলার এবং ৪৫ দিনে তারা পেমেন্ট করে থাকে। 
 
 
মোবাইল থেকেই নিজের এপ দিয়ে কাজ করে সম্পূর্ন বেনিফিট নিতে পারবেন। 
তবে তার আগে আপনার একটা একাউন্ট থাকতে হবে চলুন কিভাবে একাউন্ট করবেন দেখে নেওয়া যাক।
 

মনে রাখবেন যে আইপি দিয়ে একাউন্ট করবেন সব সময় সেম আইপি দিয়ে লগিন করবেন নয়তো ব্যান হতে পারেন সাজেস্ট করছি নিজের ওয়াইফাই দিয়ে একাউন্ট করুন ডাটা দিয়ে ব্যবহার করার কারনে আইপি চেঞ্জ আর প্রবলেম ফেস করতে হতে পারে

 
আশা করি ভিডিও টা দেখে একাউন্ট করা এবং কিভাবে Api সংগ্রহ করবেন বুঝে গিয়েছন।
যারা ভিডিও এর উদ্দেশ্য বুঝেন নি তাদের জন্য বিস্তারিত বলি।
উপরে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে আমরা এপ বানাবো নিজের এপ দিয়ে নিজেই আয় করবো আর কত কিছু তাইনা।
তাই আমাদের একটা সিম্পল এপ বানাতে Api key দরকার হবে যেটার কারনে আপনি নিজের এপ দিয়ে কাজ করলে ১০০% বোনাস তো পাবেন কিন্তু সেই এপ থেকে যে কাজ সাবমিট হচ্ছে এবং কাজ আসবে সেগুলোর যোগাযোগ এই Api এর মাধ্যমে রক্ষা হবে।
 
 
এপ হাতে পেয়ে গেলে সেই এপ থেকে সার্ভে করে আপনি খুব সহজেই ৩০ ডলার আয় করে ফেলতে পারবেন। 
আর যদি একটা ইউ এস ব্যাংক এস এস এন নাম্বার থাকে তবে ইউ এস একাউন্ট করবেন আর যদি না থাকে তবে দেশী আইপি নাম্বার এন্ড ব্যাংক ব্যাবহার করবো
 
দেশী ব্যাংক হিসাবে আমি সাজেস্ট করবো আপনার Rocket একাউন্ট দিয়েই পেমেন্ট আনতে পারবেন সেটা নিয়ে আমরা আরেকদিন বিস্তারিত আলোচনা করবো।
 
এখন কথা হচ্ছে আমাদের কাছে যদি মোবাইলে আইপি না থাকে তখন আমরা যেভাবে আমাদের কাজ ফ্রিতেই কন্টিনিউ করতে পারবো নিজের একাউন্ট  এবং এপ দিয়ে।
 

প্রথমত আমাদের যা লাগবে তার তালিকাঃ

1. Pc Or Mobile

2. Secure Vpn

3. MyMobileSecure

4. Internet Connection

5. Fresh Mind

 

প্রথমে পিসি হলে Emulator ব্যবহার করবেন আর মোবাইল হলে তো আর এক্সটা কিছু করতে হবে না।

 

প্রথমে Secure VPN এপ টা ডাউনলোড করে US সার্ভার কানেক্ট করবেন এরপর MymobileSecure এপ টা প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করবেন Secure VPN কানেক্ট থাকা অবস্থায় প্রোফাইল পূরন করবেন এবং যখন MymobileSecure VPN কানেক্ট হয়ে যাবে ব্যস আপনি সেটা দিয়ে যতদিন ভিপিএন থাকবে নিজের এপ টাতে আইপি ক্রয় না করেও কাজ করে যেতে পারবেন।

Pollfish সাইটে একাউন্ট কিভাবে করতে হবে এবং API সংগ্রহ যেভাবে করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করেছি তবে  চলুন নিজের এপ নিজেই বানিয়ে ফেলি।

 

 

Pollfish এর একটা এপ বানানোর জন্য আমাদের যা দরকার হবেঃ

 

 

 

Android Studio এর দরকার হবে আমাদের  Android App টি বানানোর জন্য , Pollfish প্রজেক্ট ফাইল টি দরকার হবে কারন সেটা একটা সিম্পল রেডিমেড প্রজেক্ট সেখানে কিছু সেটিংস পূরন করে আমরা আমাদের এপ বিল্ড করবো।

আর API KEY আমাদের এপ এবং পোলফিশ সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করবে। আর ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে কারন প্রজেক্ট Import নয়তো করতে পারবেন না। 

আমরা যেহেতু নিজে কাজ করার জন্য বানাবো অবশ্যই এটা সিম্পল একটা প্রজেক্ট হবে তবে কেউ যদি চায় সেটাকে পরবর্তিতে আপডেট করে আরো ডায়নামিক একটা এপে রুপ দিতে পারবে। কিন্তু আমাদের এখন নিজে কাজ করার জন্য একটা সিম্পল এপ দরকার চলে আমরা সেটা বানিয়ে ফেলি।

 

 

এবার এপ বানানো হয়ে গেলে আপনি চাইলে Mysterium VPN এর 2 USD প্যাকেজ টা কিনেও নিজের এপে নিজে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে জাস্ট US সার্ভার ম্যানুয়াল ভাবে সেট আপ করে Residential প্রক্সি গুলো সিলেক্ট করতে হবে।

তাহলে দেখা হচ্ছে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে।

 

 
 
 

One thought on "Offerwall A To Z এবং ১০০% সুবিধা যেভাবে নেওয়া সম্ভব দেখে নিব ( সার্ভে সিরিজ পর্ব ১৪)"

Leave a Reply